০২:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ফুলবাড়ীর ১০৯ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭২টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী শূন্য ৮০টিতে

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৫৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 107

প্রদীপ কুমার মজুমদার

দশ হাজার বা ততোধিক সংখ্যা লিখতে গিয়ে তাঁরা যে কোন সংখ্যার সঙ্গে M যুক্ত করতেন ফলে এর শক্তি দশহাজার গুণ বেশী হ’ত। যেমন ধরা যাক M বা Mr -৩০,০০০ অবশ্য গ্রীকেরা এ পদ্ধতি প্রথম থেকে ব্যবহার করতেন না। কারণ প্রথমে তাদের বর্ণসংখ্যা ২৪টি থাকায় তাঁরা বর্ণমালার আদ্যাক্ষর একে ২৪ এর প্রতীকরূপে ব্যবহার করতেন।

‘যেমন ২৪-২৪+১=৩৩ অবশ্য পদ্ধতি ত্রুটিযুক্ত ছিল কারণ ২০-১৯-১০ হতে পারে। গ্রীকদের মত হিত্রগণ ও আরবজাতি বর্ণমালার সাহায্যে সংখ্যা খ্যাপন করতেন। যাই হোক এবার ভারতীয় পদ্ধতিতে অক্ষর সংখ্যা প্রণালীর ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা যাক।

ভারতীয় ৪২টি বর্ণমালাকে ২টী প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩টা ব্যঞ্জনবর্ণ ও ১টা স্বরবর্ণ। বিখ্যাত গণিতবিদ প্রথম আর্যভটের মতে অসম্পৃক্ত ব্যজনবর্ণে অঙ্ক খ্যাপন শক্তি এইরূপ-

আর্যভট (১ম) বলেছেন ‘দীর্ঘ স্বরবর্ণ এবং হ্রস্ব স্বরবর্ণকে সমশক্তি বলে ধরা হবে। অসম্পৃক্ত স্বরবর্ণের সংখ্যা। গ্যাপনের অধিকার নেই। এরা শুধু অঙ্কস্থান এবং বর্গ ও অবর্গ স্থান নির্দেশের জন্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

(চলবে) 

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৫)

০৩:৫৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

দশ হাজার বা ততোধিক সংখ্যা লিখতে গিয়ে তাঁরা যে কোন সংখ্যার সঙ্গে M যুক্ত করতেন ফলে এর শক্তি দশহাজার গুণ বেশী হ’ত। যেমন ধরা যাক M বা Mr -৩০,০০০ অবশ্য গ্রীকেরা এ পদ্ধতি প্রথম থেকে ব্যবহার করতেন না। কারণ প্রথমে তাদের বর্ণসংখ্যা ২৪টি থাকায় তাঁরা বর্ণমালার আদ্যাক্ষর একে ২৪ এর প্রতীকরূপে ব্যবহার করতেন।

‘যেমন ২৪-২৪+১=৩৩ অবশ্য পদ্ধতি ত্রুটিযুক্ত ছিল কারণ ২০-১৯-১০ হতে পারে। গ্রীকদের মত হিত্রগণ ও আরবজাতি বর্ণমালার সাহায্যে সংখ্যা খ্যাপন করতেন। যাই হোক এবার ভারতীয় পদ্ধতিতে অক্ষর সংখ্যা প্রণালীর ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা যাক।

ভারতীয় ৪২টি বর্ণমালাকে ২টী প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩টা ব্যঞ্জনবর্ণ ও ১টা স্বরবর্ণ। বিখ্যাত গণিতবিদ প্রথম আর্যভটের মতে অসম্পৃক্ত ব্যজনবর্ণে অঙ্ক খ্যাপন শক্তি এইরূপ-

আর্যভট (১ম) বলেছেন ‘দীর্ঘ স্বরবর্ণ এবং হ্রস্ব স্বরবর্ণকে সমশক্তি বলে ধরা হবে। অসম্পৃক্ত স্বরবর্ণের সংখ্যা। গ্যাপনের অধিকার নেই। এরা শুধু অঙ্কস্থান এবং বর্গ ও অবর্গ স্থান নির্দেশের জন্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

(চলবে) 

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৯৪)