০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চালক নিয়ে স্বয়ংচালিত গাড়ির দৌড়ে নতুন চমক, বড় প্রতিষ্ঠানগুলোকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে নতুন উদ্যোগ

স্বয়ংচালিত গাড়ির প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় দীর্ঘদিন ধরে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর আধিপত্য থাকলেও এবার নতুন এক উদ্যোগ সেই সমীকরণ বদলে দিতে শুরু করেছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি উদীয়মান প্রতিষ্ঠান এমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর চালক প্রযুক্তি তৈরি করেছে, যা বিশ্বের শীর্ষ গাড়ি নির্মাতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সাধারণ যাত্রীবাহী গাড়িতেও ব্যবহারের পথে এগোচ্ছে।

এই প্রযুক্তি ইতোমধ্যে একটি আন্তর্জাতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষামূলক গাড়িতে সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, চালক স্টিয়ারিং থেকে হাত সরিয়ে রাখলেও গাড়িটি নিজেই শহরের সড়ক, ট্রাফিক সিগন্যাল এবং স্টপ সাইন অতিক্রম করে নিরাপদে চলতে পারে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে চালককে সব সময় সতর্ক থেকে প্রয়োজনে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

উদীয়মান প্রযুক্তির বড় লক্ষ্য

নতুন প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য শুধু নিজেদের গাড়িতে প্রযুক্তি ব্যবহার করা নয়, বরং বিশ্বের বিভিন্ন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে এটি সরবরাহ করা। তাদের ধারণা, সব ক্রেতা নির্দিষ্ট একটি ব্র্যান্ডের গাড়ি কিনতে চান না। তাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গাড়িতে একই ধরনের উন্নত স্বয়ংচালিত প্রযুক্তি যুক্ত করার সুযোগই তাদের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা।

এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে একাধিক আন্তর্জাতিক গাড়ি নির্মাতার সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে উত্তর আমেরিকা ও এশিয়ার বাজারে এই প্রযুক্তি যুক্ত গাড়ি বিক্রি শুরু হতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই বদলে দিয়েছে পথ

স্বয়ংচালিত গাড়ির শুরুর যুগে সফটওয়্যারের মধ্যে মানুষের তৈরি অসংখ্য নিয়ম যুক্ত করে গাড়িকে চালানোর চেষ্টা করা হতো। রাস্তার প্রতিটি বস্তু শনাক্ত করে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে এমন ব্যবস্থা ছিল জটিল এবং সীমাবদ্ধ।

নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তিতে সেই পদ্ধতি বদলে গেছে। এখন বিপুল পরিমাণ বাস্তব চালনার ভিডিও বিশ্লেষণ করে প্রশিক্ষিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিজেই রাস্তার পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। মানুষের মতো বিভিন্ন নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতাই এই প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Wayve Is Challenging Tesla and Waymo in the Race to Automate Driving - WSJ

বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ছে

প্রযুক্তিটির প্রতি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও দ্রুত বাড়ছে। গত দুই বছরে প্রতিষ্ঠানটি কয়েক দফায় বিপুল অঙ্কের বিনিয়োগ সংগ্রহ করেছে। বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, চিপ নির্মাতা এবং গাড়ি নির্মাতারা এতে অর্থায়ন করেছে। এর ফলে স্বয়ংচালিত গাড়ির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে।

পরীক্ষা থেকে বাণিজ্যিক যাত্রা

প্রযুক্তিটি শুধু ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য নয়, চালকবিহীন যাত্রীবাহী সেবাতেও ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি বছর রাজধানী শহরে পরীক্ষামূলকভাবে এমন গাড়ি চালানো শুরু হবে, যেখানে শুরুতে নিরাপত্তার জন্য একজন পর্যবেক্ষক চালক থাকবেন। সফল হলে ধীরে ধীরে বিশ্বের বিভিন্ন বড় শহরে এই সেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

নিরাপত্তা নিয়ে বিতর্ক

যদিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক এই পদ্ধতি অনেক বিশেষজ্ঞের প্রশংসা পাচ্ছে, তবুও নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রক মানদণ্ড নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। সমালোচকদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া সব সময় সহজে ব্যাখ্যা করা যায় না। ফলে দুর্ঘটনা বা জটিল পরিস্থিতিতে এর সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণ করা কঠিন হতে পারে।

অন্যদিকে সমর্থকদের দাবি, মানুষের মতো বিভিন্ন পরিস্থিতিতে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতার কারণে এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ ও কার্যকর হতে পারে। এছাড়া রাস্তার প্রতিটি এলাকা আগে থেকে বিস্তারিত মানচিত্র তৈরি না করেও এটি কাজ করতে পারে, যা দ্রুত বিস্তারের সুযোগ তৈরি করে।

আগামী দিনের প্রতিযোগিতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক বছরে স্বয়ংচালিত গাড়ির বাজারে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হবে। বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি নতুন উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানগুলোও নিজেদের প্রযুক্তি বিভিন্ন গাড়ি নির্মাতার কাছে সরবরাহ করে বাজারে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান গড়ে তুলতে চাইছে। ফলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর চালক প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী পরিবহন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর স্বয়ংচালিত গাড়ির নতুন প্রযুক্তি বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াচ্ছে। বড় গাড়ি নির্মাতারা দ্রুত এই প্রযুক্তি গ্রহণের পথে এগোচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চালক নিয়ে স্বয়ংচালিত গাড়ির দৌড়ে নতুন চমক, বড় প্রতিষ্ঠানগুলোকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে নতুন উদ্যোগ

০৮:০০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

স্বয়ংচালিত গাড়ির প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় দীর্ঘদিন ধরে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর আধিপত্য থাকলেও এবার নতুন এক উদ্যোগ সেই সমীকরণ বদলে দিতে শুরু করেছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি উদীয়মান প্রতিষ্ঠান এমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর চালক প্রযুক্তি তৈরি করেছে, যা বিশ্বের শীর্ষ গাড়ি নির্মাতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সাধারণ যাত্রীবাহী গাড়িতেও ব্যবহারের পথে এগোচ্ছে।

এই প্রযুক্তি ইতোমধ্যে একটি আন্তর্জাতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষামূলক গাড়িতে সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, চালক স্টিয়ারিং থেকে হাত সরিয়ে রাখলেও গাড়িটি নিজেই শহরের সড়ক, ট্রাফিক সিগন্যাল এবং স্টপ সাইন অতিক্রম করে নিরাপদে চলতে পারে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে চালককে সব সময় সতর্ক থেকে প্রয়োজনে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

উদীয়মান প্রযুক্তির বড় লক্ষ্য

নতুন প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য শুধু নিজেদের গাড়িতে প্রযুক্তি ব্যবহার করা নয়, বরং বিশ্বের বিভিন্ন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে এটি সরবরাহ করা। তাদের ধারণা, সব ক্রেতা নির্দিষ্ট একটি ব্র্যান্ডের গাড়ি কিনতে চান না। তাই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গাড়িতে একই ধরনের উন্নত স্বয়ংচালিত প্রযুক্তি যুক্ত করার সুযোগই তাদের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা।

এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে একাধিক আন্তর্জাতিক গাড়ি নির্মাতার সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে উত্তর আমেরিকা ও এশিয়ার বাজারে এই প্রযুক্তি যুক্ত গাড়ি বিক্রি শুরু হতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই বদলে দিয়েছে পথ

স্বয়ংচালিত গাড়ির শুরুর যুগে সফটওয়্যারের মধ্যে মানুষের তৈরি অসংখ্য নিয়ম যুক্ত করে গাড়িকে চালানোর চেষ্টা করা হতো। রাস্তার প্রতিটি বস্তু শনাক্ত করে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে এমন ব্যবস্থা ছিল জটিল এবং সীমাবদ্ধ।

নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তিতে সেই পদ্ধতি বদলে গেছে। এখন বিপুল পরিমাণ বাস্তব চালনার ভিডিও বিশ্লেষণ করে প্রশিক্ষিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিজেই রাস্তার পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। মানুষের মতো বিভিন্ন নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতাই এই প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Wayve Is Challenging Tesla and Waymo in the Race to Automate Driving - WSJ

বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ছে

প্রযুক্তিটির প্রতি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও দ্রুত বাড়ছে। গত দুই বছরে প্রতিষ্ঠানটি কয়েক দফায় বিপুল অঙ্কের বিনিয়োগ সংগ্রহ করেছে। বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, চিপ নির্মাতা এবং গাড়ি নির্মাতারা এতে অর্থায়ন করেছে। এর ফলে স্বয়ংচালিত গাড়ির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে।

পরীক্ষা থেকে বাণিজ্যিক যাত্রা

প্রযুক্তিটি শুধু ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য নয়, চালকবিহীন যাত্রীবাহী সেবাতেও ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি বছর রাজধানী শহরে পরীক্ষামূলকভাবে এমন গাড়ি চালানো শুরু হবে, যেখানে শুরুতে নিরাপত্তার জন্য একজন পর্যবেক্ষক চালক থাকবেন। সফল হলে ধীরে ধীরে বিশ্বের বিভিন্ন বড় শহরে এই সেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

নিরাপত্তা নিয়ে বিতর্ক

যদিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক এই পদ্ধতি অনেক বিশেষজ্ঞের প্রশংসা পাচ্ছে, তবুও নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রক মানদণ্ড নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। সমালোচকদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া সব সময় সহজে ব্যাখ্যা করা যায় না। ফলে দুর্ঘটনা বা জটিল পরিস্থিতিতে এর সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণ করা কঠিন হতে পারে।

অন্যদিকে সমর্থকদের দাবি, মানুষের মতো বিভিন্ন পরিস্থিতিতে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতার কারণে এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ ও কার্যকর হতে পারে। এছাড়া রাস্তার প্রতিটি এলাকা আগে থেকে বিস্তারিত মানচিত্র তৈরি না করেও এটি কাজ করতে পারে, যা দ্রুত বিস্তারের সুযোগ তৈরি করে।

আগামী দিনের প্রতিযোগিতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক বছরে স্বয়ংচালিত গাড়ির বাজারে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হবে। বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি নতুন উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানগুলোও নিজেদের প্রযুক্তি বিভিন্ন গাড়ি নির্মাতার কাছে সরবরাহ করে বাজারে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান গড়ে তুলতে চাইছে। ফলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর চালক প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী পরিবহন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর স্বয়ংচালিত গাড়ির নতুন প্রযুক্তি বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াচ্ছে। বড় গাড়ি নির্মাতারা দ্রুত এই প্রযুক্তি গ্রহণের পথে এগোচ্ছে।