০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

‘জয় বাংলা’ বলা নিষিদ্ধ কোথায়—প্রশ্ন তুলে ইমির মুক্তির দাবিতে রাজু ভাস্কর্যে প্রতিবাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হল ছাত্র সংসদের সাবেক সহসভাপতি ও ‘স্লোগান ৭১’–এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে ‘নিপীড়নবিরোধী নাগরিক সমাজ’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

সমাবেশে অংশ নিয়ে বক্তারা ইমির বিরুদ্ধে করা মামলার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে দ্রুত মুক্তির দাবি জানান। তারা বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকারের প্রশ্নে এ ধরনের গ্রেপ্তার নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বক্তব্যে প্রশ্ন তুললেন নাহিদুল ইসলাম
সমাবেশে বক্তব্য দেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আলোচিত মুখ এবং ঢাকার নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী নাহিদুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে সরাসরি আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি বলেন, সংবিধানের কোথাও ‘জয় বাংলা’ বলা বা ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার নিষিদ্ধ আছে কি না—সেটি স্পষ্ট করা প্রয়োজন। যদি কোনো আইনে এসব নিষিদ্ধ থাকে, তবে তিনি নিজের বক্তব্য প্রত্যাহার করবেন বলেও উল্লেখ করেন। তবে এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলে দ্রুত ইমির মুক্তির দাবি জানান তিনি।

নাহিদুল ইসলাম আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে দাঁড়িয়ে তারা যে স্বপ্ন দেখেছেন, তা বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যেতে হলে ইমিকে মুক্ত করতে হবে। তিনি জানান, আন্দোলনের অংশ হিসেবে প্রতিবাদের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

মামলার প্রেক্ষাপট
গত ৮ মার্চ রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা এক মামলায় শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। ওই মামলাকে কেন্দ্র করেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা মামলাটির বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার পাশাপাশি ইমির মুক্তির দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। তাদের বক্তব্যে আইনগত স্বচ্ছতা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

‘জয় বাংলা’ বলা নিষিদ্ধ কোথায়—প্রশ্ন তুলে ইমির মুক্তির দাবিতে রাজু ভাস্কর্যে প্রতিবাদ

০৮:৪০:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হল ছাত্র সংসদের সাবেক সহসভাপতি ও ‘স্লোগান ৭১’–এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে ‘নিপীড়নবিরোধী নাগরিক সমাজ’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

সমাবেশে অংশ নিয়ে বক্তারা ইমির বিরুদ্ধে করা মামলার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে দ্রুত মুক্তির দাবি জানান। তারা বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকারের প্রশ্নে এ ধরনের গ্রেপ্তার নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বক্তব্যে প্রশ্ন তুললেন নাহিদুল ইসলাম
সমাবেশে বক্তব্য দেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আলোচিত মুখ এবং ঢাকার নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী নাহিদুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে সরাসরি আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি বলেন, সংবিধানের কোথাও ‘জয় বাংলা’ বলা বা ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার নিষিদ্ধ আছে কি না—সেটি স্পষ্ট করা প্রয়োজন। যদি কোনো আইনে এসব নিষিদ্ধ থাকে, তবে তিনি নিজের বক্তব্য প্রত্যাহার করবেন বলেও উল্লেখ করেন। তবে এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকলে দ্রুত ইমির মুক্তির দাবি জানান তিনি।

নাহিদুল ইসলাম আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে দাঁড়িয়ে তারা যে স্বপ্ন দেখেছেন, তা বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যেতে হলে ইমিকে মুক্ত করতে হবে। তিনি জানান, আন্দোলনের অংশ হিসেবে প্রতিবাদের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

মামলার প্রেক্ষাপট
গত ৮ মার্চ রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা এক মামলায় শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ তিনজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। ওই মামলাকে কেন্দ্র করেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা মামলাটির বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার পাশাপাশি ইমির মুক্তির দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। তাদের বক্তব্যে আইনগত স্বচ্ছতা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।