১২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘ক্লিন ব্রেক’ থেকে অন্তহীন যুদ্ধ: প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা নীতি চার প্রদেশ নিয়েই অখণ্ড থাকবে পাকিস্তান, নতুন প্রদেশের প্রস্তাব নাকচ সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রীর নিউইয়র্কে বসছে ভোগ বিজনেসের বৈশ্বিক সম্মেলন, টিকিট বিক্রি শুরু ‘ক্লিন গার্ল’ যুগের বিদায়, বসন্ত-গ্রীষ্ম ২০২৭-এ আসছে নতুন ফ্যাশন ধারা দামি গয়না খোঁজার নতুন ঠিকানা কি টিকটক? বদলে যাওয়া শরীরের জন্য বিলাসবহুল ফ্যাশন, নতুন বাজার তৈরি করছে ওয়েলডান আমেরিকা কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত? কারখানার মেঝেতেই জাপানের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আসল লড়াই ২৫ বছরেই শেষ ৫ লাখ ডলারের ক্যারিয়ার, ই-স্পোর্টসে বাড়ছে চোটের ভয়াবহতা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এশিয়ার দিকে কানাডার নতুন বাণিজ্যযাত্রা

পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৯০ টাকায় পৌঁছাল

এই সপ্তাহে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম ২০–২৫ টাকা বেড়ে গেছে। ঢাকার অধিকাংশ মহল্লার দোকানে কেজি ৮৫–৯০ টাকার দরে বিক্রি হচ্ছে, আর তুলনামূলকভাবে ভাল মজুত থাকা দোকানে ৭৫–৯০ টাকা। দাম বাড়ার ধাক্কা শুরু হয়েছে উৎস এলাকা পাবনা থেকে, যা দ্রুত পাইকারি বাজার পেরিয়ে রাজধানীতেও পৌঁছেছে।

খুচরা পর্যায়ে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ৫৫–৬৫ টাকা থেকে ৭৫–৯০ টাকায় উঠে গেছে। পাবনার বোয়াইলমারী হাটে পাইকারি দর মণপ্রতি (৪০ কেজি) ২,০০০–২,২০০ টাকা থেকে বেড়ে ২,৫০০–২,৭০০ টাকা হয়েছে—অর্থাৎ কেজিপ্রতি ১২.৫–১৭.৫ টাকা বৃদ্ধি, যা দ্রুতই ভোক্তার দামে প্রতিফলিত হয়েছে।

কৃষকেরা জানাচ্ছেন, মজুত করা পেঁয়াজের একটি অংশ পচে গেছে—আগাম তুলনো, যথাযথ শুকানো/কিউরিং না হওয়া এবং সাম্প্রতিক বৃষ্টির যৌথ প্রভাবে বাজারে তোলার মতো সরবরাহ কমে গেছে। মজুত পাতলা হওয়ায় ব্যবসায়ী ও আড়তদারেরা দরের চাপ বাড়িয়েছেন। ফলাফল: সারাদেশে দ্রুত দাম বৃদ্ধি।

কর্তৃপক্ষ আপাতত আমদানির অনুমতি ধরে রেখেছে—তাদের যুক্তি, সস্তা বিদেশি পেঁয়াজ ঢুকলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। তবে দামের চাপ বাড়তে থাকায় বাজার শান্ত করতে নীতিগত ‘ইউ-টার্ন’-এর দাবি জোরাল হচ্ছে।

২০২৪ সালে উৎপাদন গত বছরের তুলনায় বেড়েছে, কিন্তু মাঠপর্যায়ের ক্ষতি ও দুর্বল সংরক্ষণ সেই সুফল অনেকটাই খেয়ে ফেলেছে। উৎসে সরবরাহ একটু কমলেই—যদিও অল্প সময়ের জন্য—ঢাকায় বিল দেওয়ার সময় ভোক্তার পকেট থেকেই বেশি টাকা বেরোয়।

তবু, এই সাপ্তাহিক ধাক্কার পরও বর্তমান ৭৫–৯০ টাকা কেজি গত বছরের একই সময়ের দরের নিচেই (দেশি ১১০–১২০ টাকা, আমদানি ১০০–১১০ টাকা)। অর্থাৎ এটি তীব্র স্বল্পমেয়াদি উল্লম্ফন, তবে এখনও সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ক্লিন ব্রেক’ থেকে অন্তহীন যুদ্ধ: প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা নীতি

পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৯০ টাকায় পৌঁছাল

০৬:৩৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫

এই সপ্তাহে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম ২০–২৫ টাকা বেড়ে গেছে। ঢাকার অধিকাংশ মহল্লার দোকানে কেজি ৮৫–৯০ টাকার দরে বিক্রি হচ্ছে, আর তুলনামূলকভাবে ভাল মজুত থাকা দোকানে ৭৫–৯০ টাকা। দাম বাড়ার ধাক্কা শুরু হয়েছে উৎস এলাকা পাবনা থেকে, যা দ্রুত পাইকারি বাজার পেরিয়ে রাজধানীতেও পৌঁছেছে।

খুচরা পর্যায়ে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ৫৫–৬৫ টাকা থেকে ৭৫–৯০ টাকায় উঠে গেছে। পাবনার বোয়াইলমারী হাটে পাইকারি দর মণপ্রতি (৪০ কেজি) ২,০০০–২,২০০ টাকা থেকে বেড়ে ২,৫০০–২,৭০০ টাকা হয়েছে—অর্থাৎ কেজিপ্রতি ১২.৫–১৭.৫ টাকা বৃদ্ধি, যা দ্রুতই ভোক্তার দামে প্রতিফলিত হয়েছে।

কৃষকেরা জানাচ্ছেন, মজুত করা পেঁয়াজের একটি অংশ পচে গেছে—আগাম তুলনো, যথাযথ শুকানো/কিউরিং না হওয়া এবং সাম্প্রতিক বৃষ্টির যৌথ প্রভাবে বাজারে তোলার মতো সরবরাহ কমে গেছে। মজুত পাতলা হওয়ায় ব্যবসায়ী ও আড়তদারেরা দরের চাপ বাড়িয়েছেন। ফলাফল: সারাদেশে দ্রুত দাম বৃদ্ধি।

কর্তৃপক্ষ আপাতত আমদানির অনুমতি ধরে রেখেছে—তাদের যুক্তি, সস্তা বিদেশি পেঁয়াজ ঢুকলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। তবে দামের চাপ বাড়তে থাকায় বাজার শান্ত করতে নীতিগত ‘ইউ-টার্ন’-এর দাবি জোরাল হচ্ছে।

২০২৪ সালে উৎপাদন গত বছরের তুলনায় বেড়েছে, কিন্তু মাঠপর্যায়ের ক্ষতি ও দুর্বল সংরক্ষণ সেই সুফল অনেকটাই খেয়ে ফেলেছে। উৎসে সরবরাহ একটু কমলেই—যদিও অল্প সময়ের জন্য—ঢাকায় বিল দেওয়ার সময় ভোক্তার পকেট থেকেই বেশি টাকা বেরোয়।

তবু, এই সাপ্তাহিক ধাক্কার পরও বর্তমান ৭৫–৯০ টাকা কেজি গত বছরের একই সময়ের দরের নিচেই (দেশি ১১০–১২০ টাকা, আমদানি ১০০–১১০ টাকা)। অর্থাৎ এটি তীব্র স্বল্পমেয়াদি উল্লম্ফন, তবে এখনও সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে পৌঁছায়নি।