০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

পথচারীরাও শ্রদ্ধা জানিয়েছে, শুনেছে: ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে মগবাজারে চার তরুণ-তরুণীর পদযাত্রা

ঢাকার মগবাজারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে এক ভিন্ন আবেগঘন পদযাত্রা করেছেন চার তরুণ-তরুণী। তাদের হাতে ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ছবি। পথে পথে অনেক পথচারী থেমে দাঁড়িয়ে ভাষণ শুনেছেন, কেউ কেউ নীরবে শ্রদ্ধাও জানিয়েছেন।

শনিবার দুপুর ১টার দিকে মগবাজার চার রাস্তার মোড় থেকে তাদের পদযাত্রা শুরু হয়। সেখান থেকে এফডিসি গেট হয়ে হাতিরঝিল এলাকায় ঘুরে আবারও আশপাশের সড়কে প্রদক্ষিণ করেন তারা। পুরো পথজুড়েই সাউন্ডবক্সে বাজতে থাকে বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ।

এই পদযাত্রায় অংশ নেন অভিনেত্রী মিষ্টি শুভাষ, ইকবাল হোসেনসহ চারজন তরুণ-তরুণী।

৭ই মার্চের ভাষণ বাঙালির চিরঞ্জীব অনুপ্রেরণার মহাকাব্য

শৈশবের স্মৃতি থেকেই এই উদ্যোগ

অভিনেত্রী মিষ্টি শুভাষ জানান, ছোটবেলা থেকেই ৭ মার্চ এলেই চারদিকে মাইকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শোনা যেত। বাসা থেকে বের হলেই রাস্তাঘাট, পাড়া-মহল্লা—সবখানেই বেজে উঠতো সেই ঐতিহাসিক আহ্বান।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ধরে আর সেই পরিচিত দৃশ্য দেখা যায় না, ভাষণও তেমন শোনা যায় না। বিষয়টি তাদের মনে এক ধরনের শূন্যতা আর কষ্ট তৈরি করেছে। সেই অনুভূতি থেকেই কয়েকজন মিলে একটি সাউন্ডবক্স নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েন তারা।

পথে থেমে শুনলেন মানুষ

পদযাত্রার সময় অনেক পথচারী থেমে দাঁড়িয়ে ভাষণটি মন দিয়ে শুনেছেন। কেউ কেউ মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেছেন, আবার কেউ নীরবে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

তরুণ-তরুণীরা বলেন, এটি কোনো বড় আয়োজন ছিল না। বরং বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের প্রতি শ্রদ্ধা আর আবেগ থেকেই তারা এই ছোট উদ্যোগ নিয়েছেন। তাদের বিশ্বাস, ৭ মার্চের সেই ভাষণ আজও মানুষকে অনুপ্রাণিত করে এবং ইতিহাসের স্মৃতিকে নতুন করে মনে করিয়ে দেয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

পথচারীরাও শ্রদ্ধা জানিয়েছে, শুনেছে: ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে মগবাজারে চার তরুণ-তরুণীর পদযাত্রা

০৭:১৪:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

ঢাকার মগবাজারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে এক ভিন্ন আবেগঘন পদযাত্রা করেছেন চার তরুণ-তরুণী। তাদের হাতে ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ছবি। পথে পথে অনেক পথচারী থেমে দাঁড়িয়ে ভাষণ শুনেছেন, কেউ কেউ নীরবে শ্রদ্ধাও জানিয়েছেন।

শনিবার দুপুর ১টার দিকে মগবাজার চার রাস্তার মোড় থেকে তাদের পদযাত্রা শুরু হয়। সেখান থেকে এফডিসি গেট হয়ে হাতিরঝিল এলাকায় ঘুরে আবারও আশপাশের সড়কে প্রদক্ষিণ করেন তারা। পুরো পথজুড়েই সাউন্ডবক্সে বাজতে থাকে বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ।

এই পদযাত্রায় অংশ নেন অভিনেত্রী মিষ্টি শুভাষ, ইকবাল হোসেনসহ চারজন তরুণ-তরুণী।

৭ই মার্চের ভাষণ বাঙালির চিরঞ্জীব অনুপ্রেরণার মহাকাব্য

শৈশবের স্মৃতি থেকেই এই উদ্যোগ

অভিনেত্রী মিষ্টি শুভাষ জানান, ছোটবেলা থেকেই ৭ মার্চ এলেই চারদিকে মাইকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শোনা যেত। বাসা থেকে বের হলেই রাস্তাঘাট, পাড়া-মহল্লা—সবখানেই বেজে উঠতো সেই ঐতিহাসিক আহ্বান।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ধরে আর সেই পরিচিত দৃশ্য দেখা যায় না, ভাষণও তেমন শোনা যায় না। বিষয়টি তাদের মনে এক ধরনের শূন্যতা আর কষ্ট তৈরি করেছে। সেই অনুভূতি থেকেই কয়েকজন মিলে একটি সাউন্ডবক্স নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েন তারা।

পথে থেমে শুনলেন মানুষ

পদযাত্রার সময় অনেক পথচারী থেমে দাঁড়িয়ে ভাষণটি মন দিয়ে শুনেছেন। কেউ কেউ মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেছেন, আবার কেউ নীরবে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

তরুণ-তরুণীরা বলেন, এটি কোনো বড় আয়োজন ছিল না। বরং বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের প্রতি শ্রদ্ধা আর আবেগ থেকেই তারা এই ছোট উদ্যোগ নিয়েছেন। তাদের বিশ্বাস, ৭ মার্চের সেই ভাষণ আজও মানুষকে অনুপ্রাণিত করে এবং ইতিহাসের স্মৃতিকে নতুন করে মনে করিয়ে দেয়।