০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা, সড়ক অবরোধ সরাতে সেনা ও বুলডোজার মোতায়েন

ছয় সপ্তাহ ধরে চলা সড়ক অবরোধ পরিস্থিতি সামলাতে বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা জারি করেছেন প্রেসিডেন্ট। অবরোধ তুলে দিতে দেশজুড়ে সেনা ও বুলডোজার মোতায়েন করা হয়েছে, যার ফলে দেশটিতে জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

ছয় সপ্তাহের বিক্ষোভ ও অবরোধ

ট্রেড ইউনিয়ন, আদিবাসী গোষ্ঠী এবং কোকা চাষিরা টানা ছয় সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দেশজুড়ে বিভিন্ন শহরে মিছিল করছেন এবং রাস্তায় ইট, কাঠ ও আবর্জনা ফেলে সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। তাদের দাবি, বর্তমান রক্ষণশীল সরকারের বিরুদ্ধে। এই অবরোধের ফলে বলিভিয়ার অর্থনীতির বিপুল পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে এবং দেশটির প্রধান শহরগুলোতে জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধের তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে।

সরকারের কঠোর পদক্ষেপ

পরিস্থিতি সামাল দিতে শনিবার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট। একইসঙ্গে অবরোধ সরিয়ে ফেলতে সেনাবাহিনী ও বুলডোজার নামানো হয়। এই বিক্ষোভ বলিভিয়ার গত দুই দশকের মধ্যে প্রথম অ-সমাজতান্ত্রিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার হুমকি দিচ্ছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।

অর্থনীতির ওপর প্রভাব

দীর্ঘস্থায়ী এই অবরোধের কারণে বলিভিয়ার মূল শহরগুলোতে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় পরিবহন ব্যবস্থা কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে, আর খাদ্যপণ্যের ঘাটতির কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই রাজনৈতিক অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশটির অর্থনীতিতে আরও গভীর সংকট দেখা দিতে পারে।

আদিবাসী সম্প্রদায় ও কোকা চাষিদের ক্ষোভ মূলত সরকারের অর্থনৈতিক নীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে। বিক্ষোভকারীরা দাবি করছেন, বর্তমান সরকার তাদের স্বার্থ উপেক্ষা করে নীতিনির্ধারণ করছে। অন্যদিকে সরকার বলছে, অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া অপরিহার্য। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, বলিভিয়ার এই সংকট লাতিন আমেরিকার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা, সড়ক অবরোধ সরাতে সেনা ও বুলডোজার মোতায়েন

০৪:৪৮:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

ছয় সপ্তাহ ধরে চলা সড়ক অবরোধ পরিস্থিতি সামলাতে বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা জারি করেছেন প্রেসিডেন্ট। অবরোধ তুলে দিতে দেশজুড়ে সেনা ও বুলডোজার মোতায়েন করা হয়েছে, যার ফলে দেশটিতে জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

ছয় সপ্তাহের বিক্ষোভ ও অবরোধ

ট্রেড ইউনিয়ন, আদিবাসী গোষ্ঠী এবং কোকা চাষিরা টানা ছয় সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দেশজুড়ে বিভিন্ন শহরে মিছিল করছেন এবং রাস্তায় ইট, কাঠ ও আবর্জনা ফেলে সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। তাদের দাবি, বর্তমান রক্ষণশীল সরকারের বিরুদ্ধে। এই অবরোধের ফলে বলিভিয়ার অর্থনীতির বিপুল পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে এবং দেশটির প্রধান শহরগুলোতে জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধের তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে।

সরকারের কঠোর পদক্ষেপ

পরিস্থিতি সামাল দিতে শনিবার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট। একইসঙ্গে অবরোধ সরিয়ে ফেলতে সেনাবাহিনী ও বুলডোজার নামানো হয়। এই বিক্ষোভ বলিভিয়ার গত দুই দশকের মধ্যে প্রথম অ-সমাজতান্ত্রিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার হুমকি দিচ্ছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।

অর্থনীতির ওপর প্রভাব

দীর্ঘস্থায়ী এই অবরোধের কারণে বলিভিয়ার মূল শহরগুলোতে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ থাকায় পরিবহন ব্যবস্থা কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে, আর খাদ্যপণ্যের ঘাটতির কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই রাজনৈতিক অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশটির অর্থনীতিতে আরও গভীর সংকট দেখা দিতে পারে।

আদিবাসী সম্প্রদায় ও কোকা চাষিদের ক্ষোভ মূলত সরকারের অর্থনৈতিক নীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে। বিক্ষোভকারীরা দাবি করছেন, বর্তমান সরকার তাদের স্বার্থ উপেক্ষা করে নীতিনির্ধারণ করছে। অন্যদিকে সরকার বলছে, অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া অপরিহার্য। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, বলিভিয়ার এই সংকট লাতিন আমেরিকার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।