০৮:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘে পাকিস্তানের দাবি, সন্ত্রাসবিরোধী কাঠামোয় ফাঁক বন্ধ হোক ছয় বছর পর নিজের দেশে ফিরে বুঝলেন, আসলেই কি ‘বাড়ি’ বদলে গেছে? চীনে তৈরি হচ্ছে নতুন ‘অবসর শ্রেণি’, কাজের চেয়ে জীবন উপভোগে আগ্রহী মধ্যবিত্ত ব্রিকসে এআই মুক্ত উৎস অঞ্চলের প্রস্তাব দিলেন সি চিনপিং মিয়ানমারের জাতিসংঘ দূতের বিরুদ্ধে ইন্টারপোল ওয়ারেন্ট চাইছে জান্তা ভানুয়াতুতে ফেরি ডুবে নিখোঁজ ৩০, উঠছে অতিরিক্ত বোঝাইয়ের প্রশ্ন ব্যাটারি চালিত রিক্সার জন্য ব্যয় হয় মাত্র ৫% বিদ্যুৎ হোটেলের কক্ষে মিলল এয়ার ইন্ডিয়ার ক্যাপ্টেনের মরদেহ, ভেতর থেকে বন্ধ ছিল দরজা ‘বারবার মামলা না দিয়ে আমাকে গুলি করে মেরে ফেলেন’, আদালতে মিষ্টি সুভাষ হুথিদের দখলে কৌশলগত দ্বীপ, বাব আল-মান্দাব ঘিরে বাড়ছে জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি

‘বারবার মামলা না দিয়ে আমাকে গুলি করে মেরে ফেলেন’, আদালতে মিষ্টি সুভাষ

এক মামলায় জামিন পাওয়ার পর কারামুক্তির প্রক্রিয়া চলছিল অভিনেত্রী ও মডেল এবং বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোটের নেত্রী শিমু আক্তার বৃষ্টি ওরফে মিষ্টি সুভাষের। এর মধ্যেই ঢাকার আশুলিয়া থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজুল ইসলাম সোহাগের আদালতে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানি শেষে মিষ্টি সুভাষকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দেন আদালত।

আদালতে অসুস্থ হয়ে পড়েন মিষ্টি সুভাষ

কারাগার থেকে এদিন মিষ্টি সুভাষকে আদালতে হাজির করা হয়। দুপুর ১২টার পর তাকে কাঠগড়ায় নেওয়ার জন্য হাজতখানা থেকে বের করা হলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। মাথা ঘুরে মাটিতে পড়ে গেলে পুলিশ সদস্যরা তাকে ধরে আবার হাজতখানায় নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর সুস্থ বোধ করলে তাকে পুনরায় আদালতের কাঠগড়ায় নেওয়া হয়।

শুনানির একপর্যায়ে আদালতের কাছে কথা বলার অনুমতি চান মিষ্টি সুভাষ। অনুমতি পেয়ে নিজের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দেওয়ার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

বিচারকের উদ্দেশে মিষ্টি সুভাষ বলেন, “আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে গিয়েছি। এটা তো কোনো অপরাধ হতে পারে না। আমাকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে। জামিন পেলেই আমাকে একের পর এক মামলা দেওয়া হচ্ছে। আমি তো কোনো অন্যায় করিনি। বারবার মামলা না দিয়ে আমাকে গুলি করে মেরে ফেলেন।”

আইনজীবীর আবেদন নাকচ, কারাগারে পাঠানোর আদেশ

মামলাটিতে মিষ্টি সুভাষকে গ্রেপ্তার না দেখানোর আবেদন করেন তার আইনজীবী গোলাম রাব্বানী। তবে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৬ মার্চ জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে যাওয়ার সময় মিষ্টি সুভাষকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে চারটি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন।

কারামুক্তির প্রক্রিয়ার মধ্যেই নতুন মামলা

চার মামলায় জামিন পাওয়ার পর কারামুক্তির প্রক্রিয়া চলছিল মিষ্টি সুভাষের। সেই সময়ই আশুলিয়া থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর উদ্যোগ নেয় পুলিশ।

গত ৯ সেপ্টেম্বর মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আতোয়ার রহমান কারাগারে থাকা মিষ্টি সুভাষকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত আবেদনটি আমলে নিয়ে তার উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ১৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন।

নির্ধারিত দিনে শুনানি শেষে আদালত তাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দেন এবং কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে পাকিস্তানের দাবি, সন্ত্রাসবিরোধী কাঠামোয় ফাঁক বন্ধ হোক

‘বারবার মামলা না দিয়ে আমাকে গুলি করে মেরে ফেলেন’, আদালতে মিষ্টি সুভাষ

০৭:২৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এক মামলায় জামিন পাওয়ার পর কারামুক্তির প্রক্রিয়া চলছিল অভিনেত্রী ও মডেল এবং বঙ্গমাতা সাংস্কৃতিক জোটের নেত্রী শিমু আক্তার বৃষ্টি ওরফে মিষ্টি সুভাষের। এর মধ্যেই ঢাকার আশুলিয়া থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজুল ইসলাম সোহাগের আদালতে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানি শেষে মিষ্টি সুভাষকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দেন আদালত।

আদালতে অসুস্থ হয়ে পড়েন মিষ্টি সুভাষ

কারাগার থেকে এদিন মিষ্টি সুভাষকে আদালতে হাজির করা হয়। দুপুর ১২টার পর তাকে কাঠগড়ায় নেওয়ার জন্য হাজতখানা থেকে বের করা হলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। মাথা ঘুরে মাটিতে পড়ে গেলে পুলিশ সদস্যরা তাকে ধরে আবার হাজতখানায় নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর সুস্থ বোধ করলে তাকে পুনরায় আদালতের কাঠগড়ায় নেওয়া হয়।

শুনানির একপর্যায়ে আদালতের কাছে কথা বলার অনুমতি চান মিষ্টি সুভাষ। অনুমতি পেয়ে নিজের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দেওয়ার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

বিচারকের উদ্দেশে মিষ্টি সুভাষ বলেন, “আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে গিয়েছি। এটা তো কোনো অপরাধ হতে পারে না। আমাকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে। জামিন পেলেই আমাকে একের পর এক মামলা দেওয়া হচ্ছে। আমি তো কোনো অন্যায় করিনি। বারবার মামলা না দিয়ে আমাকে গুলি করে মেরে ফেলেন।”

আইনজীবীর আবেদন নাকচ, কারাগারে পাঠানোর আদেশ

মামলাটিতে মিষ্টি সুভাষকে গ্রেপ্তার না দেখানোর আবেদন করেন তার আইনজীবী গোলাম রাব্বানী। তবে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৬ মার্চ জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে যাওয়ার সময় মিষ্টি সুভাষকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে চারটি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন।

কারামুক্তির প্রক্রিয়ার মধ্যেই নতুন মামলা

চার মামলায় জামিন পাওয়ার পর কারামুক্তির প্রক্রিয়া চলছিল মিষ্টি সুভাষের। সেই সময়ই আশুলিয়া থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর উদ্যোগ নেয় পুলিশ।

গত ৯ সেপ্টেম্বর মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আতোয়ার রহমান কারাগারে থাকা মিষ্টি সুভাষকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত আবেদনটি আমলে নিয়ে তার উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ১৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন।

নির্ধারিত দিনে শুনানি শেষে আদালত তাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর অনুমতি দেন এবং কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।