০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

নেপালে ‘জেন জেড’ আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারীরা গুলি চালিয়েছে

কাঠমান্ডু: নেপালের অপসারিত প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি অস্বীকার করেছেন যে তাঁর সরকার ‘জেন জেড’ আন্দোলনের প্রথম দিন অর্থাৎ ৮ সেপ্টেম্বর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল, যেদিন অন্তত ১৯ জন নিহত হন। কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (ইউনিফাইড মার্কসিস্ট–লেনিনিস্ট)-এর চেয়ারম্যান বরং এ ঘটনার জন্য অভিযুক্ত করেছেন আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারীদের।

সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার

সংবিধান দিবসে দেওয়া এক বার্তায় ওলি দাবি করেন, “সরকার আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেয়নি। স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে, যা পুলিশের কাছে ছিল না। এ বিষয়টি তদন্ত করা জরুরি।”

অনুপ্রবেশকারীদের দায়ী করলেন ওলি

ওলি অভিযোগ করেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে ‘অনুপ্রবেশ’ ঘটেছিল। তাঁর মতে, ষড়যন্ত্রকারী অনুপ্রবেশকারীরা আন্দোলনকে সহিংস রূপ দেয় এবং এভাবেই তরুণরা প্রাণ হারায়। নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করে তিনি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

সহিংসতার বিস্তার

ওই দিন উত্তেজিত জনতা সরকারি দপ্তরগুলোতে হামলা চালায়, নতুন খোলা হিলটন হোটেলে অগ্নিসংযোগ করে এবং বিভিন্ন ক্ষমতার প্রতীকী স্থাপনাকে আক্রমণ করে। আন্দোলনের রোষে শহর থেকে শহরে ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

নেপালে ‘জেন জেড’ আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারীরা গুলি চালিয়েছে

১২:০০:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কাঠমান্ডু: নেপালের অপসারিত প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি অস্বীকার করেছেন যে তাঁর সরকার ‘জেন জেড’ আন্দোলনের প্রথম দিন অর্থাৎ ৮ সেপ্টেম্বর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল, যেদিন অন্তত ১৯ জন নিহত হন। কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (ইউনিফাইড মার্কসিস্ট–লেনিনিস্ট)-এর চেয়ারম্যান বরং এ ঘটনার জন্য অভিযুক্ত করেছেন আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারীদের।

সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার

সংবিধান দিবসে দেওয়া এক বার্তায় ওলি দাবি করেন, “সরকার আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেয়নি। স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে, যা পুলিশের কাছে ছিল না। এ বিষয়টি তদন্ত করা জরুরি।”

অনুপ্রবেশকারীদের দায়ী করলেন ওলি

ওলি অভিযোগ করেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে ‘অনুপ্রবেশ’ ঘটেছিল। তাঁর মতে, ষড়যন্ত্রকারী অনুপ্রবেশকারীরা আন্দোলনকে সহিংস রূপ দেয় এবং এভাবেই তরুণরা প্রাণ হারায়। নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করে তিনি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

সহিংসতার বিস্তার

ওই দিন উত্তেজিত জনতা সরকারি দপ্তরগুলোতে হামলা চালায়, নতুন খোলা হিলটন হোটেলে অগ্নিসংযোগ করে এবং বিভিন্ন ক্ষমতার প্রতীকী স্থাপনাকে আক্রমণ করে। আন্দোলনের রোষে শহর থেকে শহরে ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা।