০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

জোহর নির্বাচনে আমানত হারাতে না দেওয়াই লক্ষ্য, বললেন রাফিজি

মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্য নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক দল বেরসামা তাদের প্রার্থীদের জন্য একটি বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। দলটির লক্ষ্য হলো আসন্ন নির্বাচনে কোনো প্রার্থী যেন ভোটের ন্যূনতম সীমা পূরণে ব্যর্থ হয়ে নির্বাচনী আমানত না হারান।

দলের বর্তমান নেতৃত্বের অন্যতম মুখ ও সাবেক অর্থনীতিমন্ত্রী রাফিজি রামলি বলেছেন, দলটির নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নেওয়ার পর খুব অল্প সময় পেরিয়েছে। মাত্র তিন সপ্তাহ আগে নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব গ্রহণ করায় বড় ধরনের সাফল্যের প্রত্যাশা না করে সংগঠনকে শক্তিশালী করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

রাফিজির মতে, এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রার্থীদের আমানত ধরে রাখতে পারাই দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি বলেন, নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জনগণের কাছে নিজেদের পরিচিত করা এবং সমর্থন তৈরি করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

নতুন দলের সামনে কঠিন পরীক্ষা

জোহর নির্বাচনকে বেরসামার জন্য প্রথম বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে দলটি নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে এবং ভোটারদের আস্থা অর্জনে কাজ করছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন দলগুলোর জন্য প্রথম নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল অর্জন করা কঠিন হয়ে থাকে। তবে ভোটের মাধ্যমে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়া এবং ভবিষ্যতের জন্য ভিত্তি তৈরি করা অনেক সময় বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

সংগঠন শক্তিশালী করার চেষ্টা

দলটির নেতারা মনে করছেন, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, মাঠপর্যায়ে সংগঠন গড়ে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক উপস্থিতি নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সে কারণে তারা ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমর্থন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

জোহর নির্বাচন তাই শুধু আসন জয়ের লড়াই নয়, বরং বেরসামার রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়েরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠেছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে দলটি কতটা জনসমর্থন পায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

জোহর নির্বাচনে আমানত হারাতে না দেওয়াই লক্ষ্য, বললেন রাফিজি

০৩:২১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্য নির্বাচনের আগে নতুন রাজনৈতিক দল বেরসামা তাদের প্রার্থীদের জন্য একটি বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। দলটির লক্ষ্য হলো আসন্ন নির্বাচনে কোনো প্রার্থী যেন ভোটের ন্যূনতম সীমা পূরণে ব্যর্থ হয়ে নির্বাচনী আমানত না হারান।

দলের বর্তমান নেতৃত্বের অন্যতম মুখ ও সাবেক অর্থনীতিমন্ত্রী রাফিজি রামলি বলেছেন, দলটির নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব নেওয়ার পর খুব অল্প সময় পেরিয়েছে। মাত্র তিন সপ্তাহ আগে নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব গ্রহণ করায় বড় ধরনের সাফল্যের প্রত্যাশা না করে সংগঠনকে শক্তিশালী করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

রাফিজির মতে, এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রার্থীদের আমানত ধরে রাখতে পারাই দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি বলেন, নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জনগণের কাছে নিজেদের পরিচিত করা এবং সমর্থন তৈরি করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

নতুন দলের সামনে কঠিন পরীক্ষা

জোহর নির্বাচনকে বেরসামার জন্য প্রথম বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে দলটি নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে এবং ভোটারদের আস্থা অর্জনে কাজ করছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতুন দলগুলোর জন্য প্রথম নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল অর্জন করা কঠিন হয়ে থাকে। তবে ভোটের মাধ্যমে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়া এবং ভবিষ্যতের জন্য ভিত্তি তৈরি করা অনেক সময় বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

সংগঠন শক্তিশালী করার চেষ্টা

দলটির নেতারা মনে করছেন, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, মাঠপর্যায়ে সংগঠন গড়ে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক উপস্থিতি নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সে কারণে তারা ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে সমর্থন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

জোহর নির্বাচন তাই শুধু আসন জয়ের লড়াই নয়, বরং বেরসামার রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়েরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠেছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে দলটি কতটা জনসমর্থন পায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।