০৬:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

ইসরায়েলি অর্থে পরিচালিত দলে থাকা অসম্ভব: রেজা কিবরিয়া

গণ অধিকার পরিষদ ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ড. রেজা কিবরিয়া বলেছেন, যে দল ইসরায়েলিদের অর্থে পরিচালিত হয়, সেখানে তার পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দল ছাড়ার পেছনের অবস্থান
সাক্ষাৎকারে রেজা কিবরিয়া স্পষ্ট করে বলেন, আদর্শগত কারণেই তিনি গণ অধিকার পরিষদে থাকতে পারেননি। তার ভাষায়, ইসরায়েলি অর্থ বা প্রভাবের সঙ্গে যুক্ত কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে তিনি নিজেকে একাত্ম করতে পারেন না।

একাধিক দল বদলের ব্যাখ্যা
বিভিন্ন সময়ে দল পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, শুরুতে তিনি গণফোরামের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে সেখানে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও মতবিরোধ ক্রমেই তীব্র হয়ে ওঠে। বিশেষ করে সংসদে যোগ দেওয়া বা বর্জন করা নিয়ে দল দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক পক্ষ সংসদ বর্জনের পক্ষে, অন্য পক্ষ সংসদে যোগ দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেয়। এই বিভক্তির কারণেই তিনি দলটিতে আর থাকতে পারেননি।

গণ অধিকার পরিষদে যোগ দেওয়ার পেছনের কারণ
গণ অধিকার পরিষদে যোগ দেওয়ার বিষয়ে রেজা কিবরিয়া বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা ছিল। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর অনুরোধেই তিনি ওই দলে যোগ দেন। কিছুদিন সেখানে থাকলেও পরবর্তীতে তিনি বুঝতে পারেন, এই দলে তার থাকার কোনো সুযোগ নেই।

ইসরায়েলি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ
রেজা কিবরিয়া জানান, শুরুতে তিনি এসব বিষয় সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। পরবর্তীতে দলের একটি বৈঠক সংক্রান্ত তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। এরপর ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত প্রকাশ্যে বলেন, নূরুল হক নূরের সঙ্গে তিনটি স্থানে মোসাদের বৈঠক হয়েছে। এসব তথ্য সামনে আসার পরই বিষয়টি সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত হন এবং তখনই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট
সাক্ষাৎকারে রেজা কিবরিয়া জোর দিয়ে বলেন, নৈতিকতা ও আদর্শের প্রশ্নে তিনি কোনো আপস করতে রাজি নন। ইসরায়েলি অর্থ বা প্রভাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার পথচলা সম্ভব নয় বলেই তিনি গণ অধিকার পরিষদ থেকে সরে আসেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

ইসরায়েলি অর্থে পরিচালিত দলে থাকা অসম্ভব: রেজা কিবরিয়া

০৭:৩২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

গণ অধিকার পরিষদ ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ড. রেজা কিবরিয়া বলেছেন, যে দল ইসরায়েলিদের অর্থে পরিচালিত হয়, সেখানে তার পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দল ছাড়ার পেছনের অবস্থান
সাক্ষাৎকারে রেজা কিবরিয়া স্পষ্ট করে বলেন, আদর্শগত কারণেই তিনি গণ অধিকার পরিষদে থাকতে পারেননি। তার ভাষায়, ইসরায়েলি অর্থ বা প্রভাবের সঙ্গে যুক্ত কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে তিনি নিজেকে একাত্ম করতে পারেন না।

একাধিক দল বদলের ব্যাখ্যা
বিভিন্ন সময়ে দল পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, শুরুতে তিনি গণফোরামের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে সেখানে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও মতবিরোধ ক্রমেই তীব্র হয়ে ওঠে। বিশেষ করে সংসদে যোগ দেওয়া বা বর্জন করা নিয়ে দল দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক পক্ষ সংসদ বর্জনের পক্ষে, অন্য পক্ষ সংসদে যোগ দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেয়। এই বিভক্তির কারণেই তিনি দলটিতে আর থাকতে পারেননি।

গণ অধিকার পরিষদে যোগ দেওয়ার পেছনের কারণ
গণ অধিকার পরিষদে যোগ দেওয়ার বিষয়ে রেজা কিবরিয়া বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা ছিল। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর অনুরোধেই তিনি ওই দলে যোগ দেন। কিছুদিন সেখানে থাকলেও পরবর্তীতে তিনি বুঝতে পারেন, এই দলে তার থাকার কোনো সুযোগ নেই।

ইসরায়েলি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ
রেজা কিবরিয়া জানান, শুরুতে তিনি এসব বিষয় সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। পরবর্তীতে দলের একটি বৈঠক সংক্রান্ত তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। এরপর ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত প্রকাশ্যে বলেন, নূরুল হক নূরের সঙ্গে তিনটি স্থানে মোসাদের বৈঠক হয়েছে। এসব তথ্য সামনে আসার পরই বিষয়টি সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত হন এবং তখনই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট
সাক্ষাৎকারে রেজা কিবরিয়া জোর দিয়ে বলেন, নৈতিকতা ও আদর্শের প্রশ্নে তিনি কোনো আপস করতে রাজি নন। ইসরায়েলি অর্থ বা প্রভাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার পথচলা সম্ভব নয় বলেই তিনি গণ অধিকার পরিষদ থেকে সরে আসেন।