১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ফুলবাড়ীর ১০৯ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭২টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী শূন্য ৮০টিতে

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চুক্তি না হওয়ায় এখন কী ঘটতে যাচ্ছে?

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৫৭:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • 57

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়টি আপাতত প্রশ্নের মুখে পড়ল।

আলোচনার আগে, পাকিস্তান সরকারের কর্মকর্তাদের বেশ আশাবাদী ভঙ্গিমায় কথা বলতে শোনা গিয়েছিল। জোর দিয়ে তারা বলছিলেন যে, পাকিস্তানের উপর উভয় পক্ষের আস্থা রয়েছে যা অন্যদের নেই।

মার্কিন প্রতিনিধিদলের প্রধান ও দেশটির ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও বেশ আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু রবিবার রাতভর আলোচনা হওয়ার পরে তিনি ঘোষণা করেন যে, আলোচনা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে।

আলোচনায় একাধিক বিষয় অমীমাংসিতই রয়ে যায় যার মধ্যে অন্যতম হলো, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। এই বিষয়গুলিতে একমত হতে পারেনি দুই পক্ষ। মতবিরোধের কারণে আলোচনা ভেস্তে যায়।

তাহলে, এই সংঘাতের পরিণতি কী দাঁড়াল এবং যুদ্ধের প্রধান পক্ষগুলোর সামনে এখন কী বিকল্প রয়েছে?

জনপ্রিয় সংবাদ

‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চুক্তি না হওয়ায় এখন কী ঘটতে যাচ্ছে?

০৫:৫৭:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়টি আপাতত প্রশ্নের মুখে পড়ল।

আলোচনার আগে, পাকিস্তান সরকারের কর্মকর্তাদের বেশ আশাবাদী ভঙ্গিমায় কথা বলতে শোনা গিয়েছিল। জোর দিয়ে তারা বলছিলেন যে, পাকিস্তানের উপর উভয় পক্ষের আস্থা রয়েছে যা অন্যদের নেই।

মার্কিন প্রতিনিধিদলের প্রধান ও দেশটির ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও বেশ আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু রবিবার রাতভর আলোচনা হওয়ার পরে তিনি ঘোষণা করেন যে, আলোচনা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে।

আলোচনায় একাধিক বিষয় অমীমাংসিতই রয়ে যায় যার মধ্যে অন্যতম হলো, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। এই বিষয়গুলিতে একমত হতে পারেনি দুই পক্ষ। মতবিরোধের কারণে আলোচনা ভেস্তে যায়।

তাহলে, এই সংঘাতের পরিণতি কী দাঁড়াল এবং যুদ্ধের প্রধান পক্ষগুলোর সামনে এখন কী বিকল্প রয়েছে?