অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিতে উৎপাদিত পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে বসতি সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে চাপ বাড়ানো এবং দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের প্রতি নতুন করে সমর্থন জানাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
একজন জ্যেষ্ঠ ব্রিটিশ মন্ত্রী জানিয়েছেন, মঙ্গলবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে এই বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করবেন। এর আগে পশ্চিম তীরে সহিংসতার অর্থায়ন, সহায়তা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত কয়েকটি ইসরায়েলি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল যুক্তরাজ্য।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র প্রতিক্রিয়া
ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ এই সিদ্ধান্তকে গুরুতর ভুল বলে মন্তব্য করেছেন। অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ তেল আবিব থেকে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের আহ্বান জানিয়েছেন।
ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবিও পরিকল্পনার সমালোচনা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে ইসরায়েলকে বয়কটকারী প্রতিষ্ঠানের সরকারি চুক্তি বা বিনিয়োগে অংশগ্রহণ সীমিত করার আইন থাকায় ব্রিটিশ ব্যবসার ওপরও পরোক্ষ প্রভাব পড়তে পারে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।
ই-১ বসতি প্রকল্প নিয়ে উদ্বেগ
সাম্প্রতিক উদ্বেগের কেন্দ্রে রয়েছে জেরুজালেমের কাছে প্রস্তাবিত ই-১ বসতি প্রকল্প। প্রকল্পটি ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য নির্ধারিত ভূখণ্ডের ধারাবাহিকতা ভেঙে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশ।
বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের বড় অংশ কৃষিপণ্য, তাজা ফলমূল ও মদ। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের তুলনায় এর পরিমাণ খুবই কম। তবে পণ্যের উৎপত্তিস্থল শনাক্ত করে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা যুক্তরাজ্যের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। স্পেন, আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসও একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে, যদিও সব নিষেধাজ্ঞা এখনো কার্যকর হয়নি।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















