০৯:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গ্যাস স্টেশনে বসল বিয়ের আসর, তিন পোশাকে চমকে দিলেন ড্রামার কনে ট্রাম্পের মানচিত্রে ‘মার্কিন’ আইসল্যান্ড, ক্ষুব্ধ রেইকিয়াভিক তলব করল মার্কিন রাষ্ট্রদূত এনভিডিয়া–হাগিং ফেস চুক্তিতে বদলে যেতে পারে প্রতিষ্ঠানের এআই কৌশল মেয়ের জন্মের স্মৃতি ধরে রাখতে টেলর সুইফটের প্রিয় গয়না-শিল্পীর অনন্য আংটি ১০–৩০ কাউন্ট সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা বাতিল, আপত্তি বিজিএমইএ-বিকেএমইএর সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের চার প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যু মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: মিসরের সামনে যোগ দেওয়ার চেয়েও বড় প্রশ্ন কাঁচা সবুজ টমেটো সংরক্ষণ করুন শীতের জন্য, সহজেই তৈরি করুন মজাদার আচার ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করল মিসর আমেরিকার ২৫০ বছরে নেব্রাস্কা: ইতিহাস, ঐতিহ্য আর সংগ্রহের গল্প

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ বানাল চীন

  • Sarakhon Report
  • ১২:১৯:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 312

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত-জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ তৈরি করেছে চীনের চায়না স্টেট শিপবিল্ডিং করপোরেশন। মঙ্গলবার শাংহাইতে জাহাজটি হস্তান্তর করা হয়।

জাহাজটির নাম ‘সুপার কার্গো কিং অব দ্য সি’। এটি একসঙ্গে ২৪ হাজার কনটেইনার বহন করতে পারে। মোট বহন সক্ষমতা ২ লাখ ২০ হাজার টন।

জাহাজটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস দিয়ে চলে। একটানা ২০ হাজার নটিক্যাল মাইল পথ পাড়ি দিতে পারবে এটি।

হুতোং-চংহুয়া শিপবিল্ডিং কোম্পানির কর্মকর্তা ওয়াং চিয়াইং বলেন, জাহাজটি খুবই আধুনিক। এটি পরিবেশবান্ধব এবং এর ধারণক্ষমতাও বেশি। একটি জাহাজ ৪-৫ মাসে তৈরি করা যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

কোম্পানির আরেক কর্মকর্তা লিউ চুয়েতোং জানান, ‘জাহাজটি আমরা নির্ধারিত সময়ের ৬ মাস আগেই তৈরি করে হস্তান্তর করেছি।’

সিএমজি বাংলা

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস স্টেশনে বসল বিয়ের আসর, তিন পোশাকে চমকে দিলেন ড্রামার কনে

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ বানাল চীন

১২:১৯:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বৈত-জ্বালানির কনটেইনার জাহাজ তৈরি করেছে চীনের চায়না স্টেট শিপবিল্ডিং করপোরেশন। মঙ্গলবার শাংহাইতে জাহাজটি হস্তান্তর করা হয়।

জাহাজটির নাম ‘সুপার কার্গো কিং অব দ্য সি’। এটি একসঙ্গে ২৪ হাজার কনটেইনার বহন করতে পারে। মোট বহন সক্ষমতা ২ লাখ ২০ হাজার টন।

জাহাজটি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস দিয়ে চলে। একটানা ২০ হাজার নটিক্যাল মাইল পথ পাড়ি দিতে পারবে এটি।

হুতোং-চংহুয়া শিপবিল্ডিং কোম্পানির কর্মকর্তা ওয়াং চিয়াইং বলেন, জাহাজটি খুবই আধুনিক। এটি পরিবেশবান্ধব এবং এর ধারণক্ষমতাও বেশি। একটি জাহাজ ৪-৫ মাসে তৈরি করা যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

কোম্পানির আরেক কর্মকর্তা লিউ চুয়েতোং জানান, ‘জাহাজটি আমরা নির্ধারিত সময়ের ৬ মাস আগেই তৈরি করে হস্তান্তর করেছি।’

সিএমজি বাংলা