০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

ঝিনাইদহে মাদ্রাসাছাত্র অপহরণ করে বিক্রির অভিযোগ, দম্পতি গ্রেপ্তার

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে এক মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণ করে ভোলার একটি হিজড়া সম্প্রদায়ের কাছে বিক্রি করার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে।

অপহরণের ঘটনার বিবরণ

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অপহৃত শিশুটির নাম ঈসারুল্লাহ ওরফে রিয়াদ। বয়স মাত্র বারো বছর। সে শীতলী রোকেয়া খাতুন হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র। গত তেইশ জানুয়ারি সকালে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে শীতলী মাঠ এলাকা থেকে তাকে একটি মাইক্রোবাসে জোর করে তুলে নেওয়া হয়। পরে অভিযোগ ওঠে, তাকে ভোলার একটি হিজড়া সম্প্রদায়ের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।

 

গ্রেপ্তার ও মামলা

এ ঘটনায় হরিণাকুণ্ডু থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন শিশুটির দাদা শামসুল রহমান। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, মন্দারতলা গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে সুমন ও তার স্ত্রী শ্যামলী খাতুন তার নাতিকে অপহরণ করে বিক্রি করেন। মামলার বিবরণে আরও বলা হয়, ঘটনার বিষয়টি প্রকাশ পেলে সুমন শিশুটির বাবা জসিম উদ্দিনকে মারধর করেন।

শিশু অপহরণ করে নিঃসন্তান দম্পতির কাছে বিক্রি করতো চক্রটি

স্থানীয়দের অভিযোগ ও পুলিশের বক্তব্য

স্থানীয় বাসিন্দা রাবিউল ইসলাম জানান, সুমন দীর্ঘদিন ধরেই সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল বলে এলাকায় আলোচনা ছিল। তার দাবি, পরিকল্পিতভাবেই শিশুটিকে ভোলায় নিয়ে বিক্রি করা হয়।
হরিণাকুণ্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কিবরিয়া জানান, মামলা দায়েরের পর গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের মাধ্যমে অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের আদালতে হাজির করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পরিবারের আহাজারি, উদ্ধারের দাবি

অপহৃত শিশুটির বাবা জসিম উদ্দিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ছেলেকে হারিয়ে তিনি দিশেহারা। তিনি দ্রুত তার সন্তানের নিরাপদ উদ্ধার দাবি করেছেন।
এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে এবং শিশুটি কবে, কীভাবে উদ্ধার হবে সে দিকেই সবার দৃষ্টি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

ঝিনাইদহে মাদ্রাসাছাত্র অপহরণ করে বিক্রির অভিযোগ, দম্পতি গ্রেপ্তার

১১:২২:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে এক মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণ করে ভোলার একটি হিজড়া সম্প্রদায়ের কাছে বিক্রি করার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে।

অপহরণের ঘটনার বিবরণ

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অপহৃত শিশুটির নাম ঈসারুল্লাহ ওরফে রিয়াদ। বয়স মাত্র বারো বছর। সে শীতলী রোকেয়া খাতুন হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র। গত তেইশ জানুয়ারি সকালে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে শীতলী মাঠ এলাকা থেকে তাকে একটি মাইক্রোবাসে জোর করে তুলে নেওয়া হয়। পরে অভিযোগ ওঠে, তাকে ভোলার একটি হিজড়া সম্প্রদায়ের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।

 

গ্রেপ্তার ও মামলা

এ ঘটনায় হরিণাকুণ্ডু থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন শিশুটির দাদা শামসুল রহমান। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, মন্দারতলা গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে সুমন ও তার স্ত্রী শ্যামলী খাতুন তার নাতিকে অপহরণ করে বিক্রি করেন। মামলার বিবরণে আরও বলা হয়, ঘটনার বিষয়টি প্রকাশ পেলে সুমন শিশুটির বাবা জসিম উদ্দিনকে মারধর করেন।

শিশু অপহরণ করে নিঃসন্তান দম্পতির কাছে বিক্রি করতো চক্রটি

স্থানীয়দের অভিযোগ ও পুলিশের বক্তব্য

স্থানীয় বাসিন্দা রাবিউল ইসলাম জানান, সুমন দীর্ঘদিন ধরেই সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল বলে এলাকায় আলোচনা ছিল। তার দাবি, পরিকল্পিতভাবেই শিশুটিকে ভোলায় নিয়ে বিক্রি করা হয়।
হরিণাকুণ্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কিবরিয়া জানান, মামলা দায়েরের পর গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের মাধ্যমে অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের আদালতে হাজির করলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পরিবারের আহাজারি, উদ্ধারের দাবি

অপহৃত শিশুটির বাবা জসিম উদ্দিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ছেলেকে হারিয়ে তিনি দিশেহারা। তিনি দ্রুত তার সন্তানের নিরাপদ উদ্ধার দাবি করেছেন।
এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে এবং শিশুটি কবে, কীভাবে উদ্ধার হবে সে দিকেই সবার দৃষ্টি।