১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ফুলবাড়ীর ১০৯ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭২টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী শূন্য ৮০টিতে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট, সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। রিটে আইনটি বাতিল বা রহিত করার জন্য সরকারের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ হাইকোর্টে এই রিট আবেদন করেন। এতে আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিবাদী করা হয়েছে।

সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন

রিট আবেদনে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনটির সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। একই সঙ্গে আদালতের কাছে একটি রুল জারির আবেদন জানানো হয়েছে, যাতে বিবাদীদের কাছে জানতে চাওয়া হবে কেন আইনটিকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না।

এ ছাড়া রিটে আদালতের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে, কেন সরকারকে আইনটি বাতিল বা রহিত করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হবে না, সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হোক।

মূল উদ্দেশ্য পূরণ হয়েছে দাবি

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন তার মূল উদ্দেশ্য ইতোমধ্যে পূরণ করেছে। আবেদনকারীর মতে, ভবিষ্যতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অপব্যবহার বা অপপ্রয়োগের আশঙ্কা এড়াতে আইনটি রহিত করা প্রয়োজন।

রিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান আইনের বিভিন্ন বিধান সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মনে করা হচ্ছে। সে কারণে আইনটিকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে বাতিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

রিট আবেদনটি এখন আদালতের বিবেচনার জন্য উপস্থাপিত হবে। আদালত আবেদন গ্রহণ করে রুল জারি করবেন কি না এবং এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করবেন কি না, তা আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনকে ঘিরে নতুন এই আইনি উদ্যোগ দেশের বিচারব্যবস্থা ও আইনগত পরিসরে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট, সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন

১২:৪৯:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। রিটে আইনটি বাতিল বা রহিত করার জন্য সরকারের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ হাইকোর্টে এই রিট আবেদন করেন। এতে আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিবাদী করা হয়েছে।

সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন

রিট আবেদনে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনটির সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। একই সঙ্গে আদালতের কাছে একটি রুল জারির আবেদন জানানো হয়েছে, যাতে বিবাদীদের কাছে জানতে চাওয়া হবে কেন আইনটিকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না।

এ ছাড়া রিটে আদালতের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে, কেন সরকারকে আইনটি বাতিল বা রহিত করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হবে না, সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হোক।

মূল উদ্দেশ্য পূরণ হয়েছে দাবি

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন তার মূল উদ্দেশ্য ইতোমধ্যে পূরণ করেছে। আবেদনকারীর মতে, ভবিষ্যতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অপব্যবহার বা অপপ্রয়োগের আশঙ্কা এড়াতে আইনটি রহিত করা প্রয়োজন।

রিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান আইনের বিভিন্ন বিধান সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মনে করা হচ্ছে। সে কারণে আইনটিকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে বাতিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

রিট আবেদনটি এখন আদালতের বিবেচনার জন্য উপস্থাপিত হবে। আদালত আবেদন গ্রহণ করে রুল জারি করবেন কি না এবং এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করবেন কি না, তা আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনকে ঘিরে নতুন এই আইনি উদ্যোগ দেশের বিচারব্যবস্থা ও আইনগত পরিসরে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।