০২:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ফুলবাড়ীর ১০৯ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭২টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী শূন্য ৮০টিতে

জিওইঞ্জিনিয়ারিং আলোচনায় কেন্দ্রস্থ—কীভাবে গবেষণা, কতটা শাসন

ঝুঁকি, শাসন ও বিকল্প পথ

তাপমাত্রার রেকর্ড–বৃষ্টি চলতেই থাকায় এবং নির্গমন দ্রুত কমছে না বলে সূর্যালোক–ব্যবস্থাপনার (মেরিন ক্লাউড ব্রাইটেনিং, স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অ্যারোসল) মতো ধারণা আবার গুরুত্ব পাচ্ছে—ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বিশ্লেষণ বলছে। সমর্থকেরা মনে করেন, কড়া শাসন ও স্বচ্ছ ডেটায় সীমিত পরিসরে পরীক্ষা করা গেলে চরম গরম সাময়িকভাবে প্রশমিত হতে পারে—অভিযোজন ও ডিকার্বনাইজেশনের জন্য ‘সময়’ কেনা যাবে। সমালোচকেরা সতর্ক করেন—বৃষ্টিপাতের ধরন পাল্টে অঞ্চলে অঞ্চলে ভিন্ন প্রভাব পড়তে পারে; রাজনৈতিকভাবে ‘থার্মোস্ট্যাট’ ঘোরানোর অধিকার নিয়েও উত্তেজনা তৈরি হতে পারে। সবাই যে কোনোভাবেই চালু করতে বলছেন তা নয়; বরং কীভাবে পরীক্ষা–নিরীক্ষা করা হবে, কীভাবে নজরদারি ও বন্ধ করার প্রক্রিয়া থাকবে—সে প্রশ্নই এখন মুখ্য।

ছোট স্কেলে সফল উদাহরণ আছে—শীতল ছাদ, ক্লাউড সিডিং, আগ্নেয়গিরির অস্থায়ী শীতল প্রভাব। কিন্তু বড় পরিসরে গেলে আন্তর্জাতিক বিধি, দায়বদ্ধতা কাঠামো ও উন্মুক্ত ডেটা দরকার—যাতে লাভ–ক্ষতি মাপা যায় এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে থামানো যায়। গবেষণা–ফ্লাইটও কখনো জনরোষ তুলতে পারে; তাই সামাজিক অনুমোদন ও বহুপক্ষীয় শাসন অপরিহার্য। এদিকে শহরগুলো প্রতিফলক পৃষ্ঠ, ছায়া–করিডর ও তাপ–স্বাস্থ্য সতর্কতা বাড়াচ্ছে—যেখানে বৈশ্বিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি তুলনামূলক কম। সর্বোপরি লক্ষ্য স্পষ্ট—দ্রুত নির্গমন কমানোই প্রথম শর্ত; জিওইঞ্জিনিয়ারিং হলে তা কেবল contingency, বিকল্প নয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ

জিওইঞ্জিনিয়ারিং আলোচনায় কেন্দ্রস্থ—কীভাবে গবেষণা, কতটা শাসন

১০:৩০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

ঝুঁকি, শাসন ও বিকল্প পথ

তাপমাত্রার রেকর্ড–বৃষ্টি চলতেই থাকায় এবং নির্গমন দ্রুত কমছে না বলে সূর্যালোক–ব্যবস্থাপনার (মেরিন ক্লাউড ব্রাইটেনিং, স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অ্যারোসল) মতো ধারণা আবার গুরুত্ব পাচ্ছে—ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বিশ্লেষণ বলছে। সমর্থকেরা মনে করেন, কড়া শাসন ও স্বচ্ছ ডেটায় সীমিত পরিসরে পরীক্ষা করা গেলে চরম গরম সাময়িকভাবে প্রশমিত হতে পারে—অভিযোজন ও ডিকার্বনাইজেশনের জন্য ‘সময়’ কেনা যাবে। সমালোচকেরা সতর্ক করেন—বৃষ্টিপাতের ধরন পাল্টে অঞ্চলে অঞ্চলে ভিন্ন প্রভাব পড়তে পারে; রাজনৈতিকভাবে ‘থার্মোস্ট্যাট’ ঘোরানোর অধিকার নিয়েও উত্তেজনা তৈরি হতে পারে। সবাই যে কোনোভাবেই চালু করতে বলছেন তা নয়; বরং কীভাবে পরীক্ষা–নিরীক্ষা করা হবে, কীভাবে নজরদারি ও বন্ধ করার প্রক্রিয়া থাকবে—সে প্রশ্নই এখন মুখ্য।

ছোট স্কেলে সফল উদাহরণ আছে—শীতল ছাদ, ক্লাউড সিডিং, আগ্নেয়গিরির অস্থায়ী শীতল প্রভাব। কিন্তু বড় পরিসরে গেলে আন্তর্জাতিক বিধি, দায়বদ্ধতা কাঠামো ও উন্মুক্ত ডেটা দরকার—যাতে লাভ–ক্ষতি মাপা যায় এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে থামানো যায়। গবেষণা–ফ্লাইটও কখনো জনরোষ তুলতে পারে; তাই সামাজিক অনুমোদন ও বহুপক্ষীয় শাসন অপরিহার্য। এদিকে শহরগুলো প্রতিফলক পৃষ্ঠ, ছায়া–করিডর ও তাপ–স্বাস্থ্য সতর্কতা বাড়াচ্ছে—যেখানে বৈশ্বিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি তুলনামূলক কম। সর্বোপরি লক্ষ্য স্পষ্ট—দ্রুত নির্গমন কমানোই প্রথম শর্ত; জিওইঞ্জিনিয়ারিং হলে তা কেবল contingency, বিকল্প নয়।