মমতাজউদ্দীন আহমদ: নাট্যজগতের এক সংগ্রামী পুরুষ
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে যে কজন মানুষ নিজের চিন্তা, সৃজনশীলতা এবং কর্মের মাধ্যমে স্থায়ী প্রভাব ফেলেছেন, মমতাজউদ্দীন আহমদ তাঁদের মধ্যে অন্যতম।
সাহিত্য বিভাগের খবর, প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ।
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে যে কজন মানুষ নিজের চিন্তা, সৃজনশীলতা এবং কর্মের মাধ্যমে স্থায়ী প্রভাব ফেলেছেন, মমতাজউদ্দীন আহমদ তাঁদের মধ্যে অন্যতম।
নজরুল তারপর বহুদিন কবির কোনো চিঠি পাই নাই। ইনাইয়া-বিনাইয়া কবিকে কত কী লিখিয়াছি, কবি নিরুত্তর।
তারাপদ রায় বাঙালি সাহিত্যে এক স্বতন্ত্র স্থাপন করে গেছেন—হাস্যরসাত্মক উপন্যাস থেকে গ্রহণা-অগ্রহণা কবিতায় তাঁর স্বাতন্ত্র্য স্পষ্ট।
পাঠকেরা প্রায়ই নতুন মাসের শুরুতে ভাবেন, ‘এই মাসে কী পড়া যায়?’
আর্কাদি গাইদার ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ 'এমনি কত বছর তো ফৌজে কাম করে কাটালাম, জার্মান যুদ্ধের আদ্ধেক সময়টাই তো ফৌজে কাটিয়েচি, কিন্তু আমার জীবনে কখনও বেদে সিপাই দেখিনি,' বলেছিল ভাস্কা স্মাকভ।
আর্কাদি গাইদার ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ একদিন আমরা যখন আরুখিপোকা গ্রাম থেকে রওনা হওয়ার তোড়জোড় করছি, তখন রওনা হবার ঠিক আগে আমরা বাহিনীর লোকেরা রাস্তা-বরাবর সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লুম মাথা-গুনতির অপেক্ষায়।
আর্কাদি গাইদার ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ ওই দিনের যুদ্ধে আমাদের বাহিনীর দশজন লোক মারা যায়। আহত হয় চোন্দ জন। তার মধ্যে ছ-জন মারা যায় পরে।
আর্কাদি গাইদার ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ 'গুলির পটিগুলোরে টেনে আন!' সুখারেভ চিৎকার করে বলছিলেন। 'হাত নাগাও, নয় চুলোয় যাও!'
আর্কাদি গাইদার ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ 'ওটারে আর তুমি দেখতি পাবে না,' দাঁত বের করে হেসে ভাস্কা বলল।
আর্কাদি গাইদার ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ 'এস, নেবে পড়ি,' চুবুক বললেন। আমার দিকে মুখ ফেরালেন যখন, দেখলুম সে মুখে উৎকণ্ঠার ছাপ।
আগুন ও সুরের কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯–১৯৭৬)—বাংলাদেশের জাতীয় কবি, যিনি “বিদ্রোহী কবি” হিসেবে খ্যাত—ছিলেন এক অন্তর্ভেদী, দুর্ধর্ষ, সাহসী চিন্তাশীল লেখক।তাঁর কাব্য, প্রবন্ধ, গান ও বক্তৃতা ছিল দাসত্ব, নিপীড়ন, সাম্প্রদায়িকতা ও পুরুষতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে একজোট যুদ্ধ।
আর্কাদি গাইদার ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ শেবালভ যদি আমাদের খামুর রোডের দিকে নজর রাখার হুকুম না দিতেন, তাহলে আমরা ওই সময়ে চালা থেকে নেমে পড়তুম।
পাতা ২১ / ১০৬ মোট ১,২৬৩টি লেখা