১১:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিউইয়র্কে বসছে ভোগ বিজনেসের বৈশ্বিক সম্মেলন, টিকিট বিক্রি শুরু ‘ক্লিন গার্ল’ যুগের বিদায়, বসন্ত-গ্রীষ্ম ২০২৭-এ আসছে নতুন ফ্যাশন ধারা দামি গয়না খোঁজার নতুন ঠিকানা কি টিকটক? বদলে যাওয়া শরীরের জন্য বিলাসবহুল ফ্যাশন, নতুন বাজার তৈরি করছে ওয়েলডান আমেরিকা কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত? কারখানার মেঝেতেই জাপানের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আসল লড়াই ২৫ বছরেই শেষ ৫ লাখ ডলারের ক্যারিয়ার, ই-স্পোর্টসে বাড়ছে চোটের ভয়াবহতা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এশিয়ার দিকে কানাডার নতুন বাণিজ্যযাত্রা তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের হিসাব জটিল করতে প্রতিরক্ষা জোট বাড়াচ্ছে জাপান দুর্নীতির অভিযোগে ইউক্রেনের প্রধান কৌঁসুলির পদত্যাগ

দক্ষিণ কোরিয়া থেকে মার্কিন অস্ত্র সরানো নিয়ে বিতর্ক

দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী দেশটির অনুমতি ছাড়াই কিছু অস্ত্র অন্যত্র সরিয়ে নিতে পারে—এমন মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেখানে পাঠানো হচ্ছে—এমন প্রতিবেদনের পর তিনি এই মন্তব্য করেন।

দক্ষিণ কোরিয়া বাধা দিতে পারবে না

মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী দেশ থেকে কিছু অস্ত্র সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আর্টিলারি ব্যাটারি ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিদেশে পাঠানো নিয়ে আলোচনা চলছে।

A U.S. army soldier walks past military vehicles at a U.S army base in Pyeongtaek

তিনি বলেন, এ বিষয়ে সিউল সরকারের আপত্তি থাকলেও বাস্তবে তাদের দাবি চাপিয়ে দেওয়ার মতো অবস্থান নেই। কারণ এসব অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা মূলত মার্কিন বাহিনীর অধীনেই থাকে।

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব

সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত মোকাবিলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কিছু প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরিয়ে নিতে পারে। এই পদক্ষেপকে ঘিরেই দক্ষিণ কোরিয়ায় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সরকারের আশ্বাস: প্রতিরোধ সক্ষমতায় প্রভাব নেই

তবে প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং স্পষ্টভাবে বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কিছু মার্কিন অস্ত্র সরিয়ে নেওয়া হলেও উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ কৌশলে বড় কোনো বাধা তৈরি হবে না।

U.S. Patriot missile defense systems at a U.S army base in Pyeongtaek

তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা ব্যয় এবং প্রচলিত সামরিক সক্ষমতা উত্তর কোরিয়ার তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। তাই সীমিত পরিসরে অস্ত্র সরানো হলেও সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি দুর্বল হয়ে পড়বে না।

সরকারের মতে, দক্ষিণ কোরিয়া নিজস্ব সামরিক শক্তি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা জোটের ওপর নির্ভর করেই উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলা করতে সক্ষম।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউইয়র্কে বসছে ভোগ বিজনেসের বৈশ্বিক সম্মেলন, টিকিট বিক্রি শুরু

দক্ষিণ কোরিয়া থেকে মার্কিন অস্ত্র সরানো নিয়ে বিতর্ক

০৪:২৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী দেশটির অনুমতি ছাড়াই কিছু অস্ত্র অন্যত্র সরিয়ে নিতে পারে—এমন মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেখানে পাঠানো হচ্ছে—এমন প্রতিবেদনের পর তিনি এই মন্তব্য করেন।

দক্ষিণ কোরিয়া বাধা দিতে পারবে না

মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী দেশ থেকে কিছু অস্ত্র সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আর্টিলারি ব্যাটারি ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিদেশে পাঠানো নিয়ে আলোচনা চলছে।

A U.S. army soldier walks past military vehicles at a U.S army base in Pyeongtaek

তিনি বলেন, এ বিষয়ে সিউল সরকারের আপত্তি থাকলেও বাস্তবে তাদের দাবি চাপিয়ে দেওয়ার মতো অবস্থান নেই। কারণ এসব অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা মূলত মার্কিন বাহিনীর অধীনেই থাকে।

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব

সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত মোকাবিলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কিছু প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরিয়ে নিতে পারে। এই পদক্ষেপকে ঘিরেই দক্ষিণ কোরিয়ায় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সরকারের আশ্বাস: প্রতিরোধ সক্ষমতায় প্রভাব নেই

তবে প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং স্পষ্টভাবে বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কিছু মার্কিন অস্ত্র সরিয়ে নেওয়া হলেও উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ কৌশলে বড় কোনো বাধা তৈরি হবে না।

U.S. Patriot missile defense systems at a U.S army base in Pyeongtaek

তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা ব্যয় এবং প্রচলিত সামরিক সক্ষমতা উত্তর কোরিয়ার তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। তাই সীমিত পরিসরে অস্ত্র সরানো হলেও সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি দুর্বল হয়ে পড়বে না।

সরকারের মতে, দক্ষিণ কোরিয়া নিজস্ব সামরিক শক্তি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা জোটের ওপর নির্ভর করেই উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলা করতে সক্ষম।