০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

ভারতের বিশ্বস্ত জ্বালানি অংশীদার সংযুক্ত আরব আমিরাত: সুলতান আল জাবের

বিশ্বজুড়ে জ্বালানির চাহিদা বাড়ছে। এই বাস্তবতায় দীর্ঘমেয়াদি, নির্ভরযোগ্য অংশীদারিত্বই এখন সবচেয়ে জরুরি—এমন বার্তা দিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের শিল্প ও উন্নত প্রযুক্তিমন্ত্রী এবং আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও গ্রুপ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. সুলতান আল জাবের। মঙ্গলবার ইন্ডিয়া এনার্জি উইক ২০২৬–এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, আজকের বিশ্বে স্থির থাকা মানেই পিছিয়ে পড়া।

ড. আল জাবের সতর্ক করে বলেন, জ্বালানি খাতে অতিরিক্ত সরবরাহ নয়, বরং বিনিয়োগের ঘাটতিই বড় ঝুঁকি। তাই সময়োপযোগী বিনিয়োগ ও টেকসই সহযোগিতা ছাড়া ভবিষ্যৎ নিরাপদ নয়। এই লক্ষ্যেই নতুন উদ্যোগ ‘এক্সআরজি’ গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে জ্বালানি দক্ষতা, মূলধন ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বকে একসঙ্গে কাজে লাগানো হচ্ছে।

سلطان الجابر يؤكد تمسكه بالعلم والدعوة لخفض الانبعاثات بنسبة 43% عام 2030 -  SWI swissinfo.ch

ভারত–আমিরাত জ্বালানি সেতু

ভারত–আমিরাত সম্পর্কের প্রসঙ্গ টেনে ড. আল জাবের জানান, গত বছর দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছুঁয়েছে। প্রযুক্তি, লজিস্টিকস, অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও পর্যটনের পাশাপাশি জ্বালানি খাত এই সম্পর্কের অন্যতম স্তম্ভ।

তিনি বলেন, ভারতের শোধনাগারগুলোতে জ্বালানি জোগাতে যত বেশি অপরিশোধিত তেলের প্রয়োজন হচ্ছে, আমিরাত ততটাই গর্বের সঙ্গে নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারীর ভূমিকা পালন করছে। একই সঙ্গে ভারত যখন তার জ্বালানি মিশ্রণে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নিয়েছে, তখন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজির জন্য ভারতকে নিজেদের এক নম্বর বাজার হিসেবে বেছে নিয়েছে আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি।

বিশ্বজুড়ে বাড়তে যাচ্ছে জ্বালানি তেলের চাহিদা

 

নবায়নে বিনিয়োগ, ভবিষ্যতের প্রস্তুতি

ভারত নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সক্ষমতা বাড়াতে যে উদ্যোগ নিয়েছে, সেখানেও সক্রিয় অংশীদার হচ্ছে আমিরাত। ড. আল জাবের জানান, তাদের বৈশ্বিক জলবায়ু বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম ‘আল্টেরা’র মাধ্যমে সৌর, বায়ু ও জ্বালানি সংরক্ষণে মোট ১১ গিগাওয়াট সক্ষমতায় বিনিয়োগ করা হচ্ছে।

তার বক্তব্যে স্পষ্ট, জ্বালানি নিরাপত্তা মানে শুধু বর্তমানের চাহিদা পূরণ নয়। এটি ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার বিষয়। আর সেই প্রস্তুতিতে ভারতকে একটি প্রধান প্রবৃদ্ধির চালিকা শক্তি হিসেবে দেখছে আমিরাত। নির্ভরযোগ্য সরবরাহ, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা আর পারস্পরিক আস্থাই এই অংশীদারিত্বের ভিত্তি—এমনটাই ইন্ডিয়া এনার্জি উইকের মঞ্চ থেকে উঠে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

ভারতের বিশ্বস্ত জ্বালানি অংশীদার সংযুক্ত আরব আমিরাত: সুলতান আল জাবের

১১:২৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

বিশ্বজুড়ে জ্বালানির চাহিদা বাড়ছে। এই বাস্তবতায় দীর্ঘমেয়াদি, নির্ভরযোগ্য অংশীদারিত্বই এখন সবচেয়ে জরুরি—এমন বার্তা দিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের শিল্প ও উন্নত প্রযুক্তিমন্ত্রী এবং আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও গ্রুপ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. সুলতান আল জাবের। মঙ্গলবার ইন্ডিয়া এনার্জি উইক ২০২৬–এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, আজকের বিশ্বে স্থির থাকা মানেই পিছিয়ে পড়া।

ড. আল জাবের সতর্ক করে বলেন, জ্বালানি খাতে অতিরিক্ত সরবরাহ নয়, বরং বিনিয়োগের ঘাটতিই বড় ঝুঁকি। তাই সময়োপযোগী বিনিয়োগ ও টেকসই সহযোগিতা ছাড়া ভবিষ্যৎ নিরাপদ নয়। এই লক্ষ্যেই নতুন উদ্যোগ ‘এক্সআরজি’ গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে জ্বালানি দক্ষতা, মূলধন ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বকে একসঙ্গে কাজে লাগানো হচ্ছে।

سلطان الجابر يؤكد تمسكه بالعلم والدعوة لخفض الانبعاثات بنسبة 43% عام 2030 -  SWI swissinfo.ch

ভারত–আমিরাত জ্বালানি সেতু

ভারত–আমিরাত সম্পর্কের প্রসঙ্গ টেনে ড. আল জাবের জানান, গত বছর দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছুঁয়েছে। প্রযুক্তি, লজিস্টিকস, অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও পর্যটনের পাশাপাশি জ্বালানি খাত এই সম্পর্কের অন্যতম স্তম্ভ।

তিনি বলেন, ভারতের শোধনাগারগুলোতে জ্বালানি জোগাতে যত বেশি অপরিশোধিত তেলের প্রয়োজন হচ্ছে, আমিরাত ততটাই গর্বের সঙ্গে নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারীর ভূমিকা পালন করছে। একই সঙ্গে ভারত যখন তার জ্বালানি মিশ্রণে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নিয়েছে, তখন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজির জন্য ভারতকে নিজেদের এক নম্বর বাজার হিসেবে বেছে নিয়েছে আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি।

বিশ্বজুড়ে বাড়তে যাচ্ছে জ্বালানি তেলের চাহিদা

 

নবায়নে বিনিয়োগ, ভবিষ্যতের প্রস্তুতি

ভারত নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সক্ষমতা বাড়াতে যে উদ্যোগ নিয়েছে, সেখানেও সক্রিয় অংশীদার হচ্ছে আমিরাত। ড. আল জাবের জানান, তাদের বৈশ্বিক জলবায়ু বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম ‘আল্টেরা’র মাধ্যমে সৌর, বায়ু ও জ্বালানি সংরক্ষণে মোট ১১ গিগাওয়াট সক্ষমতায় বিনিয়োগ করা হচ্ছে।

তার বক্তব্যে স্পষ্ট, জ্বালানি নিরাপত্তা মানে শুধু বর্তমানের চাহিদা পূরণ নয়। এটি ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার বিষয়। আর সেই প্রস্তুতিতে ভারতকে একটি প্রধান প্রবৃদ্ধির চালিকা শক্তি হিসেবে দেখছে আমিরাত। নির্ভরযোগ্য সরবরাহ, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা আর পারস্পরিক আস্থাই এই অংশীদারিত্বের ভিত্তি—এমনটাই ইন্ডিয়া এনার্জি উইকের মঞ্চ থেকে উঠে এসেছে।