০২:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ফুলবাড়ীর ১০৯ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭২টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী শূন্য ৮০টিতে

টিকটক বিক্রি? নীতির চেয়ে ‘ক্ষমতা বণ্টন’—নতুন প্রশ্ন

আইন, নির্বাহী আদেশ ও কারা লাভবান হতে পারে

টিকটকের মার্কিন অংশ বিক্রির চাপ এখন কেবল ডাটার নিরাপত্তা নয়; সমালোচকদের মতে এটি মিত্রপোষণ ও মিডিয়া শক্তির পুনর্বণ্টনের হাতিয়ারও হয়ে উঠছে। ২০২৪ সালের আইনের পর দীর্ঘ টানাপোড়েন শেষে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে নির্বাহী আদেশে সময়রেখা বেঁধে দেওয়া হয়। বহু তথ্য গোপন থাকলেও ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচিত বিনিয়োগকারী গোষ্ঠী সুবিধাজনক শর্ত, নজরদারির শৈথিল্য বা প্রভাবশালী অবস্থান পেতে পারে। এর বিরোধিতা হবে আদালতে—জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তির সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও অ্যান্টিট্রাস্ট প্রশ্নের সংঘাত অনিবার্য।

সমাধানের রূপরেখা ও বাস্তব জটিলতা

মালিকানা বদলালেও রিকমেন্ডেশন সিস্টেম, কনটেন্ট মডারেশন ও ডাটা প্রবাহে কঠোর নিয়ম থাকতেই হবে। কোডবেস আলাদা করা, ক্লাউড অবকাঠামো বদলানো ও রেগুলেটরি আস্থা গড়তে দীর্ঘ ট্রানজিশন দরকার হতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতা ও ব্যবহারকারীর জন্য অনিশ্চয়তা হচ্ছে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি—কিছু ফিচার ও আয়করণ থমকে যেতে পারে। প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য এটি নিষেধাজ্ঞার অভিঘাত কমাতে পারে, কিন্তু বাজার ক্ষমতার মানচিত্র বদলাতে সক্ষম। শেষত, কার্যকর সমাধানকে জাতীয় নিরাপত্তা, প্রতিযোগিতা ও মতপ্রকাশ—এই তিন লক্ষ্যকে একসঙ্গে সামলাতে হবে, যাতে প্রযুক্তিনীতি ব্যক্তিপ্রীতিতে পরিণত না হয়। নজরদারির নকশাই ঠিক করবে, সমাধান টেকসই হবে কি না।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ

টিকটক বিক্রি? নীতির চেয়ে ‘ক্ষমতা বণ্টন’—নতুন প্রশ্ন

০৬:২০:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

আইন, নির্বাহী আদেশ ও কারা লাভবান হতে পারে

টিকটকের মার্কিন অংশ বিক্রির চাপ এখন কেবল ডাটার নিরাপত্তা নয়; সমালোচকদের মতে এটি মিত্রপোষণ ও মিডিয়া শক্তির পুনর্বণ্টনের হাতিয়ারও হয়ে উঠছে। ২০২৪ সালের আইনের পর দীর্ঘ টানাপোড়েন শেষে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে নির্বাহী আদেশে সময়রেখা বেঁধে দেওয়া হয়। বহু তথ্য গোপন থাকলেও ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচিত বিনিয়োগকারী গোষ্ঠী সুবিধাজনক শর্ত, নজরদারির শৈথিল্য বা প্রভাবশালী অবস্থান পেতে পারে। এর বিরোধিতা হবে আদালতে—জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তির সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও অ্যান্টিট্রাস্ট প্রশ্নের সংঘাত অনিবার্য।

সমাধানের রূপরেখা ও বাস্তব জটিলতা

মালিকানা বদলালেও রিকমেন্ডেশন সিস্টেম, কনটেন্ট মডারেশন ও ডাটা প্রবাহে কঠোর নিয়ম থাকতেই হবে। কোডবেস আলাদা করা, ক্লাউড অবকাঠামো বদলানো ও রেগুলেটরি আস্থা গড়তে দীর্ঘ ট্রানজিশন দরকার হতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতা ও ব্যবহারকারীর জন্য অনিশ্চয়তা হচ্ছে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি—কিছু ফিচার ও আয়করণ থমকে যেতে পারে। প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য এটি নিষেধাজ্ঞার অভিঘাত কমাতে পারে, কিন্তু বাজার ক্ষমতার মানচিত্র বদলাতে সক্ষম। শেষত, কার্যকর সমাধানকে জাতীয় নিরাপত্তা, প্রতিযোগিতা ও মতপ্রকাশ—এই তিন লক্ষ্যকে একসঙ্গে সামলাতে হবে, যাতে প্রযুক্তিনীতি ব্যক্তিপ্রীতিতে পরিণত না হয়। নজরদারির নকশাই ঠিক করবে, সমাধান টেকসই হবে কি না।