সংঘর্ষের পর নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে কম্বোডিয়া সীমান্তে আট দশমিক চার কিলোমিটার দীর্ঘ কংক্রিটের প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেছে থাইল্যান্ড। চানথাবুরি প্রদেশে
রয়্যাল থাই নেভি মেরিন টাস্কফোর্সের কমান্ডার ক্যাপ্টেন প্রাচইয়া হানতিয়েম বলেন, মানুষ ও পণ্যের অবৈধ চোরাচালান ঠেকাতেই এই বেড়া নির্মাণ করা হচ্ছে। আটশ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সীমান্তরেখা নিয়ে দুই দেশের বিরোধ বহু দশকের পুরোনো, আর এই বিরোধই বারবার সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে উত্তে
২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রাণঘাতী সংঘর্ষের পর ডিসেম্বরে ফের সংঘাত বাধে দুই দেশের মধ্যে। বছরের শেষদিকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও দুই পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলছেই। আগের বছরের সংঘর্ষে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন, যাদের
দুইশর কম বাসিন্দার একটি গ্রামের প্রধান ইচিরা আরানচাইয়াসিরি বলেন, আগে তারা অবাধে সীমান্ত পারাপার করতেন, একে অপরের বাড়িতে যাওয়া-আসা করতেন সহজেই, তবে নিরাপত্তার প্রয়োজনে এই প্রাচীরকে তিনি মেনে নিয়েছেন। ফরাসি ও শ্যাম আমলের ১৮৬৩ থেকে ১৯৫০-এর দশক পর্যন্ত সীমানা নির্ধারণের পাথরচিহ্নগুলো এখনো
কাঁটাতার আর কংক্রিটের এই নতুন দেয়াল যেন মনে করিয়ে দেয়, ঔপনিবেশিক আমলে আঁকা একটি সীমারেখা এখনো কীভাবে দুই প্রতিবেশীর সম্পর্ককে বেঁধে রাখতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















