০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমকে শত্রু করতে চান না: নোয়াব সভাপতি

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তিনি কোনো সাংবাদিক বা গণমাধ্যমকে শত্রুতে পরিণত করতে চান না। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াবের সভাপতি ও মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী।

তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কারভাবে বলেছেন, কাউকে শত্রুতে পরিণত করার ইচ্ছা তার নেই। তার মতে, রাষ্ট্র বা সরকারের কোনো প্রধানের কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য আগে শোনা যায়নি, যা একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।

প্রেসের স্বাধীনতা ও শিল্পের সংকট নিয়ে আলোচনা
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নোয়াবের সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে ছিল সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং পত্রিকা শিল্পের বর্তমান চ্যালেঞ্জ।

মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, তারা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন যে তিনি উদার গণতন্ত্রের পথে এগোচ্ছেন, যা দেশের জন্য ইতিবাচক। তিনি আরও বলেন, সরকার এই পথ ধরে এগোলে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম তার পাশে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াবের বৈঠক

 

অর্থনৈতিক চাপে গণমাধ্যম
তিনি তুলে ধরেন যে গণমাধ্যম শিল্প বর্তমানে বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপে রয়েছে, যা এর টিকে থাকা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করছে। এসব বিষয় তারা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন।

তার ভাষায়, প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে সব কথা শুনেছেন এবং আন্তরিকভাবে আলোচনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও দীর্ঘদিন একটি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, ফলে এই খাতের সমস্যাগুলো তিনি ভালোভাবেই বোঝেন।

দাবি-দাওয়ার বিষয়ে আশ্বাস
মতিউর রহমান চৌধুরী জানান, নোয়াবের বেশ কিছু দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন, যদিও বাস্তবায়নে সময় লাগতে পারে। অতীতে গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপগুলোর কথাও তাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তিনি জানিয়েছেন, তার সরকার সেই পথে হাঁটবে না।

নোয়াব সভাপতি হলেন মতিউর রহমান চৌধুরী

সাংবাদিকদের হয়রানি প্রসঙ্গ
বৈঠকে সাংবাদিকদের হয়রানি, মামলা ও আটক থাকার বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, কোনো সাংবাদিক অযৌক্তিকভাবে কারাগারে আছেন কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনে জামিনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

নিয়মিত সংলাপের প্রতিশ্রুতি
মতিউর রহমান চৌধুরী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী অন্তত প্রতি তিন মাসে একবার এ ধরনের বৈঠক করার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন, যা গণমাধ্যম ও সরকারের মধ্যে সংলাপ বাড়াতে সহায়ক হবে।

বৈঠকে উপস্থিতি
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন নোয়াবের বিদায়ী সভাপতি ও সমকাল সম্পাদক এ কে আজাদ, প্রথম আলো সম্পাদক ও প্রকাশক মতিউর রহমান, ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম, বণিক বার্তা সম্পাদক ও প্রকাশক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ এবং ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস প্রকাশক নাসিম মনজুরসহ অন্যরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমকে শত্রু করতে চান না: নোয়াব সভাপতি

০৭:৫১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তিনি কোনো সাংবাদিক বা গণমাধ্যমকে শত্রুতে পরিণত করতে চান না। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াবের সভাপতি ও মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী।

তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কারভাবে বলেছেন, কাউকে শত্রুতে পরিণত করার ইচ্ছা তার নেই। তার মতে, রাষ্ট্র বা সরকারের কোনো প্রধানের কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য আগে শোনা যায়নি, যা একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।

প্রেসের স্বাধীনতা ও শিল্পের সংকট নিয়ে আলোচনা
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নোয়াবের সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে ছিল সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং পত্রিকা শিল্পের বর্তমান চ্যালেঞ্জ।

মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, তারা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন যে তিনি উদার গণতন্ত্রের পথে এগোচ্ছেন, যা দেশের জন্য ইতিবাচক। তিনি আরও বলেন, সরকার এই পথ ধরে এগোলে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যম তার পাশে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নোয়াবের বৈঠক

 

অর্থনৈতিক চাপে গণমাধ্যম
তিনি তুলে ধরেন যে গণমাধ্যম শিল্প বর্তমানে বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপে রয়েছে, যা এর টিকে থাকা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করছে। এসব বিষয় তারা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন।

তার ভাষায়, প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে সব কথা শুনেছেন এবং আন্তরিকভাবে আলোচনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও দীর্ঘদিন একটি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, ফলে এই খাতের সমস্যাগুলো তিনি ভালোভাবেই বোঝেন।

দাবি-দাওয়ার বিষয়ে আশ্বাস
মতিউর রহমান চৌধুরী জানান, নোয়াবের বেশ কিছু দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন, যদিও বাস্তবায়নে সময় লাগতে পারে। অতীতে গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপগুলোর কথাও তাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তিনি জানিয়েছেন, তার সরকার সেই পথে হাঁটবে না।

নোয়াব সভাপতি হলেন মতিউর রহমান চৌধুরী

সাংবাদিকদের হয়রানি প্রসঙ্গ
বৈঠকে সাংবাদিকদের হয়রানি, মামলা ও আটক থাকার বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, কোনো সাংবাদিক অযৌক্তিকভাবে কারাগারে আছেন কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনে জামিনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

নিয়মিত সংলাপের প্রতিশ্রুতি
মতিউর রহমান চৌধুরী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী অন্তত প্রতি তিন মাসে একবার এ ধরনের বৈঠক করার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন, যা গণমাধ্যম ও সরকারের মধ্যে সংলাপ বাড়াতে সহায়ক হবে।

বৈঠকে উপস্থিতি
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন নোয়াবের বিদায়ী সভাপতি ও সমকাল সম্পাদক এ কে আজাদ, প্রথম আলো সম্পাদক ও প্রকাশক মতিউর রহমান, ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম, বণিক বার্তা সম্পাদক ও প্রকাশক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ এবং ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস প্রকাশক নাসিম মনজুরসহ অন্যরা।