০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৭)

তারা জেলা বোর্ডের কাছে আবেদন জানায় কূপটি সংস্কারের জন্য। জেলা বোর্ড কূপটি সংস্কার করে দিয়েছিল।

পুকুরের পাশে একটি বরদারি। কুপটি পরিচিত গুরু নানকের কূপ বা কুয়ো নামে। জনশ্রুতি অনযায়ী গুরু নানক এই কুয়ো থেকে পানি পান করতেন। তিনি নাকি তার হাতের লাঠি দিয়ে রূপটি খনন করেছিলেন। ঢাকার সবচেয়ে দৃশ্যমান পুরনো স্থাপত্য বিনতবিবির ও আরেকটি মসজিদ ছাড়া এটিই ছিল ঢাকার প্রাচীন স্থাপত্যিক নিদর্শন। নাসিরুদ্দীন মোহাম্মদের সময় ১৪৫৮ সালে বিনতবিবির মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল।

চৈত্র মাসে এই কূপকে ঘিরে মেলা বসতো। ওই সময় মাছ মাংস খাওয়া হতো না। অনেকে বিশ্বাস করতেন, এই কুয়োর পানি অসুখ-বিসুখ সারায়। ক্রমেই এটি লুপ্ত হওয়ার মতো অবস্থায় পৌঁছায়। ওই সময় একটি শিখ রেজিমেন্ট ওই জায়গায় কয়েকদিনের জন্য তাঁবু পেতেছিল। তারা জেলা বোর্ডের কাছে আবেদন জানায় কূপটি সংস্কারের জন্য। জেলা বোর্ড কূপটি সংস্কার করে দিয়েছিল।

এরপর আসে সুজাতপুরের গুরু দোয়ারার কথা। ইসলাম খাঁ ঢাকায় রাজধানী স্থাপনের পর সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময় ষষ্ঠ শুরু আলমাস্ট নামে একজনকে ঢাকায় পাঠান। তিনিই এই গুরু দোয়ারার পত্তন করেন। আলমাস্টের পর নাথি সাহেব এর দায়িত্ব পান। তিনি ছিলেন তৃতীয়। দ্বিতীয়জনের নাম পাওয়া যায়নি। সেই থেকে নাথি সাহেবের নামেই গুরু দোয়ারিটি পরিচিত। এর ফলকে লেখা আছে- সত্য ঈশ্বর, স্রষ্টার এবং গুরু নানকের নামে, আলমাস্ট রাজের নানকসভার গুরু গদ্দি। সুজাতপুরের নাথি সাহেবের সঙ্গত।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৬)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৬)

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৭)

০৭:০০:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

তারা জেলা বোর্ডের কাছে আবেদন জানায় কূপটি সংস্কারের জন্য। জেলা বোর্ড কূপটি সংস্কার করে দিয়েছিল।

পুকুরের পাশে একটি বরদারি। কুপটি পরিচিত গুরু নানকের কূপ বা কুয়ো নামে। জনশ্রুতি অনযায়ী গুরু নানক এই কুয়ো থেকে পানি পান করতেন। তিনি নাকি তার হাতের লাঠি দিয়ে রূপটি খনন করেছিলেন। ঢাকার সবচেয়ে দৃশ্যমান পুরনো স্থাপত্য বিনতবিবির ও আরেকটি মসজিদ ছাড়া এটিই ছিল ঢাকার প্রাচীন স্থাপত্যিক নিদর্শন। নাসিরুদ্দীন মোহাম্মদের সময় ১৪৫৮ সালে বিনতবিবির মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল।

চৈত্র মাসে এই কূপকে ঘিরে মেলা বসতো। ওই সময় মাছ মাংস খাওয়া হতো না। অনেকে বিশ্বাস করতেন, এই কুয়োর পানি অসুখ-বিসুখ সারায়। ক্রমেই এটি লুপ্ত হওয়ার মতো অবস্থায় পৌঁছায়। ওই সময় একটি শিখ রেজিমেন্ট ওই জায়গায় কয়েকদিনের জন্য তাঁবু পেতেছিল। তারা জেলা বোর্ডের কাছে আবেদন জানায় কূপটি সংস্কারের জন্য। জেলা বোর্ড কূপটি সংস্কার করে দিয়েছিল।

এরপর আসে সুজাতপুরের গুরু দোয়ারার কথা। ইসলাম খাঁ ঢাকায় রাজধানী স্থাপনের পর সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময় ষষ্ঠ শুরু আলমাস্ট নামে একজনকে ঢাকায় পাঠান। তিনিই এই গুরু দোয়ারার পত্তন করেন। আলমাস্টের পর নাথি সাহেব এর দায়িত্ব পান। তিনি ছিলেন তৃতীয়। দ্বিতীয়জনের নাম পাওয়া যায়নি। সেই থেকে নাথি সাহেবের নামেই গুরু দোয়ারিটি পরিচিত। এর ফলকে লেখা আছে- সত্য ঈশ্বর, স্রষ্টার এবং গুরু নানকের নামে, আলমাস্ট রাজের নানকসভার গুরু গদ্দি। সুজাতপুরের নাথি সাহেবের সঙ্গত।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৬)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৯৬)