ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবিতে টানা কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করছেন সাভারের পোশাকশ্রমিকেরা। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালেও হেমায়েতপুরের পদ্মার মোড়ে জড়ো হয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন তাঁরা। এ সময় দুই দফায় কয়েক রাউন্ড টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।
টিয়ার গ্যাসের মুখে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলেও তাঁদের কয়েকটি দল আশপাশের সড়ক ও গলিতে অবস্থান নেয়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুরো এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।
আগের দিনের মতোই বুধবার সকালে পদ্মার মোড়ে জড়ো হন শ্রমিকেরা। পরে তাঁরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুই দফায় টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়।
এদিকে পরিস্থিতি বিবেচনায় আজ থেকে সাভারের শিল্পাঞ্চলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তিন প্লাটুন সদস্য মোতায়েনের কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসনের সূত্র। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিজিবি সদস্যদের মোতায়েন শুরু হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
১০ কারখানায় উৎপাদন বন্ধ
শ্রমিক আন্দোলনের প্রভাবে বুধবার সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটের দিকে পদ্মার মোড় ও হেমায়েতপুর এলাকার আটটি কারখানার শ্রমিকদের ছুটি দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি আরও দুটি কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়।
শ্রমিকদের ছুটি দেওয়া আটটি কারখানা হলো—সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স ওভেন লিমিটেড, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার্স ওয়াশ লিমিটেড, শামস স্টাইলিং ওয়্যার লিমিটেড, রূপকথা অ্যাপারেলস লিমিটেড, পদ্মা ক্যানস লিমিটেড, ব্যাবিলন ক্যাজুয়াল ওয়্যার লিমিটেড, অবনী নিটওয়্যার লিমিটেড এবং জিন্স ম্যানুফ্যাকচার লিমিটেড।
অন্যদিকে ম্যাক্সকম ইন্টারন্যাশনাল বিডি লিমিটেড ও পাইওনিয়ার অ্যাপারেলস লিমিটেডে উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়।












