০৭:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেরিতে ফুটলেও ফুল ফোটে: শেখার কোনো বয়স নেই বিরামপুর সীমান্তে ১২ থেকে ১৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি-গ্রামবাসীর বাধায় পিছু হটল বিএসএফ নতুন ছাঁটে চমকে দিলেন কনর স্টোরি, ক্রিয়েটিভ আর্টস এমিসে আত্মপ্রকাশ ‘বাজকাট’ লুকে জঙ্গলে মিলল নিখোঁজ যুবকের কঙ্কাল, পোশাক দেখে শনাক্ত করলেন বাবা কৃষিকে বদলে দিতে বিশ্বব্যাংকের ‘এগ্রিকানেক্ট’, লক্ষ্য ৩০ কোটি ক্ষুদ্র কৃষক সাইফুর রহমানের মৃত্যু দুর্ঘটনা নাকি ষড়যন্ত্র, তদন্ত চান রিজভী শরতের ফ্যাশনে জেন বারকিনের পুরোনো ছবিই আজকের নতুন অনুপ্রেরণা শরতের সাজে সুয়েড জ্যাকেট, ৬ দারুণ স্টাইলিং আইডিয়া সিয়ারা মা হচ্ছেন পঞ্চমবার, রাসেল উইলসনের সঙ্গে আসছে নতুন অতিথি ভেনিসে আবারও আলোচনায় ব্রুকলিন-নিকোলা, পুরোনো বিরতির পর ফিরলেন আলোয়

হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু

দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃত দুই শিশুই সিলেটের বাসিন্দা। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৬১ শিশু, যাদের মধ্যে ১০৮ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশে চলমান হাম পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়েছে এবং আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে।

মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৪৫৩

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৪৫৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৭৯ শিশু। আর পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে আরও ৭৪ শিশু।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, আক্রান্ত শিশুদের অনেকেই হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই জটিল অবস্থায় ছিল। ফলে চিকিৎসা দিয়েও অনেক ক্ষেত্রে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

হাজারো শিশু আক্রান্ত

চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ৫৬ হাজার ৫৭২ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এ সময় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪১ হাজার ২৮ শিশু। তবে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩৬ হাজার ৬৪৫ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, একই সময়ের মধ্যে ৭ হাজার ৫২৪ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখনও নতুন করে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদানের ঘাটতি, সচেতনতার অভাব এবং সময়মতো চিকিৎসা না নেওয়ার কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। বিশেষ করে শিশুদের নিয়মিত টিকা নিশ্চিত না হওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে।

তাদের মতে, দ্রুত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা এবং অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এখন সবচেয়ে জরুরি। পাশাপাশি জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি বা হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও অভিভাবকদের সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছে। একই সঙ্গে শিশুদের নির্ধারিত টিকা সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেরিতে ফুটলেও ফুল ফোটে: শেখার কোনো বয়স নেই

হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু

০৭:৩৬:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃত দুই শিশুই সিলেটের বাসিন্দা। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৬১ শিশু, যাদের মধ্যে ১০৮ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশে চলমান হাম পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়েছে এবং আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে।

মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৪৫৩

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৪৫৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৭৯ শিশু। আর পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে আরও ৭৪ শিশু।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, আক্রান্ত শিশুদের অনেকেই হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই জটিল অবস্থায় ছিল। ফলে চিকিৎসা দিয়েও অনেক ক্ষেত্রে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

হাজারো শিশু আক্রান্ত

চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ৫৬ হাজার ৫৭২ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এ সময় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪১ হাজার ২৮ শিশু। তবে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩৬ হাজার ৬৪৫ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, একই সময়ের মধ্যে ৭ হাজার ৫২৪ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, কারণ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখনও নতুন করে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদানের ঘাটতি, সচেতনতার অভাব এবং সময়মতো চিকিৎসা না নেওয়ার কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। বিশেষ করে শিশুদের নিয়মিত টিকা নিশ্চিত না হওয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে।

তাদের মতে, দ্রুত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা এবং অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এখন সবচেয়ে জরুরি। পাশাপাশি জ্বর, শরীরে ফুসকুড়ি বা হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও অভিভাবকদের সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছে। একই সঙ্গে শিশুদের নির্ধারিত টিকা সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।