০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

ঢাকা আদালতে দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গ্রেপ্তার দেখানো

ঢাকার একটি আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনে সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনকে একটি দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমোদন দিয়েছেন। রোববার ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে আইনজীবী তারিকুল ইসলাম জানান, কারাগার থেকে আদালতে হাজির করার পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কমিশনের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম ফরহাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।

দুর্নীতির অভিযোগ ও সম্পদের হিসাব
আবেদনে বলা হয়, ফরহাদ হোসেন ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের বৈধ আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তার নামে প্রায় এক কোটি এগারো লাখ টাকার বেশি সম্পদের সন্ধান মিলেছে, যা তার ঘোষিত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ব্যাংক লেনদেনে অস্বাভাবিকতার অভিযোগ
মামলার নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ফরহাদ হোসেনের নামে মোট বারোটি ব্যাংক হিসাব রয়েছে। এসব হিসাবে জমার পরিমাণ ছয় কোটি চুয়ান্ন লাখ টাকার বেশি এবং উত্তোলনের পরিমাণ ছয় কোটি পঁয়ত্রিশ লাখ টাকারও বেশি। তদন্ত কর্মকর্তারা এই লেনদেনকে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

গ্রেপ্তার ও অন্যান্য মামলা
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের পাঁচ আগস্টের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ফরহাদ হোসেনকে পনেরো সেপ্টেম্বর রাজধানীর এসকাটন এলাকা থেকে আটক করা হয়। এর আগে ও পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংশ্লিষ্ট একাধিক মামলায় ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে আদালত কে জানানো হয়।

এই মামলায় আদালতের সর্বশেষ আদেশের ফলে ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি সংক্রান্ত তদন্ত আরও জোরালোভাবে এগোবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মনে করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

ঢাকা আদালতে দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গ্রেপ্তার দেখানো

১২:১৬:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকার একটি আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনে সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনকে একটি দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমোদন দিয়েছেন। রোববার ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে আইনজীবী তারিকুল ইসলাম জানান, কারাগার থেকে আদালতে হাজির করার পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কমিশনের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম ফরহাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।

দুর্নীতির অভিযোগ ও সম্পদের হিসাব
আবেদনে বলা হয়, ফরহাদ হোসেন ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজের বৈধ আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তার নামে প্রায় এক কোটি এগারো লাখ টাকার বেশি সম্পদের সন্ধান মিলেছে, যা তার ঘোষিত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ব্যাংক লেনদেনে অস্বাভাবিকতার অভিযোগ
মামলার নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ফরহাদ হোসেনের নামে মোট বারোটি ব্যাংক হিসাব রয়েছে। এসব হিসাবে জমার পরিমাণ ছয় কোটি চুয়ান্ন লাখ টাকার বেশি এবং উত্তোলনের পরিমাণ ছয় কোটি পঁয়ত্রিশ লাখ টাকারও বেশি। তদন্ত কর্মকর্তারা এই লেনদেনকে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

গ্রেপ্তার ও অন্যান্য মামলা
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের পাঁচ আগস্টের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ফরহাদ হোসেনকে পনেরো সেপ্টেম্বর রাজধানীর এসকাটন এলাকা থেকে আটক করা হয়। এর আগে ও পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংশ্লিষ্ট একাধিক মামলায় ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে আদালত কে জানানো হয়।

এই মামলায় আদালতের সর্বশেষ আদেশের ফলে ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি সংক্রান্ত তদন্ত আরও জোরালোভাবে এগোবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মনে করছে।