০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

ইসলামাবাদ আলোচনায় প্রতিনিধিত্বের মান নামালো যুক্তরাষ্ট্র, তবু ইরান ইস্যুতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার

ইসলামাবাদে ইরান-সংক্রান্ত আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতিনিধিত্বের মান নামিয়েছে—এমন ইঙ্গিতের মধ্যেও কূটনৈতিক তৎপরতা থেমে নেই। বরং একই সময়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সফর পাকিস্তানকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার পাকিস্তানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে, আর তার আগেই শুক্রবার ইসলামাবাদে এসে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

যুক্তরাষ্ট্রের সফর ও প্রতিনিধিত্বের বার্তা

যুক্তরাষ্ট্রের এই সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবে প্রতিনিধিত্বের মান কমানোর বিষয়টি কূটনৈতিক মহলে আলাদা করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সরাসরি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিত্বের বদলে নির্দিষ্ট দূত পাঠানোর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র একদিকে যোগাযোগ বজায় রাখছে, অন্যদিকে তাদের কৌশলগত অবস্থানও সামঞ্জস্য করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র কূটনীতি 'ধ্বংস' করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানের উপস্থিতি ও সমান্তরাল কূটনীতি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির ইসলামাবাদ সফর পরিস্থিতিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। একই সময়ে দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি পাকিস্তানকে একটি সক্রিয় কূটনৈতিক মঞ্চে পরিণত করেছে, যেখানে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে বার্তা বিনিময়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

পাকিস্তান কেন কেন্দ্রবিন্দু

ইসলামাবাদ এখন এমন একটি স্থানে পরিণত হয়েছে, যেখানে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ তৈরি হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষই এখানে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপট

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনা অচল

ইরানকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যেই এই সফরগুলো ঘটছে। ফলে কূটনৈতিক যোগাযোগের এই ধারাবাহিকতা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার একটি অংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পরবর্তী পদক্ষেপ কী

এখন নজর থাকবে এই সফরের পর কী ধরনের বার্তা বা অগ্রগতি সামনে আসে তার দিকে। প্রতিনিধিত্বের মান কমানো হলেও কূটনৈতিক যোগাযোগের ধারাবাহিকতা বজায় থাকছে কি না, সেটিই হবে মূল প্রশ্ন।

ইসলামাবাদে একযোগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যেখানে প্রতিনিধিত্বের মান নামানো সত্ত্বেও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত স্পষ্ট

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

ইসলামাবাদ আলোচনায় প্রতিনিধিত্বের মান নামালো যুক্তরাষ্ট্র, তবু ইরান ইস্যুতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার

১২:৫০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ইসলামাবাদে ইরান-সংক্রান্ত আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতিনিধিত্বের মান নামিয়েছে—এমন ইঙ্গিতের মধ্যেও কূটনৈতিক তৎপরতা থেমে নেই। বরং একই সময়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সফর পাকিস্তানকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার পাকিস্তানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে, আর তার আগেই শুক্রবার ইসলামাবাদে এসে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

যুক্তরাষ্ট্রের সফর ও প্রতিনিধিত্বের বার্তা

যুক্তরাষ্ট্রের এই সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবে প্রতিনিধিত্বের মান কমানোর বিষয়টি কূটনৈতিক মহলে আলাদা করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সরাসরি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিত্বের বদলে নির্দিষ্ট দূত পাঠানোর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র একদিকে যোগাযোগ বজায় রাখছে, অন্যদিকে তাদের কৌশলগত অবস্থানও সামঞ্জস্য করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র কূটনীতি 'ধ্বংস' করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানের উপস্থিতি ও সমান্তরাল কূটনীতি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির ইসলামাবাদ সফর পরিস্থিতিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। একই সময়ে দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি পাকিস্তানকে একটি সক্রিয় কূটনৈতিক মঞ্চে পরিণত করেছে, যেখানে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে বার্তা বিনিময়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

পাকিস্তান কেন কেন্দ্রবিন্দু

ইসলামাবাদ এখন এমন একটি স্থানে পরিণত হয়েছে, যেখানে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ তৈরি হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষই এখানে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপট

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনা অচল

ইরানকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যেই এই সফরগুলো ঘটছে। ফলে কূটনৈতিক যোগাযোগের এই ধারাবাহিকতা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার একটি অংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পরবর্তী পদক্ষেপ কী

এখন নজর থাকবে এই সফরের পর কী ধরনের বার্তা বা অগ্রগতি সামনে আসে তার দিকে। প্রতিনিধিত্বের মান কমানো হলেও কূটনৈতিক যোগাযোগের ধারাবাহিকতা বজায় থাকছে কি না, সেটিই হবে মূল প্রশ্ন।

ইসলামাবাদে একযোগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যেখানে প্রতিনিধিত্বের মান নামানো সত্ত্বেও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত স্পষ্ট