০৮:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেরিতে ফুটলেও ফুল ফোটে: শেখার কোনো বয়স নেই বিরামপুর সীমান্তে ১২ থেকে ১৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি-গ্রামবাসীর বাধায় পিছু হটল বিএসএফ নতুন ছাঁটে চমকে দিলেন কনর স্টোরি, ক্রিয়েটিভ আর্টস এমিসে আত্মপ্রকাশ ‘বাজকাট’ লুকে জঙ্গলে মিলল নিখোঁজ যুবকের কঙ্কাল, পোশাক দেখে শনাক্ত করলেন বাবা কৃষিকে বদলে দিতে বিশ্বব্যাংকের ‘এগ্রিকানেক্ট’, লক্ষ্য ৩০ কোটি ক্ষুদ্র কৃষক সাইফুর রহমানের মৃত্যু দুর্ঘটনা নাকি ষড়যন্ত্র, তদন্ত চান রিজভী শরতের ফ্যাশনে জেন বারকিনের পুরোনো ছবিই আজকের নতুন অনুপ্রেরণা শরতের সাজে সুয়েড জ্যাকেট, ৬ দারুণ স্টাইলিং আইডিয়া সিয়ারা মা হচ্ছেন পঞ্চমবার, রাসেল উইলসনের সঙ্গে আসছে নতুন অতিথি ভেনিসে আবারও আলোচনায় ব্রুকলিন-নিকোলা, পুরোনো বিরতির পর ফিরলেন আলোয়

রোজায় বমি করলে ভাঙে নাকি রোজা? ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা

রমজানের পবিত্র মাসে দিনভর খাবার ও পানাহার থেকে বিরত থাকায় অনেক রোজাদার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। মাঝে মাঝে বমি, মাথা ঘোরা বা শারীরিক দুর্বলতার কারণে তারা দুশ্চিন্তায় পড়েন, রোজা ভাঙেছে কি না বা কাজা করতে হবে কি না। বিশেষ করে বমি হলে রোজা থাকে নাকি ভেঙে যায়—এ প্রশ্নই সবচেয়ে বেশি শোনা যায়।

ইসলামিক স্কলাররা বলেছেন, রোজা অবস্থায় মুখ ভরে বমি হলে রোজা ভাঙবে কি না তা নির্ভর করে বমির উদ্দেশ্য ও নিয়ন্ত্রণের ওপর। যদি কোনো ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, অর্থাৎ স্বেচ্ছায় নয়, তাহলে তার রোজা ভাঙবে না এবং কাজা আদায়ের প্রয়োজন নেই। তবে যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করে, তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা আদায় করা আবশ্যক।

এই বিষয়টি হাদিসে স্পষ্টভাবে বর্ণিত। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার অনিচ্ছাকৃত বমি হয়ে যায়, তার রোজা ভাঙবে না; কিন্তু যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা করতে হবে।’ (তিরমিজি ৭২০, ইবনে মাজাহ ১৬৭৬, মুসতাদরাকে হাকেম ১৫৫৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

দেরিতে ফুটলেও ফুল ফোটে: শেখার কোনো বয়স নেই

রোজায় বমি করলে ভাঙে নাকি রোজা? ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা

০৫:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রমজানের পবিত্র মাসে দিনভর খাবার ও পানাহার থেকে বিরত থাকায় অনেক রোজাদার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। মাঝে মাঝে বমি, মাথা ঘোরা বা শারীরিক দুর্বলতার কারণে তারা দুশ্চিন্তায় পড়েন, রোজা ভাঙেছে কি না বা কাজা করতে হবে কি না। বিশেষ করে বমি হলে রোজা থাকে নাকি ভেঙে যায়—এ প্রশ্নই সবচেয়ে বেশি শোনা যায়।

ইসলামিক স্কলাররা বলেছেন, রোজা অবস্থায় মুখ ভরে বমি হলে রোজা ভাঙবে কি না তা নির্ভর করে বমির উদ্দেশ্য ও নিয়ন্ত্রণের ওপর। যদি কোনো ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, অর্থাৎ স্বেচ্ছায় নয়, তাহলে তার রোজা ভাঙবে না এবং কাজা আদায়ের প্রয়োজন নেই। তবে যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করে, তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা আদায় করা আবশ্যক।

এই বিষয়টি হাদিসে স্পষ্টভাবে বর্ণিত। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার অনিচ্ছাকৃত বমি হয়ে যায়, তার রোজা ভাঙবে না; কিন্তু যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা করতে হবে।’ (তিরমিজি ৭২০, ইবনে মাজাহ ১৬৭৬, মুসতাদরাকে হাকেম ১৫৫৭)