১০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্টি ডনের উত্তরসূরি হতে হবে বাগানের মানুষ, টেলিভিশনের ‘চরিত্র’ নয় চিপ প্রযুক্তি রক্ষায় গুপ্তচরবৃত্তি আইন কঠোর করল দক্ষিণ কোরিয়া আনোয়ারকে চ্যালেঞ্জ জাহিদের, মালয়েশিয়ায় জোট ভাঙার হুমকি রাষ্ট্রসমর্থিত হ্যাকারদের হাতে এআই, নতুন প্রতিবেদনে উদ্বেগ জার্মানিতে উগ্র ডানের বিরুদ্ধে পথে দেড় লাখ মানুষ ভুয়া কর্মকর্তার ফোনে ১০ লাখ হংকং ডলার খোয়ালেন শিক্ষার্থী অন্ধকার সুড়ঙ্গে ১০ দিন, নেপালি শ্রমিকের ফিরে আসার গল্প জাতিসংঘে পাকিস্তানের দাবি, সন্ত্রাসবিরোধী কাঠামোয় ফাঁক বন্ধ হোক ছয় বছর পর নিজের দেশে ফিরে বুঝলেন, আসলেই কি ‘বাড়ি’ বদলে গেছে? চীনে তৈরি হচ্ছে নতুন ‘অবসর শ্রেণি’, কাজের চেয়ে জীবন উপভোগে আগ্রহী মধ্যবিত্ত

জার্মানিতে উগ্র ডানের বিরুদ্ধে পথে দেড় লাখ মানুষ

রাজ্য নির্বাচনে উগ্র ডানপন্থি দল এএফডির বড় জয়ের পর জার্মানিজুড়ে বিক্ষোভে নেমেছেন হাজারো মানুষ। শনিবার প্রায় ২০টি শহরে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার মানুষ রাস্তায় নামেন। বার্লিন, হামবুর্গ ও মিউনিখে ছিল সবচেয়ে বড় জমায়েত।

পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সাক্সনি-আনহাল্টের নির্বাচনে অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি বা এএফডি প্রায় ৪৪ শতাংশ ভোট পেয়ে শীর্ষে ওঠে। সিডিইউ পেয়েছে ১৭ শতাংশ। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে দলটি মাত্র তিনটি আসন দূরে থেমেছে। এখন তারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির প্রথম কট্টর ডানপন্থি রাজ্য সরকার গঠনের চেষ্টা করছে।

হামবুর্গে প্রায় ২৫ হাজার এবং মিউনিখে প্রায় ১২ হাজার মানুষ অংশ নেন। বার্লিনে একাধিক বিক্ষোভে যোগ দেন কয়েক হাজার। বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল এএফডি নিষিদ্ধের দাবিতে গড়ে ওঠা সংগঠন প্রুফ। প্রচারাভিযান গোষ্ঠী ক্যাম্প্যাক্টও যুক্ত ছিল। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, গণতন্ত্রের কোনো বিকল্প দরকার নেই। আরেকটিতে লেখা, এখনই এএফডি নিষিদ্ধ করো।

ক্যাম্প্যাক্টের প্রধান ক্রিস্টফ বাউটস বলেছেন, সংবিধানের শত্রুদের ঠেকাতে নাগরিক সমাজের বিস্তৃত অংশ রাস্তায় নামছে। জার্মানি এএফডি বিতর্ক এখন দল নিষিদ্ধ করার সাংবিধানিক প্রশ্নে গড়িয়েছে। বার্লিনের আঞ্চলিক নির্বাচনে দলটির প্রধান প্রার্থী ক্রিস্টিন ব্রিঙ্কার।

ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনীতিতে এই মেরুকরণ বাংলাদেশের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ। জার্মানি দেশের তৈরি পোশাকের অন্যতম বড় বাজার এবং দক্ষ কর্মী নিয়োগের নতুন গন্তব্য। জার্মানি এএফডি প্রভাব বিস্তার করলে অভিবাসন নীতি ও শ্রমবাজারের দরজা সংকুচিত হতে পারে। দেড় লাখ মানুষ রাস্তায় নেমেছেন, আর ৪৪ শতাংশ ভোটার ব্যালটে উল্টো কথা বলেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মন্টি ডনের উত্তরসূরি হতে হবে বাগানের মানুষ, টেলিভিশনের ‘চরিত্র’ নয়

জার্মানিতে উগ্র ডানের বিরুদ্ধে পথে দেড় লাখ মানুষ

০৯:১২:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজ্য নির্বাচনে উগ্র ডানপন্থি দল এএফডির বড় জয়ের পর জার্মানিজুড়ে বিক্ষোভে নেমেছেন হাজারো মানুষ। শনিবার প্রায় ২০টি শহরে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার মানুষ রাস্তায় নামেন। বার্লিন, হামবুর্গ ও মিউনিখে ছিল সবচেয়ে বড় জমায়েত।

পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সাক্সনি-আনহাল্টের নির্বাচনে অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি বা এএফডি প্রায় ৪৪ শতাংশ ভোট পেয়ে শীর্ষে ওঠে। সিডিইউ পেয়েছে ১৭ শতাংশ। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে দলটি মাত্র তিনটি আসন দূরে থেমেছে। এখন তারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির প্রথম কট্টর ডানপন্থি রাজ্য সরকার গঠনের চেষ্টা করছে।

হামবুর্গে প্রায় ২৫ হাজার এবং মিউনিখে প্রায় ১২ হাজার মানুষ অংশ নেন। বার্লিনে একাধিক বিক্ষোভে যোগ দেন কয়েক হাজার। বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল এএফডি নিষিদ্ধের দাবিতে গড়ে ওঠা সংগঠন প্রুফ। প্রচারাভিযান গোষ্ঠী ক্যাম্প্যাক্টও যুক্ত ছিল। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, গণতন্ত্রের কোনো বিকল্প দরকার নেই। আরেকটিতে লেখা, এখনই এএফডি নিষিদ্ধ করো।

ক্যাম্প্যাক্টের প্রধান ক্রিস্টফ বাউটস বলেছেন, সংবিধানের শত্রুদের ঠেকাতে নাগরিক সমাজের বিস্তৃত অংশ রাস্তায় নামছে। জার্মানি এএফডি বিতর্ক এখন দল নিষিদ্ধ করার সাংবিধানিক প্রশ্নে গড়িয়েছে। বার্লিনের আঞ্চলিক নির্বাচনে দলটির প্রধান প্রার্থী ক্রিস্টিন ব্রিঙ্কার।

ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনীতিতে এই মেরুকরণ বাংলাদেশের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ। জার্মানি দেশের তৈরি পোশাকের অন্যতম বড় বাজার এবং দক্ষ কর্মী নিয়োগের নতুন গন্তব্য। জার্মানি এএফডি প্রভাব বিস্তার করলে অভিবাসন নীতি ও শ্রমবাজারের দরজা সংকুচিত হতে পারে। দেড় লাখ মানুষ রাস্তায় নেমেছেন, আর ৪৪ শতাংশ ভোটার ব্যালটে উল্টো কথা বলেছেন।