০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

ঘোস্টবাস্টারস–রাশ আওয়ার–রজার র‌্যাবিট—যে তিন ছবিতে না করে আফসোসে আছেন এডি মারফি

হলিউডের তিন সুপারহিট, যে সুযোগ হারালেন
নেটফ্লিক্সের নতুন ডকুমেন্টারি ‘বিইং এডি’ প্রচারে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে হলিউড তারকা এডি মারফি জানিয়েছেন, তিনটি ছবির জন্য তিনি আজও একটু আফসোস করেন—ঘোস্টবাস্টারস, রাশ আওয়ার ও হু ফ্রেইমড রজার র‌্যাবিট। তিনি বলেন, ওই সময়গুলোর ভিন্ন ভিন্ন কারণে প্রস্তাবগুলো ফিরিয়ে দিয়েছিলেন; বিশেষ করে ঘোস্টবাস্টারস করার সময়ই বেভারলি হিলস কপ–এর অফার ছিল, আর শেষে তিনি এক্সেল ফোলির চরিত্রই বেছে নেন। রাশ আওয়ার আর হু ফ্রেইমড রজার র‌্যাবিট তখন তাঁর কাছে তেমন আকর্ষণীয় মনে হয়নি, কিন্তু পরে দুটোই বিশাল হিট হয়ে যায়, আর ভক্তদের কাছে কাল্ট ক্লাসিকের জায়গা পায়। তবু মারফি বলছেন, আজকের দিনে দাঁড়িয়ে তিনি মূলত কৃতজ্ঞ যে তাঁর ক্যারিয়ার অন্য পথে গড়াল এবং অনেক আলাদা ধরনের কাজ করার সুযোগ দিল।

ব্যর্থতা, আঘাত আর ফিরতি পথের গল্প
ডকুমেন্টারিতে মারফির ক্যারিয়ারের কঠিন মুহূর্তগুলোও উঠে এসেছে—বিশেষ করে ১৯৯৫ সালের ভ্যাম্পায়ার ইন ব্রুকলিন ছবির খারাপ সমালোচনা এবং স্যাটারডে নাইট লাইভ–এর একটি কৌতুক, যেখানে তাঁকে “ফলিং স্টার” বা পড়ন্ত নক্ষত্র বলা হয়। মারফি বলেন, এই মন্তব্য তাঁকে গভীরভাবে আহত করেছিল, কারণ ওই একই শো থেকেই ৮০–র দশকে তাঁর তারকা হওয়ার পথ শুরু। তাঁর ভাষায়, নিজের ‘আলমা ম্যাটার’ যেন নিজের ক্যারিয়ারকে আঘাত করেছে—শুধু মজা করে নয়, বরং ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দেহ তুলে। সময়ের সঙ্গে তিনি ব্যাপারটিকে নতুন করে দেখেছেন; বুঝেছেন, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে উত্থান–পতন থাকবেই, আর গুরুত্বপূর্ণ হলো, কাজ চালিয়ে যাওয়া আর নতুন প্রজন্মের দর্শকের সঙ্গে সংযোগ রাখা। কমিং টু আমেরিকা, শ্রেক থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক নেটফ্লিক্স প্রজেক্ট—সব মিলিয়ে ‘বিইং এডি’ মারফিকে দেখায় একজন শিল্পী হিসেবে, যিনি ব্যর্থতা সামলেও নিজেকে বারবার নতুনভাবে ভাবতে শিখেছেন। যে তিনটি ছবির কথা তিনি আফসোসের সুরে বললেন, তা ভক্তদের জন্য হয়তো মজার ‘হোয়াট ইফ’ কল্পনা; কিন্তু ডকুমেন্টারির মূল বার্তা হলো—নিজের সিদ্ধান্তকে গ্রহণ করে এগিয়ে যাওয়ার মধ্যেই টিকে থাকার শক্তি লুকিয়ে আছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

ঘোস্টবাস্টারস–রাশ আওয়ার–রজার র‌্যাবিট—যে তিন ছবিতে না করে আফসোসে আছেন এডি মারফি

১০:০০:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

হলিউডের তিন সুপারহিট, যে সুযোগ হারালেন
নেটফ্লিক্সের নতুন ডকুমেন্টারি ‘বিইং এডি’ প্রচারে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে হলিউড তারকা এডি মারফি জানিয়েছেন, তিনটি ছবির জন্য তিনি আজও একটু আফসোস করেন—ঘোস্টবাস্টারস, রাশ আওয়ার ও হু ফ্রেইমড রজার র‌্যাবিট। তিনি বলেন, ওই সময়গুলোর ভিন্ন ভিন্ন কারণে প্রস্তাবগুলো ফিরিয়ে দিয়েছিলেন; বিশেষ করে ঘোস্টবাস্টারস করার সময়ই বেভারলি হিলস কপ–এর অফার ছিল, আর শেষে তিনি এক্সেল ফোলির চরিত্রই বেছে নেন। রাশ আওয়ার আর হু ফ্রেইমড রজার র‌্যাবিট তখন তাঁর কাছে তেমন আকর্ষণীয় মনে হয়নি, কিন্তু পরে দুটোই বিশাল হিট হয়ে যায়, আর ভক্তদের কাছে কাল্ট ক্লাসিকের জায়গা পায়। তবু মারফি বলছেন, আজকের দিনে দাঁড়িয়ে তিনি মূলত কৃতজ্ঞ যে তাঁর ক্যারিয়ার অন্য পথে গড়াল এবং অনেক আলাদা ধরনের কাজ করার সুযোগ দিল।

ব্যর্থতা, আঘাত আর ফিরতি পথের গল্প
ডকুমেন্টারিতে মারফির ক্যারিয়ারের কঠিন মুহূর্তগুলোও উঠে এসেছে—বিশেষ করে ১৯৯৫ সালের ভ্যাম্পায়ার ইন ব্রুকলিন ছবির খারাপ সমালোচনা এবং স্যাটারডে নাইট লাইভ–এর একটি কৌতুক, যেখানে তাঁকে “ফলিং স্টার” বা পড়ন্ত নক্ষত্র বলা হয়। মারফি বলেন, এই মন্তব্য তাঁকে গভীরভাবে আহত করেছিল, কারণ ওই একই শো থেকেই ৮০–র দশকে তাঁর তারকা হওয়ার পথ শুরু। তাঁর ভাষায়, নিজের ‘আলমা ম্যাটার’ যেন নিজের ক্যারিয়ারকে আঘাত করেছে—শুধু মজা করে নয়, বরং ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দেহ তুলে। সময়ের সঙ্গে তিনি ব্যাপারটিকে নতুন করে দেখেছেন; বুঝেছেন, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে উত্থান–পতন থাকবেই, আর গুরুত্বপূর্ণ হলো, কাজ চালিয়ে যাওয়া আর নতুন প্রজন্মের দর্শকের সঙ্গে সংযোগ রাখা। কমিং টু আমেরিকা, শ্রেক থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক নেটফ্লিক্স প্রজেক্ট—সব মিলিয়ে ‘বিইং এডি’ মারফিকে দেখায় একজন শিল্পী হিসেবে, যিনি ব্যর্থতা সামলেও নিজেকে বারবার নতুনভাবে ভাবতে শিখেছেন। যে তিনটি ছবির কথা তিনি আফসোসের সুরে বললেন, তা ভক্তদের জন্য হয়তো মজার ‘হোয়াট ইফ’ কল্পনা; কিন্তু ডকুমেন্টারির মূল বার্তা হলো—নিজের সিদ্ধান্তকে গ্রহণ করে এগিয়ে যাওয়ার মধ্যেই টিকে থাকার শক্তি লুকিয়ে আছে।