০৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: প্রার্থনা, শ্রদ্ধা আর স্মৃতিচারণে শোকের দিন বাংলাদেশে হামে মৃত্যু ৮০০–এর দোরগোড়ায়, একদিনে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু সিবেলেসে স্পেনের উল্লাস, আর এক নতুন বাস্তবতা শ্রীলঙ্কায় চাল আমদানিতে বিপাকে কৃষক, দেশীয় উৎপাদনের চাহিদা কমেছে ৬০ শতাংশ রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধে ট্রেন চলাচল বন্ধ, আরইউ শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে বিক্ষোভ মেসির নীরব বিদায়, আর্জেন্টিনার অপূর্ণ উৎসব এবং ফুটবলের আবেগের নতুন বাস্তবতা ঐক্য অটুট রাখার অঙ্গীকার তারেক রহমানের, রাজনীতির আগে জনগণের স্বার্থের বার্তা চীনের সয়াবিন বাজারে ব্রাজিলের দাপট আরও বেড়েছে, পিছিয়ে পড়ছে যুক্তরাষ্ট্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় ডার্ক ওয়েবে নজরদারি, নতুন সক্ষমতার কথা জানাল চীনা পুলিশ বিশ্বকাপ ফাইনালের হার নিয়ে মেসির আবেগঘন বার্তা, বললেন— এই ক্ষত সারতে সময় লাগবে

বিএসএমএমইউয়ে আন্তর্জাতিক শিশু ক্যান্সার দিবস পালিত

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৪৮:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 179

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রতিবছর বিশ্বে অন্তত চার লাখ শিশু ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। উন্নত দেশগুলোতে ক্যান্সার থেকে রোগীর সুস্থ হওয়ার হার প্রায় ৮০ শতাংশ। বর্তমানে বাংলাদেশে এ হার প্রায় ৩০ শতাংশ। তবে যথাসময়ে ক্যান্সার শনাক্ত করা গেলে এবং উন্নত চিকিৎসা পেলে ৭০ শতাংশ রোগী ভালো হয়। সচেতনতার অভাব, মাত্রাতিরিক্ত চিকিৎসার ব্যয়, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগের অভাবসহ নানা কারণে বেশির ভাগ ক্যান্সার আক্রান্ত শিশু মারা যায়।  ‘যথাসময়ে সঠিক চিকিৎসায় শিশু ক্যান্সার নিরাময় সম্ভব’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) আন্তর্জাতিক শিশু ক্যান্সার দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু হেমাটোলোজি  ও অনকোলোজি বিভাগে এ উপলক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করে।এসব কর্মসূচি প্রধান অতিথি হিসেবে শুভ উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ই-ব্লক থেকে শুরু হয়ে ডি ব্লক প্রদক্ষিণ করে সি ব্লকে গিয়ে শেষ।

শোভাযাত্রা উদ্বোধনকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, শিশুদের ক্যান্সার হয় সেটি অনেকে জানে না। শিশুরা অসুস্থ হলে নানান পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হয়। এসব পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় শিশু কোন রোগে আক্রান্ত হয়। শিশুর ক্যান্সার আক্রান্ত হলে নিয়মিত চিকিৎসা করলে তা নিরাময় করা সম্ভব হয়। শিশু ক্যান্সার নিয়ে গবেষণা চলমান রয়েছে। শিশুদের ক্যান্সার নিরাময়ের জন্য আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করা হয়। ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় এফ ব্লকে স্বল্প খরচে সফলভাবে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট সম্পন্ন করা হয়েছে। আমরা শিশুদের বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করার জন্য নানান উদ্যোগ নিয়েছি। তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার চাওয়া ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে স্মার্ট দেশ রুপান্তর করা । আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে স্বাস্থ্যখাতকেও স্মার্ট করে গড়ে তুলব । যাতে দেশের কোন রোগী বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা করতে না হয়। দেশের রোগীরা দেশেই চিকিৎসা পাবে সেজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল করে দিয়েছেন। এখানেই বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

শোভাযাত্রায় শিশু হেমাটোলোজি অনকোলোজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এটিএম আতিকুর রহমান, অধ্যাপক ডা. ইয়াকুব জামাল, অধ্যাপক ডা. মোঃ আনোয়ারুল করিম, অধ্যাপক ডা. মোঃ গোলাম হাফিজ, ব্লাড ট্রান্সফিউশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ আসাদুল ইসলাম, শিশু নেফ্রোলোজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আফোরোজা বেগম,

শিশু নিউরোলোজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. গোপেন কুমার কুন্ডু প্রমুখসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক, রেসিডেন্ট, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: প্রার্থনা, শ্রদ্ধা আর স্মৃতিচারণে শোকের দিন

বিএসএমএমইউয়ে আন্তর্জাতিক শিশু ক্যান্সার দিবস পালিত

০৩:৪৮:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রতিবছর বিশ্বে অন্তত চার লাখ শিশু ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। উন্নত দেশগুলোতে ক্যান্সার থেকে রোগীর সুস্থ হওয়ার হার প্রায় ৮০ শতাংশ। বর্তমানে বাংলাদেশে এ হার প্রায় ৩০ শতাংশ। তবে যথাসময়ে ক্যান্সার শনাক্ত করা গেলে এবং উন্নত চিকিৎসা পেলে ৭০ শতাংশ রোগী ভালো হয়। সচেতনতার অভাব, মাত্রাতিরিক্ত চিকিৎসার ব্যয়, স্বাস্থ্যসেবার সুযোগের অভাবসহ নানা কারণে বেশির ভাগ ক্যান্সার আক্রান্ত শিশু মারা যায়।  ‘যথাসময়ে সঠিক চিকিৎসায় শিশু ক্যান্সার নিরাময় সম্ভব’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) আন্তর্জাতিক শিশু ক্যান্সার দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু হেমাটোলোজি  ও অনকোলোজি বিভাগে এ উপলক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করে।এসব কর্মসূচি প্রধান অতিথি হিসেবে শুভ উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ই-ব্লক থেকে শুরু হয়ে ডি ব্লক প্রদক্ষিণ করে সি ব্লকে গিয়ে শেষ।

শোভাযাত্রা উদ্বোধনকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, শিশুদের ক্যান্সার হয় সেটি অনেকে জানে না। শিশুরা অসুস্থ হলে নানান পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হয়। এসব পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় শিশু কোন রোগে আক্রান্ত হয়। শিশুর ক্যান্সার আক্রান্ত হলে নিয়মিত চিকিৎসা করলে তা নিরাময় করা সম্ভব হয়। শিশু ক্যান্সার নিয়ে গবেষণা চলমান রয়েছে। শিশুদের ক্যান্সার নিরাময়ের জন্য আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করা হয়। ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় এফ ব্লকে স্বল্প খরচে সফলভাবে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট সম্পন্ন করা হয়েছে। আমরা শিশুদের বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করার জন্য নানান উদ্যোগ নিয়েছি। তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার চাওয়া ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে স্মার্ট দেশ রুপান্তর করা । আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে স্বাস্থ্যখাতকেও স্মার্ট করে গড়ে তুলব । যাতে দেশের কোন রোগী বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা করতে না হয়। দেশের রোগীরা দেশেই চিকিৎসা পাবে সেজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল করে দিয়েছেন। এখানেই বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

শোভাযাত্রায় শিশু হেমাটোলোজি অনকোলোজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এটিএম আতিকুর রহমান, অধ্যাপক ডা. ইয়াকুব জামাল, অধ্যাপক ডা. মোঃ আনোয়ারুল করিম, অধ্যাপক ডা. মোঃ গোলাম হাফিজ, ব্লাড ট্রান্সফিউশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মোঃ আসাদুল ইসলাম, শিশু নেফ্রোলোজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আফোরোজা বেগম,

শিশু নিউরোলোজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. গোপেন কুমার কুন্ডু প্রমুখসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক, রেসিডেন্ট, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।