০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

পরিষ্কার জ্বালানির অগ্রগতি সত্ত্বেও বৈশ্বিক নির্গমন কমছে ধীরগতিতে

নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বাস্তব চিত্র
সর্বশেষ বৈশ্বিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সক্ষমতা দ্রুত বাড়লেও নির্গমন হ্রাস প্রত্যাশিত গতিতে হচ্ছে না। ২০২৫ সালে সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎ স্থাপনে রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে, যার পেছনে কম খরচ ও সরকারি প্রণোদনা ভূমিকা রেখেছে। তবে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গ্যাস ও কয়লার ব্যবহার কমেনি, ফলে সামগ্রিক নির্গমন হ্রাসে বাধা তৈরি হয়েছে।

জ্বালানি নিরাপত্তার দ্বন্দ্ব
অনেক দেশ এখন নির্গমন কমানো ও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য খুঁজছে। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও মূল্য অস্থিরতা কিছু সরকারকে স্বল্পমেয়াদে নিজস্ব জ্বালানি উৎপাদনে জোর দিতে বাধ্য করছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, সঠিক রূপান্তর পরিকল্পনা ছাড়া এই অবকাঠামো ভবিষ্যতে উচ্চ নির্গমন আটকে দিতে পারে।

সমাধানের দিকনির্দেশ
বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রিড উন্নয়ন, শক্তি সঞ্চয় ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে দ্রুত বিনিয়োগ জরুরি। নিম্নআয়ের দেশগুলোতে অর্থায়ন ও নীতিগত সমন্বয় না বাড়লে বৈশ্বিক জলবায়ু লক্ষ্য আরও ঝুঁকিতে পড়বে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

পরিষ্কার জ্বালানির অগ্রগতি সত্ত্বেও বৈশ্বিক নির্গমন কমছে ধীরগতিতে

০৭:০০:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫

নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বাস্তব চিত্র
সর্বশেষ বৈশ্বিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, নবায়নযোগ্য জ্বালানির সক্ষমতা দ্রুত বাড়লেও নির্গমন হ্রাস প্রত্যাশিত গতিতে হচ্ছে না। ২০২৫ সালে সৌর ও বায়ু বিদ্যুৎ স্থাপনে রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে, যার পেছনে কম খরচ ও সরকারি প্রণোদনা ভূমিকা রেখেছে। তবে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গ্যাস ও কয়লার ব্যবহার কমেনি, ফলে সামগ্রিক নির্গমন হ্রাসে বাধা তৈরি হয়েছে।

জ্বালানি নিরাপত্তার দ্বন্দ্ব
অনেক দেশ এখন নির্গমন কমানো ও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য খুঁজছে। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও মূল্য অস্থিরতা কিছু সরকারকে স্বল্পমেয়াদে নিজস্ব জ্বালানি উৎপাদনে জোর দিতে বাধ্য করছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, সঠিক রূপান্তর পরিকল্পনা ছাড়া এই অবকাঠামো ভবিষ্যতে উচ্চ নির্গমন আটকে দিতে পারে।

সমাধানের দিকনির্দেশ
বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রিড উন্নয়ন, শক্তি সঞ্চয় ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে দ্রুত বিনিয়োগ জরুরি। নিম্নআয়ের দেশগুলোতে অর্থায়ন ও নীতিগত সমন্বয় না বাড়লে বৈশ্বিক জলবায়ু লক্ষ্য আরও ঝুঁকিতে পড়বে।