০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

জুলাই আন্দোলনের হামলা মামলায় শাস্তি কমাল জাবি, আপিলে অব্যাহতি পেলেন কয়েকজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী

জুলাই আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় শাস্তিপ্রাপ্ত নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কয়েকজন সাবেক নেতা-কর্মীর দণ্ড পুনর্বিবেচনা করে কমিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি)। একই সঙ্গে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শাস্তিপ্রাপ্ত ৪৩ শিক্ষার্থীর করা আপিল আবেদন পর্যালোচনার পর সিন্ডিকেট তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া আগের শাস্তিমূলক সিদ্ধান্তগুলো পুনরায় মূল্যায়ন করে।

আপিল পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত

সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। তিনি জানান, আপিলকারী ৪৩ শিক্ষার্থীর প্রতিটি মামলা আলাদাভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। অভিযোগ, আপিল আবেদন এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই-বাছাই করেই সিন্ডিকেট চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

উপাচার্যের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রমাণ ও উপস্থাপিত তথ্যের ভিত্তিতে কিছু শিক্ষার্থীর শাস্তি কমানো হয়েছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে আগের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।

স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে পরিবর্তন

এর আগে স্থায়ী বহিষ্কারের শাস্তি পাওয়া ২১ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাঁচজনকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আটজনের স্থায়ী বহিষ্কার কমিয়ে দুই বছরের জন্য সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। আরও পাঁচজনের ক্ষেত্রে শাস্তি এক বছরের সাময়িক বহিষ্কারে নামিয়ে আনা হয়েছে।

তবে বাকি তিন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের আগের সিদ্ধান্তই বহাল রেখেছে সিন্ডিকেট।

সনদ বাতিলের সিদ্ধান্তও পুনর্বিবেচনা

শিক্ষা সনদ বাতিল সংক্রান্ত ১২টি সিদ্ধান্তও পর্যালোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে সনদ বাতিলের শাস্তি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

চার শিক্ষার্থীর জন্য এক বছরের সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। অন্যদিকে তিন শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে দুই বছরের সনদ বাতিলের শাস্তি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অপেক্ষা

শাস্তি সংশোধন বা প্রত্যাহার হওয়া শিক্ষার্থীদের পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও সিন্ডিকেট সচিব এ বি এম আজিজুর রহমান বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে এখনও চূড়ান্ত তালিকা হাতে পাওয়া যায়নি।

তিনি জানান, বিস্তারিত তালিকা পাওয়ার পর তা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের নাম প্রকাশ করা হবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্ত জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত হামলার ঘটনায় নেওয়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থার পুনর্মূল্যায়নের অংশ হিসেবে এসেছে। আপিলের ভিত্তিতে প্রতিটি মামলার তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে সিন্ডিকেট এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই আন্দোলনের হামলা মামলার শাস্তি পুনর্বিবেচনা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় শাস্তিপ্রাপ্ত সাবেক ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের আপিলের পর কয়েকজনকে অব্যাহতি এবং অনেকের শাস্তি কমিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। সিন্ডিকেট সভায় নেওয়া এ সিদ্ধান্তে বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের একাধিক আদেশ পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

জুলাই আন্দোলনের হামলা মামলায় শাস্তি কমাল জাবি, আপিলে অব্যাহতি পেলেন কয়েকজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী

০৭:৫২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

জুলাই আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় শাস্তিপ্রাপ্ত নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কয়েকজন সাবেক নেতা-কর্মীর দণ্ড পুনর্বিবেচনা করে কমিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি)। একই সঙ্গে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শাস্তিপ্রাপ্ত ৪৩ শিক্ষার্থীর করা আপিল আবেদন পর্যালোচনার পর সিন্ডিকেট তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া আগের শাস্তিমূলক সিদ্ধান্তগুলো পুনরায় মূল্যায়ন করে।

আপিল পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত

সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। তিনি জানান, আপিলকারী ৪৩ শিক্ষার্থীর প্রতিটি মামলা আলাদাভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। অভিযোগ, আপিল আবেদন এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই-বাছাই করেই সিন্ডিকেট চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

উপাচার্যের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রমাণ ও উপস্থাপিত তথ্যের ভিত্তিতে কিছু শিক্ষার্থীর শাস্তি কমানো হয়েছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে আগের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।

স্থায়ী বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে পরিবর্তন

এর আগে স্থায়ী বহিষ্কারের শাস্তি পাওয়া ২১ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাঁচজনকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আটজনের স্থায়ী বহিষ্কার কমিয়ে দুই বছরের জন্য সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। আরও পাঁচজনের ক্ষেত্রে শাস্তি এক বছরের সাময়িক বহিষ্কারে নামিয়ে আনা হয়েছে।

তবে বাকি তিন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারের আগের সিদ্ধান্তই বহাল রেখেছে সিন্ডিকেট।

সনদ বাতিলের সিদ্ধান্তও পুনর্বিবেচনা

শিক্ষা সনদ বাতিল সংক্রান্ত ১২টি সিদ্ধান্তও পর্যালোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে সনদ বাতিলের শাস্তি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

চার শিক্ষার্থীর জন্য এক বছরের সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। অন্যদিকে তিন শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে দুই বছরের সনদ বাতিলের শাস্তি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অপেক্ষা

শাস্তি সংশোধন বা প্রত্যাহার হওয়া শিক্ষার্থীদের পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও সিন্ডিকেট সচিব এ বি এম আজিজুর রহমান বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে এখনও চূড়ান্ত তালিকা হাতে পাওয়া যায়নি।

তিনি জানান, বিস্তারিত তালিকা পাওয়ার পর তা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের নাম প্রকাশ করা হবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্ত জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত হামলার ঘটনায় নেওয়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থার পুনর্মূল্যায়নের অংশ হিসেবে এসেছে। আপিলের ভিত্তিতে প্রতিটি মামলার তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে সিন্ডিকেট এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই আন্দোলনের হামলা মামলার শাস্তি পুনর্বিবেচনা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় শাস্তিপ্রাপ্ত সাবেক ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের আপিলের পর কয়েকজনকে অব্যাহতি এবং অনেকের শাস্তি কমিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। সিন্ডিকেট সভায় নেওয়া এ সিদ্ধান্তে বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের একাধিক আদেশ পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে।