আশির দশকে সাংবাদিক শফিকুর রহমান তখন প্রেসক্লাবের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক। তাঁর থেকে বড় পরিচয় ইত্তেফাকের ডাকসাইটে রিপোর্টার। ক্লিন-শেভড, গৌরবর্ণের শফিকুর রহমানকে দেখলে মনে হতো, সিনেমার নায়ক না হয়ে তিনি কেন সাংবাদিকতায় এলেন।
শফিকভাইয়ের সঙ্গে কবে থেকে যে আপন ভাইয়ের মতো সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিল, সে দিনক্ষণ এখন মনে করা কঠিন। আর সে সম্পর্কটা এমনই ছিল, আমি একটা ডিপ খয়েরি রঙের জ্যাকেট পরে প্রেসক্লাবে ঢুকেছি। শফিক ভাই আমাকে দেখেই বললেন, তোর গা থেকে ওঠা খোল তো। ওদিকে উনি ও ওনার শার্টের ওপর চাপানো একটা অফ-হোয়াইট উলেন জ্যাকেট খুলে ফেললেন। তারপরে আমার হাতের থেকে আমারটা নিয়ে উনি পরলেন, তাঁর নায়কের মতো চেহারায় জ্যাকেটটা আরও সুন্দর মনে হলো। শফিকভাই হাসলেন, আমি তাঁর উলেন জ্যাকেটটা গায়ে চাপিয়ে নিলাম। এ ধরনের ঘটনাগুলো নিজের ভাই, আত্মীয় ও বন্ধুদের মধ্যে অতি স্বাভাবিক। কিন্তু প্রফেশনে তিনি তখন ডাকসাইটে, তার ওপরে আশির দশকের প্রেসক্লাবের নির্বাচিত জেনারেল সেক্রেটারি। তবুও বয়সের বাঁধ পার হয়ে কীভাবে যে এ সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিল, তা কেউ কোনোদিন হিসেব করে দেখেনি।
মৃত্যুর কিছুদিন আগে বার দুয়েক আমার অফিসে এসেছিলেন। একদিন আরও কয়েকজন মিলে একসঙ্গে খেয়েছিলামও। কিন্তু শফিকুর রহমান ভাইকে খুব সুস্থ মনে হয়নি। মনে হয়েছিল, তিনি ভীষণ রকম মানসিক চাপে ভুগছেন। তাঁর মানসিক চাপটা কমানোর জন্য বলেছিলাম, শফি ভাই, আপনার রিপোর্টিং জীবনটা লিখুন। আমার এখানে প্রতিদিন কয়েক শ শব্দে লিখুন। কেন যেন মনে হয়, রিপোর্টিংটা উঠে যাচ্ছে। অভিযোগগুলোই রিপোর্ট হচ্ছে। আজ না হোক, একদিন তো সাংবাদিকতা এখান থেকে বের হয়ে আসবে।
কলকাতার বাংলা সাংবাদিকতার ছায়া কাটিয়ে আপনাদের হাত ধরে যে মুখের ভাষার মেদহীন গদ্যে একটা রিপোর্টিংয়ের ধারা বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল—তার ইতিহাসের কিছু কাঁচামাল বা রসদ তো থাকা দরকার।
শফিকুর রহমান ভাই বলেছিলেন, একটু শরীরটা সুস্থ হোক, লিখব। এখন কেমন মনে করতে পারি না, হাত কাঁপে।
তাঁর মুখে এই ‘কাঁপে’ শব্দটি শুনতেই কেন যেন মনের অজান্তে ঠোঁটে গুনগুনিয়ে ওঠে—
হাওয়া বয় সনসন
তারারা কাঁপে।
হৃদয়ে কি জং ধরে
পুরোনো খাপে!
কার চুল এলোমেলো,
কিবা তাতে এলো গেলো!
কার চোখে কত জল
কে বা তা মাপে?
আসলে তারা কেন কাঁপে? কেন হৃদয়ে জং না ধরলেও মানুষ কেন গুটিয়ে যায়? আর কার চোখে কত জল, কেউ কি কখনও মাপে?
শফিকুর রহমান কি অনেক মানসিক অবসাদ নিয়ে মারা গেলেন—আমরা কেউ হয়তো কোনোদিন জানব না। বাস্তবে তাঁর মৃত্যুসংবাদ পেয়ে কিছুটা সময় চুপচাপ শুয়ে থেকে তারপরে এই লেখা লিখতে বসেছি। এ লেখা হয়তো কিছুটা এলোমেলো হবে। তবে তারপরে এও সত্য—আমিও নিয়মিত আমার জীবনের ভেতর চলে যাব—রবীন্দ্রনাথের ওই সত্য মেনে নিয়ে
তোমার অসীমে প্রাণমন লয়ে যতদূরে আমি ধাই—
কোথাও দুঃখ, কোথাও মৃত্যু, কোথা বিচ্ছেদ নাই।।
রবীন্দ্রনাথের সন্তান সমীরণের মৃত্যুর পরেও খুব ভোরে ঠাকুরবাড়ির ছাদে সূর্য উঠেছিল, ঘোড়াগাড়ি করে মেয়েরা গঙ্গাস্নানে গিয়েছিল—আর পিলপিল করে মানুষ ছুটেছিল যার যার কর্মস্থলে।

শফিকুর রহমানের মৃত্যুর পরেও এই নিষ্ঠুর সত্য মেনে নিতে হবে। অনেকে লিখবেন, তাঁর মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি হলো। আজকাল ভাবতে অবাক লাগে, আসলে অপূরণীয় ক্ষতিতে কারও কি কিছু যায় আসে! বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পরে প্রকৃত অর্থে সিভিল শাসন যা তা আর কখনও বাংলাদেশে আসেনি। কী হয়েছে তাতে? মানুষ তো চলছে, সূর্য তো উঠছে। শেখ হাসিনাকে বিতাড়ন করার পরে এখন দেশের জিডিপি ৩.২-তে নেমে যাচ্ছে। তাতেও কি সূর্য ওঠা, মানুষের চলাচল বন্ধ থাকছে? আইনস্টাইন ও এম এন রায়ের ঘনিষ্ঠ ছিলেন সম্পাদক জহুর হোসেন চৌধুরী। জিয়াউর রহমানের আমলে তাঁকে জেলে নিলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিছুদিন পরে মারা যান। লেখা হয়েছিল, তাঁর মৃত্যুতে সাংবাদিকতার জগতে অপূরণীয় ক্ষতি হলো? কী অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে? এখন তো আশি বছরের বৃদ্ধ সম্পাদক নাহিদের মতো ছেলের হাত ধরে লাফাচ্ছে। কোনটা পূরণীয় আর কোনটা অপূরণীয়?
যেমন আজ শফিকুর রহমানকে নিয়ে লিখতে বসে মনে পড়ছে তাঁর সাংবাদিক সম্মেলনে করা তীক্ষ্ণ প্রশ্নগুলো, যা আমরা অবাক বিস্ময়ে শুনতাম। শেখার চেষ্টা করতাম। যেমন ৮৪ সালে যখন ছাত্রলীগের ফজলুর রহমান-বাহালুল মজনু চুন্নু গ্রুপকে আওয়ামী লীগ স্বীকৃতি না দিয়ে জালাল-জাহাঙ্গীর গ্রুপকে স্বীকৃতি দিল, সে সময়ে শফিকভাই ভিড়ের ভেতর থেকে আমার হাত ধরে টেনে নিয়ে হোটেল সালিমাবাদের ভেতর নিয়ে গেলেন।
তিনি ধরে নিয়েছিলেন, আমার বয়স কম। ছাত্রনেতারা অনেকেই ঘনিষ্ঠ। আমার হয়তো জানার কথা কেন ছাত্রলীগের বড় অংশকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। শফিকুর রহমান ভাই সেদিন অনেক প্রশ্ন করেছিলেন, যা ওই বয়সে আমার মাথায় ঢোকেনি। তিনি বলেছিলেন, মুকুল বোস তো খোদ আব্দুর রাজ্জাক ভাইয়ের মানুষ। তারপরে ওই গ্রুপ কেন বাদ যাচ্ছে? আমি সেদিন আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে বলেছিলাম, ভাই, আমার কাছে মনে হচ্ছে সমস্যাটা ছাত্রলীগে নয়, আওয়ামী লীগে। তবে এটা আপনিই সঠিক জানতে পারবেন। আপনাকে আমির হোসেন আমু এবং সাজেদা চৌধুরী সত্য বলবেন। এরা দুজন বাদে কেন যেন মনে হচ্ছে ঢাকার বড় নেতারা সবাই শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে।
সেদিনের সেই আওয়ামী লীগ ভাঙার ষড়যন্ত্রের অনেক কিছুই পরে জেনেছি। কিন্তু ছাত্রলীগের ফজলু-মুকুল গ্রুপ বহিষ্কৃত হওয়ার দুই কি তিন দিনের মধ্যে ইত্তেফাকে শফিকুর রহমানের করা এক্সক্লুসিভ রিপোর্টই অনেক আগেই অনেক কিছু বলে দিয়েছিল। তাছাড়া আওয়ামী লীগ ভেঙে আব্দুর রাজ্জাকের বাকশাল করার আগে ও পরের শফিকুর রহমানের রিপোর্টগুলো প্রতিদিনই ভাষায় ও বিষয়ে চমকে দিত।
তবে ওই যে প্রথমে বলেছি, প্রেস কনফারেন্সে করা তাঁর প্রশ্নগুলো আমাদের শুধু শেখাত না—অবাক করত। যেমন আব্দুর রাজ্জাক আওয়ামী লীগ ভেঙে বাকশাল করে তার সভাপতি করেছিলেন আব্দুল মালেক উকিলকে। কয়েকদিনের মধ্যে আব্দুল মালেক উকিল আবার আব্দুর রাজ্জাককে ছেড়ে শেখ হাসিনার মূল আওয়ামী লীগে যোগ দেন। তাঁর ফিরে আসার দিন প্রেস কনফারেন্সে আব্দুল মালেক উকিলকে প্রশ্ন করেছিলেন শফিকুর রহমান, “আব্দুর রাজ্জাককে কোথায় রেখে এলেন?” মালেক উকিল উত্তর দিয়েছিলেন, “তাকে শরিয়তপুরের ট্রেনে তুলে দিয়ে এসেছি।” দৃশ্যত প্রশ্নটি হাস্যরসের মনে হয়। কিন্তু এই হালকা আবহাওয়া তৈরি করার প্রশ্নের ভেতর দিয়ে আব্দুর রাজ্জাকের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে সামনে নিয়ে এসেছিলেন শফিকুর রহমান। বাস্তবে আওয়ামী লীগের মতো একটি মাটি থেকে গড়ে ওঠা ঐতিহ্যবাহী দলের মূলধারা থেকে বের হয়ে গেলে তার পরিণতি কী হতে পারে—তা সে যত বড় নেতাই হোক না কেন—সেটাই তুলে আনতে চেয়েছিলেন শফিকুর রহমান মালেক উকিলের মুখ দিয়ে। বাস্তবে ঘটেছিলও তাই। আব্দুর রাজ্জাক আর জাতীয় নেতা থাকতে পারেননি। শরিয়তপুরের এমপি আর শেখ হাসিনার ইচ্ছায় মন্ত্রী—এ ছাড়া আওয়ামী লীগে তাঁর আর ওই অর্থে কোনো অবস্থান ছিল না।
তেমনি ড. কামাল হোসেন যখন আওয়ামী লীগ ভেঙে গণফোরাম করেন, তখন তিনি প্রেস কনফারেন্সে বলেন, তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন করবেন। সে সময়ে শফিকুর রহমান তাঁকে প্রশ্ন করেন, যা ছিল এমনই, “ঝরিয়া পড়া কিছু কমিউনিস্ট, হারাইয়া যাওয়া কিছু ন্যাপ ও গুটি কয়েক ব্যবসায়ী লইয়া আপনি কীভাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ কায়েম করিবেন” (লাইনটি স্মৃতি থেকে লেখা, একটু শব্দের হেরফের হতে পারে)। ড. কামাল হোসেন তাঁর স্বভাবসুলভ গাম্ভীর্য বজায় রেখেছিলেন এবং বার কয়েক তাঁর ঠোঁট কেঁপে উঠেছিল—কিন্তু ওই সত্যি অর্থে কোনো উত্তর দিতে পারেননি।

আবার একজন জাত রিপোর্টারের যে নীতি, সেটা শফিকুর রহমান অক্ষরে অক্ষরে পালন করতেন। যেমন কোনো পার্টির ওয়ার্কিং কমিটির মিটিংয়ে—দলের অন্য সদস্যরাই ঢুকতে পারে না। শফিকভাই যেকোনোভাবে হোক দ্বাররক্ষীকে ম্যানেজ করে আমার হাত ধরে নিয়ে আলমারির পেছনে নিয়ে শরীর লেপ্টে রেখে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রেখেছেন। ভয় পেয়েছি। আবার গোপনে বাইরে চলে এসেছি। শফিকুর রহমান বড় ভাইয়ের মতো বলে দিয়েছেন, যা শুনেছি, সব কিন্তু লিখতে নেই। এর অনেক কিছুই ওদের পার্টির নিজস্ব বিষয়।
এর থেকেই বোঝা যায়, সাংবাদিক হিসেবে তিনি শুধু কোবরা নন, তাঁর মাথায় একটা ফুলের মতো চিহ্নও ছিল। এই মানুষটা কেন তাঁর এই পেশা ছেড়ে রাজনীতিতে গেলেন, কখনও আমার মাথায় ঢোকেনি। মানুষটার মনটা ছিল শিশুর মতো সরল। রাজনীতিতে গিয়ে তিনি অনেকটা অথৈ সাগরে পড়ে নানান মানুষের দ্বারা ব্যবহৃত হয়েছিলেন।
তাছাড়া প্রেসক্লাবের দুইবারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক যে কেন একটি কনস্পিরেসির মাধ্যমে প্রেসক্লাবের সভাপতি হতে গেলেন—এ নিয়ে তাঁর সঙ্গে আমার মতের মিল হয়নি কখনও। তিনিও পরে ভুল স্বীকার করেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি ওই অর্থে সাংবাদিক ইউনিয়ন বা প্রেসক্লাবের নির্বাচন এগুলোর সঙ্গে থাকার মতো যোগ্য নই। তারপরেও প্রেসক্লাবে শফিকুর রহমানকে যখন ওইভাবে সভাপতি করার প্রক্রিয়া চলে, তখন তাঁর বাসা ছিল আমার বাসার বিপরীতে—অনেক সময় কোনো নোটিশ ছাড়াই বেশ রাতে তিনি আসতেন। নিজের ইচ্ছেমতো আমার পড়ার রুম থেকে বই বেছে নিয়ে চলে যেতেন। কখনও একটু রুটি ও সবজি খেতেন রাতে আমাদের সঙ্গে। প্রেসক্লাবের ওই ঘটনার সময় একদিন বেশ উদ্ভ্রান্তের মতোই তিনি আসেন। তারপরে বলেন, তাঁকে সবাই মিলে সভাপতি বানাচ্ছে।
আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে তাঁকে বলেছিলাম, ভাই, এই ঘটনার কুশীলবরা খুবই চালাক। তারা অন্য জগতের মানুষ। আপনার মতো ভদ্রলোকের কি এখানে যাওয়া উচিত হবে? তাছাড়া আপনি দুবার ভোটে নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তাঁর মুখে একটা অসহায়ত্ব ফুটে উঠেছিল। সেদিন তিনি চা খেয়েই চলে যান। পরে যারা তাঁকে মাথায় তুলেছিল, তারাই তাঁকে অপমান করে। তখন তাঁর হাতে আর কিছুই ছিল না।
শফিকুর রহমান ভাইকে নিয়ে লিখতে গেলে শেষ করা কঠিন। ৪২ বছরের ওপরের সম্পর্ক। ১৯৯১ সাল থেকে আমি তাঁর কলাম ছেপেছি, যখন যেখানে কাজ করেছি সেখানে। যেমন সুন্দর ছিল তাঁর চেহারা, তেমনি তাঁর হাতের লেখা। কোথাও কোনো কাটাকুটিও থাকত না। এক টানেই লেখা।
তাঁর লেখার সেই অক্ষরগুলো এখন চোখের সামনে ভাসছে আর মনে হচ্ছে—আসলে দেশটা, সাংবাদিকতাটা কোথা থেকে কোথায় চলে গেল। শফিকুর রহমানের মতো রিপোর্টার, যাঁদের হাত ধরে বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় পরিবর্তনের ধারা এগিয়ে চলা শুরু করে—তাঁরা তাঁদের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়টা সাংবাদিকতা করতে পারলেন না। আতাউস সামাদ ভাইও একটি দৈনিকের উপদেষ্টা সম্পাদকের পদ থেকে নীরবে চলে এসেছিলেন। আমানউল্লাহ কবীর ভাইও শেষ জীবনে বিডিনিউজে কোনোমতে নিজেকে টিকিয়ে রেখেছিলেন।
শফিকভাইয়ের এই চলে যাওয়ার দিনে আসলে লেখা এলোমেলোই হয়ে যাচ্ছে। বাস্তবে কত দিন, কত রাত—কত কিছুই না লেখা যায়। এখন যারা মাঠে, হয়তো তাঁদেরও আমাদের মতো এমন বন্ধন আছে—এই যেমন লেখা শেষ করার আগে মনে পড়ছে—এম আর আখতার মুকুল ভাইয়ের সঙ্গে গল্প করছি সাগর পাবলিশার্সে। শফিক ভাই এসে ছোঁ মেরে আমার হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলেন। বললেন, এই বেইলি রোডে সবাই তোমাকে চেনে—আমাকে আধা ঘণ্টার মধ্যে একটা বাসা ঠিক করে দাও। সত্যিই পনেরো মিনিটের মধ্যে চৌদ্দ হাজার টাকায় একটা সুন্দর বাসা পেয়ে গেলাম। ১৯৯৬ সাল হবে সম্ভবত। আর আজ ২০২৬, ২৪ অক্টোবর, শফিকভাই এখন হিম ঘরে। তাঁর হাতের ছোঁয়া এখন শীতল। চোখ দুটো স্থির। সে চোখে—“পারিবে না চিনিতে আমায়”।
লেখক: সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক, সম্পাদক, সারাক্ষণ, The Present World.
স্বদেশ রায়ের আরও লেখা
বাংলাদেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়ার মূল কারণ রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা
একাত্তরে দুর্গা নয়, ইন্দিরা গান্ধী; কারাগারে চিম্ময় ও গাঁয়ের মেয়ে দুর্গা
জিএম কাদেরের বাসা আক্রমণ করার আগে তো আইএমএফের সদর দপ্তর আক্রমণ করতে হয়
সাংবাদিক আমীর খসরু: ভালোবাসাই প্রাপ্য, রাজনৈতিক তকমা নয়











