০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

ইরানের পাল্টা হামলার দাবি, কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির নাজুক পরিস্থিতির মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে তারা কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের হামলার কঠোর জবাব দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।

যুদ্ধবিরতির পর আবার উত্তেজনা

আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কুয়েতের আলি আল-সালেম ঘাঁটি এবং বাহরাইনের পোর্ট সালমানে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটিসহ মোট আটটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, এসব হামলা ছিল ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের প্রতিশোধ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভবিষ্যতে যেকোনো অজুহাতে কিংবা ছোট লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধেও যদি হামলা চালানো হয়, তাহলে তার জবাব হবে আরও কঠোর ও বিধ্বংসী।

যুদ্ধ থামানোর চুক্তি প্রশ্নের মুখে

Iran threatens "complete halt" to talks after trading strikes with U.S.;  Washington official says talks to continue

গত জুনের মাঝামাঝি পাকিস্তরের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা হয়েছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল সংঘাতের স্থায়ী অবসান নিশ্চিত করা। ওই সমঝোতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় দেশ এবং তাদের মিত্ররা পরস্পরের বিরুদ্ধে নতুন কোনো যুদ্ধ বা সামরিক অভিযান শুরু না করার এবং শক্তি প্রয়োগ বা শক্তি প্রয়োগের হুমকি থেকে বিরত থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

তবে সেই সমঝোতার পরও উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। ফলে শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

হরমুজ প্রণালিতে কড়াকড়ি

আইআরজিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচলের ওপর আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। তাদের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ চলাচল করলে আগের চেয়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

US and Iran exchange strikes and accuse each other of violating ceasefire

এর আগে তারা সতর্ক করেছিল, অনুমতি ছাড়া প্রণালিটি ব্যবহার করা যাবে না। একই সময়ে বিকল্প নৌপথের বিষয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। বর্তমানে ইরানের উপকূলঘেঁষা নির্ধারিত করিডরই নৌযান চলাচলের একমাত্র অনুমোদিত পথ বলে জানানো হয়েছে।

উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। যুদ্ধবিরতির পরও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, সামরিক অভিযান এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে কড়াকড়ির কারণে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। পরিস্থিতির পরবর্তী অগ্রগতি এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনের নজর কেড়েছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

ইরানের পাল্টা হামলার দাবি, কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

০১:২৭:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির নাজুক পরিস্থিতির মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে তারা কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের হামলার কঠোর জবাব দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।

যুদ্ধবিরতির পর আবার উত্তেজনা

আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কুয়েতের আলি আল-সালেম ঘাঁটি এবং বাহরাইনের পোর্ট সালমানে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটিসহ মোট আটটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, এসব হামলা ছিল ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের প্রতিশোধ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভবিষ্যতে যেকোনো অজুহাতে কিংবা ছোট লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধেও যদি হামলা চালানো হয়, তাহলে তার জবাব হবে আরও কঠোর ও বিধ্বংসী।

যুদ্ধ থামানোর চুক্তি প্রশ্নের মুখে

Iran threatens "complete halt" to talks after trading strikes with U.S.;  Washington official says talks to continue

গত জুনের মাঝামাঝি পাকিস্তরের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা হয়েছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল সংঘাতের স্থায়ী অবসান নিশ্চিত করা। ওই সমঝোতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় দেশ এবং তাদের মিত্ররা পরস্পরের বিরুদ্ধে নতুন কোনো যুদ্ধ বা সামরিক অভিযান শুরু না করার এবং শক্তি প্রয়োগ বা শক্তি প্রয়োগের হুমকি থেকে বিরত থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

তবে সেই সমঝোতার পরও উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। ফলে শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

হরমুজ প্রণালিতে কড়াকড়ি

আইআরজিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচলের ওপর আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। তাদের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ চলাচল করলে আগের চেয়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

US and Iran exchange strikes and accuse each other of violating ceasefire

এর আগে তারা সতর্ক করেছিল, অনুমতি ছাড়া প্রণালিটি ব্যবহার করা যাবে না। একই সময়ে বিকল্প নৌপথের বিষয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। বর্তমানে ইরানের উপকূলঘেঁষা নির্ধারিত করিডরই নৌযান চলাচলের একমাত্র অনুমোদিত পথ বলে জানানো হয়েছে।

উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। যুদ্ধবিরতির পরও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, সামরিক অভিযান এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে কড়াকড়ির কারণে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। পরিস্থিতির পরবর্তী অগ্রগতি এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনের নজর কেড়েছে।