হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় আইফোন ১১ ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে বন্ধুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহত তরুণের বন্ধু সাহেলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে পচন ধরা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত তারেক মিয়ার বয়স ২২ বছর। তিনি নবীগঞ্জ উপজেলার চৌষটপুর গ্রামের মারফত উল্লাহর ছেলে। অভিযুক্ত সাহেলও একই গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম নূরুজ্জামান মিয়া।
পুলিশ জানায়, গত ২১ অক্টোবর রাজমিস্ত্রির কাজ করতে তারেক ও সাহেল লাখাই উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামে সুরুর রহমানের বাড়িতে যান। পরদিন আইফোন ১১ কেড়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে সাহেল তারেককে গলা কেটে হত্যা করেন বলে অভিযোগ। এরপর মরদেহটি একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।
নিখোঁজের পর থানায় সাধারণ ডায়েরি
তারেকের কোনো খোঁজ না পেয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যরা নবীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত চালিয়ে সাহেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে সাহেল ফোনের জন্য তারেককে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে লাখাই উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে তারেকের পচন ধরা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে মরদেহ
লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরীফ আহমেদ জানান, উদ্ধার করা মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
আইফোন ১১-কে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার সাহেলের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।












