০১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ফুলবাড়ীর ১০৯ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭২টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী শূন্য ৮০টিতে

ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষাখাত নিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 310

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকার ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষাখাত নিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, এ খাতে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান ।

রবিবার রাজধানীর বাংলামোটরে হামদর্দ কনফারেন্স রুমে বিশ্ব ইউনানি দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

ধর্মমন্ত্রী ব‌লেন, এ চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়নে গবেষণা কার্যক্রমের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের অধীনে একটি ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এ ল্যাবের মাধ্যমে চিরায়ত ওষুধের গুণগত মান বজায় রেখে ওষুধ প্রস্তুত করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বহির্বিশ্বে রফতানি করা সম্ভব হবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হয়ে আছে চিরায়ত মেডিসিন। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় চিরায়ত মেডিসিনের গুরুত্ব উপলব্ধি করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৫ জুলাই এক গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বোর্ড অব ইউনানি অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেম অব মেডিসিন স্থাপন করার জন্য ১২ সদস্যের একটি কমিটি ঘোষণা করেন।

ফরিদুল হক খান বলেন, এ দেশে চিরায়ত চিকিৎসা পদ্ধতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক রচিত হয় ১৯৯৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। সেই বছর সর্বপ্রথম ৩৩ জন ইউনানি, আয়ুর্বেদিক ও হোমিও চিকিৎসককে জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে নিয়োগ দিয়ে এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে মূলধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়। বর্তমানে দেশের ২০০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ৫৮টি জেলা হাসপাতাল ও ১২টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিরায়ত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ভেষজ ম্যানুয়াল, ফার্মাকোপিয়া এবং ট্রিটমেন্ট গাইডলাইন তৈরি ও সরবরাহ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা, জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, হেপাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী, ইউনানি চেয়ার অধ্যাপক ডা. এম এ কাজমি, ওয়াকফ প্রশাসক আবু সালেহ মো. মহিউদ্দিন খাঁ, হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্‌ফ) বাংলাদেশের চিফ মোতাওয়াল্লী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া প্রমুখ।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ

ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষাখাত নিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে: ধর্মমন্ত্রী

০৫:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকার ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষাখাত নিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, এ খাতে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান ।

রবিবার রাজধানীর বাংলামোটরে হামদর্দ কনফারেন্স রুমে বিশ্ব ইউনানি দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

ধর্মমন্ত্রী ব‌লেন, এ চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়নে গবেষণা কার্যক্রমের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের অধীনে একটি ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এ ল্যাবের মাধ্যমে চিরায়ত ওষুধের গুণগত মান বজায় রেখে ওষুধ প্রস্তুত করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বহির্বিশ্বে রফতানি করা সম্ভব হবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হয়ে আছে চিরায়ত মেডিসিন। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় চিরায়ত মেডিসিনের গুরুত্ব উপলব্ধি করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৫ জুলাই এক গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বোর্ড অব ইউনানি অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেম অব মেডিসিন স্থাপন করার জন্য ১২ সদস্যের একটি কমিটি ঘোষণা করেন।

ফরিদুল হক খান বলেন, এ দেশে চিরায়ত চিকিৎসা পদ্ধতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক রচিত হয় ১৯৯৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। সেই বছর সর্বপ্রথম ৩৩ জন ইউনানি, আয়ুর্বেদিক ও হোমিও চিকিৎসককে জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে নিয়োগ দিয়ে এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে মূলধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়। বর্তমানে দেশের ২০০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ৫৮টি জেলা হাসপাতাল ও ১২টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিরায়ত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ভেষজ ম্যানুয়াল, ফার্মাকোপিয়া এবং ট্রিটমেন্ট গাইডলাইন তৈরি ও সরবরাহ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা, জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, হেপাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী, ইউনানি চেয়ার অধ্যাপক ডা. এম এ কাজমি, ওয়াকফ প্রশাসক আবু সালেহ মো. মহিউদ্দিন খাঁ, হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্‌ফ) বাংলাদেশের চিফ মোতাওয়াল্লী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া প্রমুখ।