০৫:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬
রোগনির্ণয়ের যুগে আমরা কি অতিরিক্ত লেবেল দিচ্ছি? বাংলাদেশকে আমেরিকা, ভারতসহ অন্যান্য দেশের গড়ে ওঠা চীনের বিকল্প সাপ্লাই চেইন জোট ‘প্যাক্স সিলিকা’য় যোগ দিতে আহ্বান সার্জিও গরের চট্টগ্রাম ওয়াসার পানির দাম ৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাহারের দাবি, ক্যাবের তীব্র প্রতিবাদ বেনজীর আহমেদ দুবাই কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত, ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা: পারিবারিক সূত্র কুষ্টিয়ার চরে সেতুহীন দুর্ভোগ: পদ্মার বালুচর পেরিয়ে প্রতিদিন জীবনযুদ্ধ, বিচ্ছিন্ন প্রায় এক লাখ মানুষ সুন্দরবনে ছাগল খাচ্ছে লবণপানির কুমির, পর্যটকের ক্যামেরায় বিরল ভিডিও ফরিদপুরে রেললাইনের পাশে ৮ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক ৩ প্রাথমিকের ১৪,৩৮৪ সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক প্রার্থীর অনির্দিষ্টকালের অবস্থান কর্মসূচি, আগস্টেই নিয়োগপত্রের দাবি যশোরে কলেজছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, আহত ৪

কুষ্টিয়ার চরে সেতুহীন দুর্ভোগ: পদ্মার বালুচর পেরিয়ে প্রতিদিন জীবনযুদ্ধ, বিচ্ছিন্ন প্রায় এক লাখ মানুষ

বর্ষা এলেই পদ্মা নদীর ফুলে-ফেঁপে ওঠা পানি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার চরাঞ্চলের হাজারো মানুষের জীবনকে আবারও মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। চিকিৎসা, শিক্ষা, বাজার কিংবা কৃষিপণ্য পরিবহন—প্রতিটি প্রয়োজনীয় কাজই তখন পরিণত হয় কঠিন সংগ্রামে। স্বাধীনতার পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও মাত্র দুটি সেতুর অভাবে রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের প্রায় এক লাখ মানুষ এখনও যোগাযোগ সংকটে ভুগছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভাগজোট ও সুখারঘাটে দুটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে এলেও বাস্তবে সেই দাবি পূরণ হয়নি। ফলে বছরের পর বছর উন্নয়নের নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও কার্যকর যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে তার পূর্ণ সুফল পাচ্ছেন না চরবাসী।

যোগাযোগের অভাবে প্রতিদিনের দুর্ভোগ

বর্ষাকালে নদী পারাপারের একমাত্র ভরসা নৌকা। আর শুষ্ক মৌসুমে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার বালুচর পেরিয়ে ভ্যান, ট্রলি, মোটরসাইকেল কিংবা ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে মূল সড়কে পৌঁছাতে হয়। এরপর শুরু হয় গন্তব্যের মূল যাত্রা।

দৌলতপুর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরের এই চরাঞ্চলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অভ্যন্তরীণ সড়ক, বিদ্যুৎ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কিছু উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু সেতু না থাকায় এসব অবকাঠামোর কার্যকারিতা সীমিত হয়ে পড়েছে।

যেখানে চলাচলের একমাত্র ভরসা নৌকা

চিকিৎসা ও শিক্ষায় বড় বাধা

স্থানীয়দের ভাষ্য, জরুরি চিকিৎসা সবচেয়ে বড় সংকটগুলোর একটি। গুরুতর অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসা পাওয়ার আগেই রোগীর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেন বলেন, যোগাযোগব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে চরাঞ্চলের শিশুরা মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অনেক শিক্ষক এখানে দীর্ঘদিন থাকতে চান না। যারা যোগ দেন, তারাও অল্প সময়ের মধ্যে বদলির চেষ্টা করেন। এতে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, নিকটতম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় জরুরি চিকিৎসা পাওয়া অত্যন্ত কঠিন।

গৃহিণী শেফালি খাতুন বলেন, অসুস্থ স্বজনকে হাসপাতালে নিতে হলে আগে বালুচর পার করে ভ্যান বা ঘোড়ার গাড়িতে তুলতে হয়। অনেক সময় পথেই রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়।

কৃষকের বাড়তি খরচ, কমছে লাভ

যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার প্রভাব পড়ছে কৃষিতেও। ধান, পাট, ভুট্টা, শাকসবজিসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য প্রথমে নৌকা বা ঘোড়ার গাড়িতে করে নিয়ে যেতে হয়। এরপর সড়কপথে পরিবহন শুরু হয়। এতে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যায় এবং কৃষকের লাভের পরিমাণ কমে আসে।

স্থানীয়দের মতে, সেতু নির্মাণ হলে কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারে পৌঁছানো সম্ভব হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যও উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হবে।

সেতু নির্মাণের প্রস্তাব, অপেক্ষা অনুমোদনের

একটি সেতুর অভাবে দুর্ভোগে ৩ ইউনিয়নের মানুষ, ইঞ্জ...

দৌলতপুর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জানিয়েছে, ভাগজোট ঘাটে ৩৫০ মিটার এবং সুখারঘাটে ৯৬ মিটার দৈর্ঘ্যের দুটি সেতু নির্মাণের প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। তবে প্রকল্প অনুমোদন বা কাজ শুরুর নির্দিষ্ট সময় এখনো জানা যায়নি।

উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আসাদ উল্লাহ বলেন, প্রয়োজনীয় সব নথি ইতোমধ্যে জমা দেওয়া হয়েছে। বাজেট অনুমোদন পেলেই নির্মাণকাজ শুরু হবে।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, বাস্তবায়নের অপেক্ষা

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের প্রার্থীরা দুটি সেতু নির্মাণ, সড়ক উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি খাতের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু নির্বাচন শেষ হলে সেই প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবায়নের পথে এগোয় না।

রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ মণ্ডল বলেন, দুটি সেতু নির্মাণ হলে শুধু যোগাযোগ নয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও ব্যবসায়ও বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। তাই দ্রুত প্রকল্প অনুমোদনের আহ্বান জানান তিনি।

কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বলেন, দুটি সেতু নির্মাণ এবং নদীভাঙন রোধ তার অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়। এ নিয়ে সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটারও পাঠানো হয়েছে। দ্রুত অনুমোদন নিশ্চিত করতে চেষ্টা চলছে।

চরবাসীর কাছে এই দুটি সেতু কেবল অবকাঠামো নয়; বরং শিক্ষা, চিকিৎসা, বাজার ও উন্নয়নের সঙ্গে সমান সুযোগ পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। অনুমোদন ও নির্মাণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত পদ্মার বিস্তীর্ণ বালুচর আর নদী পেরিয়েই তাদের প্রতিদিনের জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রোগনির্ণয়ের যুগে আমরা কি অতিরিক্ত লেবেল দিচ্ছি?

কুষ্টিয়ার চরে সেতুহীন দুর্ভোগ: পদ্মার বালুচর পেরিয়ে প্রতিদিন জীবনযুদ্ধ, বিচ্ছিন্ন প্রায় এক লাখ মানুষ

০৩:৪৭:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

বর্ষা এলেই পদ্মা নদীর ফুলে-ফেঁপে ওঠা পানি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার চরাঞ্চলের হাজারো মানুষের জীবনকে আবারও মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। চিকিৎসা, শিক্ষা, বাজার কিংবা কৃষিপণ্য পরিবহন—প্রতিটি প্রয়োজনীয় কাজই তখন পরিণত হয় কঠিন সংগ্রামে। স্বাধীনতার পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও মাত্র দুটি সেতুর অভাবে রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারী ইউনিয়নের প্রায় এক লাখ মানুষ এখনও যোগাযোগ সংকটে ভুগছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভাগজোট ও সুখারঘাটে দুটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে এলেও বাস্তবে সেই দাবি পূরণ হয়নি। ফলে বছরের পর বছর উন্নয়নের নানা উদ্যোগ নেওয়া হলেও কার্যকর যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে তার পূর্ণ সুফল পাচ্ছেন না চরবাসী।

যোগাযোগের অভাবে প্রতিদিনের দুর্ভোগ

বর্ষাকালে নদী পারাপারের একমাত্র ভরসা নৌকা। আর শুষ্ক মৌসুমে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার বালুচর পেরিয়ে ভ্যান, ট্রলি, মোটরসাইকেল কিংবা ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে মূল সড়কে পৌঁছাতে হয়। এরপর শুরু হয় গন্তব্যের মূল যাত্রা।

দৌলতপুর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরের এই চরাঞ্চলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অভ্যন্তরীণ সড়ক, বিদ্যুৎ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কিছু উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু সেতু না থাকায় এসব অবকাঠামোর কার্যকারিতা সীমিত হয়ে পড়েছে।

যেখানে চলাচলের একমাত্র ভরসা নৌকা

চিকিৎসা ও শিক্ষায় বড় বাধা

স্থানীয়দের ভাষ্য, জরুরি চিকিৎসা সবচেয়ে বড় সংকটগুলোর একটি। গুরুতর অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসা পাওয়ার আগেই রোগীর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেন বলেন, যোগাযোগব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে চরাঞ্চলের শিশুরা মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অনেক শিক্ষক এখানে দীর্ঘদিন থাকতে চান না। যারা যোগ দেন, তারাও অল্প সময়ের মধ্যে বদলির চেষ্টা করেন। এতে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, নিকটতম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় জরুরি চিকিৎসা পাওয়া অত্যন্ত কঠিন।

গৃহিণী শেফালি খাতুন বলেন, অসুস্থ স্বজনকে হাসপাতালে নিতে হলে আগে বালুচর পার করে ভ্যান বা ঘোড়ার গাড়িতে তুলতে হয়। অনেক সময় পথেই রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়।

কৃষকের বাড়তি খরচ, কমছে লাভ

যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার প্রভাব পড়ছে কৃষিতেও। ধান, পাট, ভুট্টা, শাকসবজিসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য প্রথমে নৌকা বা ঘোড়ার গাড়িতে করে নিয়ে যেতে হয়। এরপর সড়কপথে পরিবহন শুরু হয়। এতে পরিবহন ব্যয় বেড়ে যায় এবং কৃষকের লাভের পরিমাণ কমে আসে।

স্থানীয়দের মতে, সেতু নির্মাণ হলে কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারে পৌঁছানো সম্ভব হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যও উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হবে।

সেতু নির্মাণের প্রস্তাব, অপেক্ষা অনুমোদনের

একটি সেতুর অভাবে দুর্ভোগে ৩ ইউনিয়নের মানুষ, ইঞ্জ...

দৌলতপুর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জানিয়েছে, ভাগজোট ঘাটে ৩৫০ মিটার এবং সুখারঘাটে ৯৬ মিটার দৈর্ঘ্যের দুটি সেতু নির্মাণের প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। তবে প্রকল্প অনুমোদন বা কাজ শুরুর নির্দিষ্ট সময় এখনো জানা যায়নি।

উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আসাদ উল্লাহ বলেন, প্রয়োজনীয় সব নথি ইতোমধ্যে জমা দেওয়া হয়েছে। বাজেট অনুমোদন পেলেই নির্মাণকাজ শুরু হবে।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, বাস্তবায়নের অপেক্ষা

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের প্রার্থীরা দুটি সেতু নির্মাণ, সড়ক উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি খাতের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু নির্বাচন শেষ হলে সেই প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবায়নের পথে এগোয় না।

রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ মণ্ডল বলেন, দুটি সেতু নির্মাণ হলে শুধু যোগাযোগ নয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও ব্যবসায়ও বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। তাই দ্রুত প্রকল্প অনুমোদনের আহ্বান জানান তিনি।

কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বলেন, দুটি সেতু নির্মাণ এবং নদীভাঙন রোধ তার অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়। এ নিয়ে সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটারও পাঠানো হয়েছে। দ্রুত অনুমোদন নিশ্চিত করতে চেষ্টা চলছে।

চরবাসীর কাছে এই দুটি সেতু কেবল অবকাঠামো নয়; বরং শিক্ষা, চিকিৎসা, বাজার ও উন্নয়নের সঙ্গে সমান সুযোগ পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। অনুমোদন ও নির্মাণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত পদ্মার বিস্তীর্ণ বালুচর আর নদী পেরিয়েই তাদের প্রতিদিনের জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।