০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

বাংলার শাক (পর্ব-৩০)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 141

ওলকোঁড়া/ওল
Amorphophallus campanulatus (Araceae)

এই কন্দটি ডাঙা জমিতে চাষ করা হয়। এটা গুল্ম জাতীয় গাছ। বর্ষাকালে শুরুর দিকে এর কন্দ লাগাতে হয়। ওল গাছের একটাই কান্ড হয়।

বুনো ওলের কান্ড, যার পাতা ছড়ায়নি, গোটানো অবস্থায় আছে, এই রকম গাছের ডাঁটা ও ডগা খাওয়া হয়। এটা খেতেও নরম। পাতাটা ছড়িয়ে ছাতার মত হলে গাছটা পেকে যায়। সেটা খাওয়া যায়না কারণ ভালো সেদ্ধ হয় না। ভালোভাবে রান্না করলে খেতে সুস্বাদু। এতে সর্দি, অর্শ, বাত, বেদনা, চোখের রোগ আদি ভালো হয়। মৌমাছি, বোলতা, ভীমরুল বা বিছা কামড়ালে ওলের ডাঁটার রস কামড়ানোর জায়গা লাগালে যন্ত্রণা কম হয়।

এটি দুই রকমের হয়। বুনো আর ভালো ওল। বুনো ওল নিজে থেকে বনে জঙ্গলে হয়। ভালোটা চাষ করতে হয়। চাষের ওলের কন্দ সেদ্ধ করে মেখে বা ঝোল করেও খাওয়া হয়। বুনো ওলের কন্দে গলা চুলকায়।

(চলবে)

বাংলার শাক (পর্ব-২৯)

বাংলার শাক (পর্ব-২৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

বাংলার শাক (পর্ব-৩০)

০৯:০০:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪

ওলকোঁড়া/ওল
Amorphophallus campanulatus (Araceae)

এই কন্দটি ডাঙা জমিতে চাষ করা হয়। এটা গুল্ম জাতীয় গাছ। বর্ষাকালে শুরুর দিকে এর কন্দ লাগাতে হয়। ওল গাছের একটাই কান্ড হয়।

বুনো ওলের কান্ড, যার পাতা ছড়ায়নি, গোটানো অবস্থায় আছে, এই রকম গাছের ডাঁটা ও ডগা খাওয়া হয়। এটা খেতেও নরম। পাতাটা ছড়িয়ে ছাতার মত হলে গাছটা পেকে যায়। সেটা খাওয়া যায়না কারণ ভালো সেদ্ধ হয় না। ভালোভাবে রান্না করলে খেতে সুস্বাদু। এতে সর্দি, অর্শ, বাত, বেদনা, চোখের রোগ আদি ভালো হয়। মৌমাছি, বোলতা, ভীমরুল বা বিছা কামড়ালে ওলের ডাঁটার রস কামড়ানোর জায়গা লাগালে যন্ত্রণা কম হয়।

এটি দুই রকমের হয়। বুনো আর ভালো ওল। বুনো ওল নিজে থেকে বনে জঙ্গলে হয়। ভালোটা চাষ করতে হয়। চাষের ওলের কন্দ সেদ্ধ করে মেখে বা ঝোল করেও খাওয়া হয়। বুনো ওলের কন্দে গলা চুলকায়।

(চলবে)

বাংলার শাক (পর্ব-২৯)

বাংলার শাক (পর্ব-২৯)