০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহে সিদ্ধান্ত হয়নি, কেবল জমি বরাদ্দ: ফৌজুল কবির

প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহ বা নির্দিষ্ট কোনো দেশ থেকে অস্ত্র কেনার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফৌজুল কবির খান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সাম্প্রতিক উদ্যোগের মূল বিষয়টি কেবল সম্ভাব্য স্থানীয় উৎপাদনের জন্য জমি বরাদ্দ, এর বেশি কিছু নয়।

মঙ্গলবার অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবেই প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহ করে আসছে। এ ক্ষেত্রে নতুন কোনো পরিবর্তন হয়নি।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তকে কোনো নির্দিষ্ট দেশ থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার অঙ্গীকার হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। এখানে একমাত্র পার্থক্য হলো, স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদনের সুযোগ তৈরির জন্য জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুতের দাম বাড়বে না: জ্বালানি উপদেষ্টা

প্রতিরক্ষা শিল্পাঞ্চল নিয়ে বিভ্রান্তি

প্রতিরক্ষা শিল্পাঞ্চল স্থাপন ও পাকিস্তান বা অন্য কোনো দেশ থেকে যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাবনা নিয়ে যে আলোচনা চলছে, সে বিষয়ে ফৌজুল কবির বলেন, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। পাকিস্তান, তুরস্ক, চীন বা অন্য কোনো দেশের সহায়তায় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের বিষয়েও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেই।

তিনি জানান, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের বৈঠকে তিনি নিজে উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে কেবল প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের জন্য জমি বরাদ্দের সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছে, অন্য কিছু নয়।

ব্যয় কমানোর প্রশ্নে নীরবতা

দেশে দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি সংকট এবং বিভিন্ন খাতে ব্যয়বহুল আমদানির প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ প্রতিরক্ষা ব্যয় কমাতে সহায়ক হবে কি না—এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দিতে চাননি উপদেষ্টা। তিনি বলেন, যেসব বিষয়ে তার কাছে তথ্য নেই, সে বিষয়ে মন্তব্য করতে চান না।

জ্বালানির মূল্য পরিশোধের চাপ মাথায় নিয়ে আমার দিন শুরু হয়: ফাওজুল কবির

ফৌজুল কবির পুনর্ব্যক্ত করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে যুদ্ধবিমান, ড্রোন বা অন্য কোনো প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের তাৎক্ষণিক পরিকল্পনার ইঙ্গিত পাওয়া যায় না এবং এতে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহ নীতিতে কোনো পরিবর্তনের সংকেতও নেই।

ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া

তিনি জানান, প্রতিরক্ষা উৎপাদন, উৎস নির্ধারণ বা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে ভবিষ্যতে কোনো সিদ্ধান্ত হলে তা যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নেওয়া হবে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

এদিকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে দেশের প্রথম প্রতিরক্ষা শিল্পাঞ্চল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিদেশি সেবা একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন জানান, প্রায় আটশ পঞ্চাশ একর জমিতে এই শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হবে, যেখানে দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি রপ্তানির জন্য সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহে সিদ্ধান্ত হয়নি, কেবল জমি বরাদ্দ: ফৌজুল কবির

০৮:১৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহ বা নির্দিষ্ট কোনো দেশ থেকে অস্ত্র কেনার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফৌজুল কবির খান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সাম্প্রতিক উদ্যোগের মূল বিষয়টি কেবল সম্ভাব্য স্থানীয় উৎপাদনের জন্য জমি বরাদ্দ, এর বেশি কিছু নয়।

মঙ্গলবার অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবেই প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহ করে আসছে। এ ক্ষেত্রে নতুন কোনো পরিবর্তন হয়নি।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তকে কোনো নির্দিষ্ট দেশ থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার অঙ্গীকার হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। এখানে একমাত্র পার্থক্য হলো, স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদনের সুযোগ তৈরির জন্য জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুতের দাম বাড়বে না: জ্বালানি উপদেষ্টা

প্রতিরক্ষা শিল্পাঞ্চল নিয়ে বিভ্রান্তি

প্রতিরক্ষা শিল্পাঞ্চল স্থাপন ও পাকিস্তান বা অন্য কোনো দেশ থেকে যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাবনা নিয়ে যে আলোচনা চলছে, সে বিষয়ে ফৌজুল কবির বলেন, এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। পাকিস্তান, তুরস্ক, চীন বা অন্য কোনো দেশের সহায়তায় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের বিষয়েও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেই।

তিনি জানান, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের বৈঠকে তিনি নিজে উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে কেবল প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের জন্য জমি বরাদ্দের সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়েছে, অন্য কিছু নয়।

ব্যয় কমানোর প্রশ্নে নীরবতা

দেশে দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি সংকট এবং বিভিন্ন খাতে ব্যয়বহুল আমদানির প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ প্রতিরক্ষা ব্যয় কমাতে সহায়ক হবে কি না—এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দিতে চাননি উপদেষ্টা। তিনি বলেন, যেসব বিষয়ে তার কাছে তথ্য নেই, সে বিষয়ে মন্তব্য করতে চান না।

জ্বালানির মূল্য পরিশোধের চাপ মাথায় নিয়ে আমার দিন শুরু হয়: ফাওজুল কবির

ফৌজুল কবির পুনর্ব্যক্ত করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে যুদ্ধবিমান, ড্রোন বা অন্য কোনো প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের তাৎক্ষণিক পরিকল্পনার ইঙ্গিত পাওয়া যায় না এবং এতে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহ নীতিতে কোনো পরিবর্তনের সংকেতও নেই।

ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া

তিনি জানান, প্রতিরক্ষা উৎপাদন, উৎস নির্ধারণ বা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে ভবিষ্যতে কোনো সিদ্ধান্ত হলে তা যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নেওয়া হবে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

এদিকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে দেশের প্রথম প্রতিরক্ষা শিল্পাঞ্চল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিদেশি সেবা একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন জানান, প্রায় আটশ পঞ্চাশ একর জমিতে এই শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হবে, যেখানে দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি রপ্তানির জন্য সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে।