সৌদি আরবের প্রধান বিমানবন্দরগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে ‘চরম সতর্কতা’ অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর রোববার এ সতর্কতা জারি করে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। একই সঙ্গে সৌদি আরবের রাজধানী ও বিমানবন্দরের আশপাশের এলাকা এড়িয়ে চলতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন মিশনের নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সৌদি আরবে কর্মরত মার্কিন সরকারি কর্মকর্তাদের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়াও জেদ্দা ও দাম্মামের বিমানবন্দর ব্যবহার করতে বিশেষ অনুমোদন নিতে হবে। দেশটির সব প্রধান বিমানবন্দর ব্যবহারের সময় চরম সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, যাত্রীদের সম্ভাব্য ফ্লাইট বাতিল, আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং ভ্রমণসূচিতে বিঘ্ন ঘটার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
সৌদি আকাশসীমায় উড়োজাহাজ চলাচলে সতর্কতা
সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনও (এফএএ) মার্কিন বিমান সংস্থাগুলোকে সতর্ক করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ, সেখান দিয়ে উড়ে যাওয়া এবং বিমানবন্দরে অবতরণ ও উড্ডয়নের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এফএএ জানিয়েছে, চলমান সামরিক তৎপরতা এবং নেভিগেশন ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টির আশঙ্কার কারণে উড়োজাহাজ চলাচলে নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এই ঝুঁকি আকাশের যেকোনো উচ্চতায় উড়োজাহাজের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।
রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার পর সতর্কতা
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় ১২ জন নিহত এবং ৩০৯ জন আহত হন। এ ঘটনার পরদিনই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ও বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সতর্কতা জারি করে।
নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে সৌদি আরবের বিমান যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যাত্রীদের ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ রাখা এবং ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করার প্রয়োজনীয়তার কথাও সতর্কবার্তায় তুলে ধরা হয়েছে।












