হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ইরানি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২৬ সেপ্টেম্বরের এই সিদ্ধান্তের পর গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি ঘিরে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
এর মধ্যে সম্ভাব্য নতুন মার্কিন হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী। তেহরানের এই বক্তব্য দুই দেশের উত্তেজনার চিত্র তুলে ধরছে। তবে নতুন হামলা শুরু হওয়ার কোনো নিশ্চিত তথ্য এই বক্তব্যে নেই।
হরমুজের অচলাবস্থা দীর্ঘ হলে জ্বালানি পরিবহন, জাহাজের সময়সূচি ও বীমা ব্যয়ে চাপ পড়তে পারে। বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্যও পরিস্থিতিটি গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় বাজারে প্রভাব কতটা হবে, তা নির্ভর করবে সরবরাহ ও পরিবহন ব্যয়ের বাস্তব পরিবর্তনের ওপর।
এখন নজর ওয়াশিংটন ও তেহরানের পরবর্তী সিদ্ধান্তে। নতুন প্রস্তাব বা মধ্যস্থতার উদ্যোগ আলোচনার পথ খুলতে পারে। পাশাপাশি বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল সংকটের বাস্তব অবস্থা বোঝার গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি হয়ে থাকবে।












