০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ফুলবাড়ীর ১০৯ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭২টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী শূন্য ৮০টিতে

বড় টেকের চাপের মুখে ইইউ এইআই আইন বাস্তবায়ন বিলম্বে বিবেচনায়

ইউরোপীয় কমিশন তাদের ঐতিহাসিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আইনের বাস্তবায়নের সময়সীমা এক বছর পিছিয়ে দেওয়ার চিন্তা করছে। ২০২৬ সাল থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বলছে সময়সীমা খুবই কম এবং এটি উদ্ভাবনে বাধা সৃষ্টি করবে।

এইআই অ্যাক্ট ২০২৪ সালে পাস হয়েছিল এবং এটি বিশ্বের প্রথম ব্যাপক নিয়ন্ত্রণ কাঠামো হিসেবে পরিচিত। তবে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ ধারাগুলো নিয়ে ব্যবসায়িক চাপের কারণে ইইউ নতুন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, সময়সীমা পিছিয়ে দিলে নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা ক্ষুণ্ন হতে পারে। অন্যদিকে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো মনে করছে, একটি “গ্রেস পিরিয়ড” উদ্ভাবন ও নিরাপত্তার ভারসাম্য রাখতে সহায়ক হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপ এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নীতি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে, যেখানে এখনো স্বেচ্ছামূলক নির্দেশনার উপরই বেশি জোর দেওয়া হয়। নভেম্বরের মাঝামাঝি এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ

বড় টেকের চাপের মুখে ইইউ এইআই আইন বাস্তবায়ন বিলম্বে বিবেচনায়

০৬:৩৪:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

ইউরোপীয় কমিশন তাদের ঐতিহাসিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আইনের বাস্তবায়নের সময়সীমা এক বছর পিছিয়ে দেওয়ার চিন্তা করছে। ২০২৬ সাল থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বলছে সময়সীমা খুবই কম এবং এটি উদ্ভাবনে বাধা সৃষ্টি করবে।

এইআই অ্যাক্ট ২০২৪ সালে পাস হয়েছিল এবং এটি বিশ্বের প্রথম ব্যাপক নিয়ন্ত্রণ কাঠামো হিসেবে পরিচিত। তবে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ ধারাগুলো নিয়ে ব্যবসায়িক চাপের কারণে ইইউ নতুন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, সময়সীমা পিছিয়ে দিলে নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা ক্ষুণ্ন হতে পারে। অন্যদিকে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো মনে করছে, একটি “গ্রেস পিরিয়ড” উদ্ভাবন ও নিরাপত্তার ভারসাম্য রাখতে সহায়ক হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপ এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নীতি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে, যেখানে এখনো স্বেচ্ছামূলক নির্দেশনার উপরই বেশি জোর দেওয়া হয়। নভেম্বরের মাঝামাঝি এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।