রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে বড় ধরনের চাপে পড়েছে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। দেশটির হাতে থাকা উন্নত প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে যাওয়ায় হামলা মোকাবিলা কঠিন হয়ে উঠছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়া একসঙ্গে শত শত ড্রোন ও বহু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে। ফলে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলোকে সীমিত সম্পদ নিয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে হামলা শনাক্ত করলেও পর্যাপ্ত প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্র না থাকায় সব লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা সম্ভব হচ্ছে না।
ইউক্রেন গত কয়েক বছরে ড্রোন প্রযুক্তিতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে এবং রাশিয়ার অভ্যন্তরেও হামলা চালানোর সক্ষমতা দেখিয়েছে। তবে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে দেশটি এখনও বিদেশি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে ব্যবহৃত আধুনিক প্রযুক্তির অস্ত্র উৎপাদন ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। অন্যদিকে বিশ্বজুড়ে নিরাপত্তা উত্তেজনা বাড়ায় এসব অস্ত্রের চাহিদাও বেড়েছে। ফলে সরবরাহ সংকট আরও তীব্র হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, দ্রুত নতুন সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে ইউক্রেনের শহর, জ্বালানি অবকাঠামো এবং বেসামরিক জনগণ ভবিষ্যতে আরও বড় ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। যুদ্ধের ময়দানে যেমন লড়াই চলছে, তেমনি আকাশ প্রতিরক্ষার সক্ষমতা ধরে রাখাও এখন ইউক্রেনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















