১২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘ক্লিন ব্রেক’ থেকে অন্তহীন যুদ্ধ: প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা নীতি চার প্রদেশ নিয়েই অখণ্ড থাকবে পাকিস্তান, নতুন প্রদেশের প্রস্তাব নাকচ সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রীর নিউইয়র্কে বসছে ভোগ বিজনেসের বৈশ্বিক সম্মেলন, টিকিট বিক্রি শুরু ‘ক্লিন গার্ল’ যুগের বিদায়, বসন্ত-গ্রীষ্ম ২০২৭-এ আসছে নতুন ফ্যাশন ধারা দামি গয়না খোঁজার নতুন ঠিকানা কি টিকটক? বদলে যাওয়া শরীরের জন্য বিলাসবহুল ফ্যাশন, নতুন বাজার তৈরি করছে ওয়েলডান আমেরিকা কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত? কারখানার মেঝেতেই জাপানের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আসল লড়াই ২৫ বছরেই শেষ ৫ লাখ ডলারের ক্যারিয়ার, ই-স্পোর্টসে বাড়ছে চোটের ভয়াবহতা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এশিয়ার দিকে কানাডার নতুন বাণিজ্যযাত্রা

ভাগ্যরাজের শেষকৃত্যে ক্যামেরার ভিড়, ক্ষোভ জানালেন রাধিকা সারথকুমার

কে ভাগ্যরাজের শেষকৃত্য শুধু শোকের অনুষ্ঠান হিসেবে থাকেনি, সেটি গণমাধ্যমের আচরণ নিয়ে বিতর্কেও পরিণত হয়েছে। অভিনেত্রী রাধিকা সারথকুমার প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়ে বলেছেন, শোকের মুহূর্তকে ছবি তোলার সুযোগ বা প্রদর্শনীতে পরিণত করা উচিত নয়। তার বক্তব্যে উঠে এসেছে, তারকা পরিবারের ব্যক্তিগত শোকও সম্মান পাওয়ার অধিকার রাখে। ভক্তদের আবেগ, গণমাধ্যমের দায়িত্ব এবং পরিবারের মর্যাদা, এই তিনটির ভারসাম্য নিয়েই এখন আলোচনা।

এনডিটিভি ও ইন্ডিয়া টুডির প্রতিবেদনে রাধিকার বক্তব্যের মূল সুর একই। তিনি অভিযোগ করেন, ভাগ্যরাজের শেষকৃত্যে কিছু মানুষ ও ক্যামেরা শোকাহত পরিবারের খুব কাছে চলে গিয়েছিল। এমনকি পরিবারের সদস্যদের কান্না ও ব্যক্তিগত মুহূর্তও ধারণের চেষ্টা হয়েছে। তিনি বলেন, শেষ বিদায় কোনো ছবি তোলার জায়গা নয়।

বলিউড ও দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে পাপারাজ্জি সংস্কৃতি ক্রমেই আক্রমণাত্মক হয়েছে। বিমানবন্দর, হাসপাতাল, বিয়ের অনুষ্ঠান, শেষকৃত্য, সব জায়গাতেই ক্যামেরা উপস্থিত থাকে। অনেক সময় তারকারা নিজেরাই প্রচারের জন্য এই সংস্কৃতিকে ব্যবহার করেন। কিন্তু মৃত্যু ও শোকের মতো মুহূর্তে সেই একই ক্যামেরা যখন পরিবারের ওপর চাপ তৈরি করে, তখন নৈতিক প্রশ্ন ওঠে। রাধিকার ক্ষোভ সেই প্রশ্নকেই সামনে এনেছে।

বাংলাদেশেও জনপ্রিয় ব্যক্তি মারা গেলে লাইভ, ছবি, ফেসবুক পোস্ট এবং অতিরিক্ত কাছাকাছি যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। তাই এই গল্প স্থানীয় পাঠকের কাছেও প্রাসঙ্গিক। জনমানুষের প্রিয় তারকা মারা গেলে শোকের মালিক কে, এই প্রশ্নটি এই প্রতিবেদনের কেন্দ্রে।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ক্লিন ব্রেক’ থেকে অন্তহীন যুদ্ধ: প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা নীতি

ভাগ্যরাজের শেষকৃত্যে ক্যামেরার ভিড়, ক্ষোভ জানালেন রাধিকা সারথকুমার

০৬:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

কে ভাগ্যরাজের শেষকৃত্য শুধু শোকের অনুষ্ঠান হিসেবে থাকেনি, সেটি গণমাধ্যমের আচরণ নিয়ে বিতর্কেও পরিণত হয়েছে। অভিনেত্রী রাধিকা সারথকুমার প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়ে বলেছেন, শোকের মুহূর্তকে ছবি তোলার সুযোগ বা প্রদর্শনীতে পরিণত করা উচিত নয়। তার বক্তব্যে উঠে এসেছে, তারকা পরিবারের ব্যক্তিগত শোকও সম্মান পাওয়ার অধিকার রাখে। ভক্তদের আবেগ, গণমাধ্যমের দায়িত্ব এবং পরিবারের মর্যাদা, এই তিনটির ভারসাম্য নিয়েই এখন আলোচনা।

এনডিটিভি ও ইন্ডিয়া টুডির প্রতিবেদনে রাধিকার বক্তব্যের মূল সুর একই। তিনি অভিযোগ করেন, ভাগ্যরাজের শেষকৃত্যে কিছু মানুষ ও ক্যামেরা শোকাহত পরিবারের খুব কাছে চলে গিয়েছিল। এমনকি পরিবারের সদস্যদের কান্না ও ব্যক্তিগত মুহূর্তও ধারণের চেষ্টা হয়েছে। তিনি বলেন, শেষ বিদায় কোনো ছবি তোলার জায়গা নয়।

বলিউড ও দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে পাপারাজ্জি সংস্কৃতি ক্রমেই আক্রমণাত্মক হয়েছে। বিমানবন্দর, হাসপাতাল, বিয়ের অনুষ্ঠান, শেষকৃত্য, সব জায়গাতেই ক্যামেরা উপস্থিত থাকে। অনেক সময় তারকারা নিজেরাই প্রচারের জন্য এই সংস্কৃতিকে ব্যবহার করেন। কিন্তু মৃত্যু ও শোকের মতো মুহূর্তে সেই একই ক্যামেরা যখন পরিবারের ওপর চাপ তৈরি করে, তখন নৈতিক প্রশ্ন ওঠে। রাধিকার ক্ষোভ সেই প্রশ্নকেই সামনে এনেছে।

বাংলাদেশেও জনপ্রিয় ব্যক্তি মারা গেলে লাইভ, ছবি, ফেসবুক পোস্ট এবং অতিরিক্ত কাছাকাছি যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। তাই এই গল্প স্থানীয় পাঠকের কাছেও প্রাসঙ্গিক। জনমানুষের প্রিয় তারকা মারা গেলে শোকের মালিক কে, এই প্রশ্নটি এই প্রতিবেদনের কেন্দ্রে।