১২:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘ক্লিন ব্রেক’ থেকে অন্তহীন যুদ্ধ: প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা নীতি চার প্রদেশ নিয়েই অখণ্ড থাকবে পাকিস্তান, নতুন প্রদেশের প্রস্তাব নাকচ সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রীর নিউইয়র্কে বসছে ভোগ বিজনেসের বৈশ্বিক সম্মেলন, টিকিট বিক্রি শুরু ‘ক্লিন গার্ল’ যুগের বিদায়, বসন্ত-গ্রীষ্ম ২০২৭-এ আসছে নতুন ফ্যাশন ধারা দামি গয়না খোঁজার নতুন ঠিকানা কি টিকটক? বদলে যাওয়া শরীরের জন্য বিলাসবহুল ফ্যাশন, নতুন বাজার তৈরি করছে ওয়েলডান আমেরিকা কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত? কারখানার মেঝেতেই জাপানের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আসল লড়াই ২৫ বছরেই শেষ ৫ লাখ ডলারের ক্যারিয়ার, ই-স্পোর্টসে বাড়ছে চোটের ভয়াবহতা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এশিয়ার দিকে কানাডার নতুন বাণিজ্যযাত্রা

ফেব্রুয়ারিতে দেশে-বিদেশে ক্রেডিট কার্ড খরচ কমেছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে ও বিদেশে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে। আগের মাসের তুলনায় প্রায় সব ক্ষেত্রেই ব্যয়ের পরিমাণ কমেছে, যা সামগ্রিকভাবে লেনদেনে একটি নিম্নমুখী প্রবণতা নির্দেশ করছে।

বিদেশে বাংলাদেশিদের খরচ কমেছে
ফেব্রুয়ারিতে বিদেশে বাংলাদেশি কার্ডধারীদের মোট খরচ দাঁড়িয়েছে ৩৭৭ কোটি টাকা, যা জানুয়ারির ৪৬৩ কোটি টাকা থেকে ৮৬ কোটি টাকা কম। অর্থাৎ এক মাসেই বড় ধরনের হ্রাস দেখা গেছে।

দেশভিত্তিক ব্যয়ের চিত্রে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি খরচ হয়েছে, প্রায় ৫৪ কোটি টাকা। এরপর রয়েছে থাইল্যান্ড (৫০ কোটি টাকা), সিঙ্গাপুর (৩২ কোটি টাকা) এবং যুক্তরাজ্য (৩০ কোটি টাকা)। এছাড়া সৌদি আরব, ভারত, মালয়েশিয়া ও নেদারল্যান্ডসেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ব্যয় হয়েছে।

বাংলাদেশে বিদেশিদের খরচেও পতন
বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারেও একই ধরনের পতন দেখা গেছে। ফেব্রুয়ারিতে তাদের মোট খরচ নেমে এসেছে প্রায় ২৬৬ কোটি টাকায়, যা জানুয়ারিতে ছিল ৩৪৪ কোটি টাকা। এক মাসেই প্রায় ৭৮ কোটি টাকা কমেছে এই ব্যয়।

এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরাই সবচেয়ে বেশি খরচ করেছেন, প্রায় ৮৬ কোটি টাকা। এরপর রয়েছে মোজাম্বিক, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা।

দেশীয় লেনদেনেও ধীরগতি
শুধু আন্তর্জাতিক নয়, দেশের ভেতরেও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে সংকোচন দেখা গেছে। জানুয়ারিতে যেখানে অভ্যন্তরীণ লেনদেন ছিল ৩,৭২০ কোটি টাকা, ফেব্রুয়ারিতে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩,৪২২ কোটি টাকায়। অর্থাৎ এক মাসে ২৯৮ কোটি টাকা কমেছে।

সামগ্রিক চিত্র
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে, ফেব্রুয়ারি মাসে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে সব ক্ষেত্রেই নিম্নমুখী প্রবণতা রয়েছে। দেশীয়, আন্তর্জাতিক—সব ধরনের লেনদেনেই কমে যাওয়ার এই প্রবণতা অর্থনৈতিক আচরণে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ক্লিন ব্রেক’ থেকে অন্তহীন যুদ্ধ: প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা নীতি

ফেব্রুয়ারিতে দেশে-বিদেশে ক্রেডিট কার্ড খরচ কমেছে

০৮:০৯:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে ও বিদেশে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে। আগের মাসের তুলনায় প্রায় সব ক্ষেত্রেই ব্যয়ের পরিমাণ কমেছে, যা সামগ্রিকভাবে লেনদেনে একটি নিম্নমুখী প্রবণতা নির্দেশ করছে।

বিদেশে বাংলাদেশিদের খরচ কমেছে
ফেব্রুয়ারিতে বিদেশে বাংলাদেশি কার্ডধারীদের মোট খরচ দাঁড়িয়েছে ৩৭৭ কোটি টাকা, যা জানুয়ারির ৪৬৩ কোটি টাকা থেকে ৮৬ কোটি টাকা কম। অর্থাৎ এক মাসেই বড় ধরনের হ্রাস দেখা গেছে।

দেশভিত্তিক ব্যয়ের চিত্রে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি খরচ হয়েছে, প্রায় ৫৪ কোটি টাকা। এরপর রয়েছে থাইল্যান্ড (৫০ কোটি টাকা), সিঙ্গাপুর (৩২ কোটি টাকা) এবং যুক্তরাজ্য (৩০ কোটি টাকা)। এছাড়া সৌদি আরব, ভারত, মালয়েশিয়া ও নেদারল্যান্ডসেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ব্যয় হয়েছে।

বাংলাদেশে বিদেশিদের খরচেও পতন
বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারেও একই ধরনের পতন দেখা গেছে। ফেব্রুয়ারিতে তাদের মোট খরচ নেমে এসেছে প্রায় ২৬৬ কোটি টাকায়, যা জানুয়ারিতে ছিল ৩৪৪ কোটি টাকা। এক মাসেই প্রায় ৭৮ কোটি টাকা কমেছে এই ব্যয়।

এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরাই সবচেয়ে বেশি খরচ করেছেন, প্রায় ৮৬ কোটি টাকা। এরপর রয়েছে মোজাম্বিক, যুক্তরাজ্য এবং অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা।

দেশীয় লেনদেনেও ধীরগতি
শুধু আন্তর্জাতিক নয়, দেশের ভেতরেও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে সংকোচন দেখা গেছে। জানুয়ারিতে যেখানে অভ্যন্তরীণ লেনদেন ছিল ৩,৭২০ কোটি টাকা, ফেব্রুয়ারিতে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩,৪২২ কোটি টাকায়। অর্থাৎ এক মাসে ২৯৮ কোটি টাকা কমেছে।

সামগ্রিক চিত্র
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে, ফেব্রুয়ারি মাসে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে সব ক্ষেত্রেই নিম্নমুখী প্রবণতা রয়েছে। দেশীয়, আন্তর্জাতিক—সব ধরনের লেনদেনেই কমে যাওয়ার এই প্রবণতা অর্থনৈতিক আচরণে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।