ব্রিটিশ পুলিশ দেশজুড়ে ন্যাশনাল কোঅর্ডিনেশনের আওতায় তদন্ত শুরু করেছে প্রাক্তন অর্থনীতিবিদ ও দোষী সাব্যস্ত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের কার্যক্রম নিয়ে। স্ট্যানস্টেড, লুটন এবং বার্মিংহ্যাম বিমানবন্দর থেকে প্রাইভেট ফ্লাইট ব্যবহার করে মহিলাদের পাচারের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ্যসেক্স পুলিশ স্ট্যানস্টেড বিমানবন্দর, বেডফোর্ডশায়ার পুলিশ লুটন বিমানবন্দর এবং ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস পুলিশ বার্মিংহ্যাম বিমানবন্দর থেকে এপস্টেইনের প্রাইভেট ফ্লাইট সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করছে। এই তল্লাশি পুরো তদন্ত নয়, বরং প্রকাশিত নথির প্রভাব ও যুক্তির অনুসন্ধান।
জাতীয় পুলিশ প্রধানদের কাউন্সিল জানিয়েছে, তারা একযোগে কাজ করছে যাতে প্রকাশিত ডকুমেন্টগুলো থেকে সম্ভাব্য প্রভাব বোঝা যায়। এপস্টেইনের বিমানবন্দর ব্যবহারের তথ্য অনুযায়ী ১৯৯০-এর দশক থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৮৭টি ফ্লাইট যুক্ত ছিল, যেগুলোর মধ্যে অজানা মহিলারা যাত্রী হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিলেন।
স্ট্যানস্টেড, লুটন ও বার্মিংহ্যাম বিমানবন্দর জানিয়েছে যে প্রাইভেট ফ্লাইটের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে নয়; ভিসা ও কাস্টমস যাচাই ব্রিটিশ বর্ডার ফোর্সের অধীনে। ব্রিটিশ আইনে, দেশের সকল আগমণকারীকে কঠোর যাচাই করতে হয়।
এপস্টেইন কেলেঙ্কারির প্রভাব ইতিমধ্যেই ব্রিটেনে বিস্তৃত। পিটার ম্যান্ডেলসন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রাক্তন ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত এবং কিং চার্লসের ছোট ভাই এন্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরও সরকারি নথি এপস্টেইনের কাছে প্রেরণের অভিযোগে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উভয়ই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং এপস্টেইনের সঙ্গে বন্ধুত্বের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করেছেন।












