০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

নতুন মন্ত্রিসভার শপথ সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়, ইতিহাসে প্রথমবারের আয়োজন

দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবগঠিত মন্ত্রিসভা। এবার আর বঙ্গভবনে নয়, প্রথমবারের মতো নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। আগামী মঙ্গলবার বিকেল চারটায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।

সকালেই সংসদ সদস্যদের শপথ

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, একই দিন সকালে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এরপরই বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংসদ সচিবালয় ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে।

নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়

গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের পাশাপাশি গণভোটও হয়। তিনশো আসনের সংসদে এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন কমপক্ষে একশো একান্ন আসন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। ফলে সরকার গঠনে তাদের কোনো জোটের প্রয়োজন পড়ছে না।

বঙ্গভবনে নয়, সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্...

সরকার গঠনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া

নিয়ম অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের শপথের পর পার্লামেন্টারি বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে নির্বাচিত হবেন সংসদ নেতা। এরপর তিনি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাবি উপস্থাপন করবেন এবং সরকারপ্রধান হিসেবে নিয়োগের অনুরোধ জানাবেন। রাষ্ট্রপতি তখন তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন।

প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের পর তিনি নিজের মন্ত্রিসভার সদস্য নির্বাচন করবেন। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী, এরপর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি। শপথ শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দপ্তর বণ্টনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন প্রায় নিশ্চিত

নির্বাচনে সর্বোচ্চ আসনপ্রাপ্ত দল হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সংসদ নেতা হবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন— এমনটাই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রায় নিশ্চিত বলে ধরা হচ্ছে।

বঙ্গভবন নয়, জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় হবে মন্ত্রিসভার শপথ

সংবিধানের বিধান কী বলছে

সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভায় একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী নিয়োগ পাবেন। তবে মন্ত্রিসভার সদস্যদের কমপক্ষে দশ ভাগের নয় ভাগ সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে হতে হবে। সর্বোচ্চ দশ ভাগের এক ভাগ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে মনোনীত করা যাবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের অবসান

নতুন মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তারাই দেশের নতুন সরকার হিসেবে দায়িত্ব নেবে। শপথ না নেওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার বহাল থাকবে। নতুন সরকার শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

নতুন মন্ত্রিসভার শপথ সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়, ইতিহাসে প্রথমবারের আয়োজন

১১:১৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবগঠিত মন্ত্রিসভা। এবার আর বঙ্গভবনে নয়, প্রথমবারের মতো নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। আগামী মঙ্গলবার বিকেল চারটায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।

সকালেই সংসদ সদস্যদের শপথ

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, একই দিন সকালে নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এরপরই বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংসদ সচিবালয় ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে।

নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়

গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের পাশাপাশি গণভোটও হয়। তিনশো আসনের সংসদে এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন কমপক্ষে একশো একান্ন আসন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। ফলে সরকার গঠনে তাদের কোনো জোটের প্রয়োজন পড়ছে না।

বঙ্গভবনে নয়, সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্...

সরকার গঠনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া

নিয়ম অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের শপথের পর পার্লামেন্টারি বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে নির্বাচিত হবেন সংসদ নেতা। এরপর তিনি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাবি উপস্থাপন করবেন এবং সরকারপ্রধান হিসেবে নিয়োগের অনুরোধ জানাবেন। রাষ্ট্রপতি তখন তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন।

প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের পর তিনি নিজের মন্ত্রিসভার সদস্য নির্বাচন করবেন। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী, এরপর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি। শপথ শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দপ্তর বণ্টনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন প্রায় নিশ্চিত

নির্বাচনে সর্বোচ্চ আসনপ্রাপ্ত দল হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সংসদ নেতা হবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন— এমনটাই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রায় নিশ্চিত বলে ধরা হচ্ছে।

বঙ্গভবন নয়, জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় হবে মন্ত্রিসভার শপথ

সংবিধানের বিধান কী বলছে

সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভায় একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী নিয়োগ পাবেন। তবে মন্ত্রিসভার সদস্যদের কমপক্ষে দশ ভাগের নয় ভাগ সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে হতে হবে। সর্বোচ্চ দশ ভাগের এক ভাগ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে মনোনীত করা যাবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের অবসান

নতুন মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তারাই দেশের নতুন সরকার হিসেবে দায়িত্ব নেবে। শপথ না নেওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার বহাল থাকবে। নতুন সরকার শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।