০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়? ‘Belonging: A Journey of Love’: সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ১০ নভেম্বর ভারতে প্রকাশ সিলেটে প্রতিমন্ত্রীর অনুষ্ঠান বয়কট সাংবাদিকদের, বিএনপির বিরুদ্ধেও হয়রানির অভিযোগ বিএনপির মন্ত্রীদের মান্নার কড়া বার্তা: ‘সত্য বলুন, দম্ভ দেখাবেন না’ ভারী বৃষ্টিতে দিল্লি অচল, কনট প্লেস থেকে বিমানবন্দর পানির নিচে বিশ্বে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ, বাড়ছে সরবরাহ ঝুঁকি বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত, দাবি পাকিস্তানের হৃদয় থেকে রান্না, স্বাস্থ্য থেকে মানুষের পাশে: উদ্ভিদভিত্তিক খাবারে বদলের গল্প চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্যবসায়ীকে ‘ছেলেমেয়ের লাশ ফেলে রাখার’ হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের

ভিয়েতনাম এগোচ্ছে, বাংলাদেশ কোথায় পিছিয়ে? যুদ্ধের মাঝেও ভিন্ন অর্থনৈতিক বাস্তবতা

  • Sarakhon Report
  • ০৬:৫০:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • 73

বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বাড়লেও ভিয়েতনাম তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল অবস্থানে রয়েছে। বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনে তাদের শক্ত অবস্থান এবং নীতিগত নমনীয়তা দেশটিকে এগিয়ে রাখছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ একই ধরনের চাপে পড়ে ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে।

সরবরাহ চেইনে ভিয়েতনামের শক্ত অবস্থান

ভিয়েতনাম গত এক দশকে নিজেকে বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বহুজাতিক কোম্পানিগুলো তাদের উৎপাদন সেখানে স্থানান্তর করছে।

ফলে বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও তাদের রপ্তানি খাত তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকে।

নীতিগত নমনীয়তা

ভিয়েতনাম দ্রুত নীতি পরিবর্তন করতে সক্ষম। তারা বৈশ্বিক বাজারের পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নীতিগত পরিবর্তন তুলনামূলক ধীর, যা দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধা তৈরি করে।

জ্বালানি ও ব্যয়ের চাপ

বাংলাদেশের বড় সমস্যা হলো জ্বালানি নির্ভরতা। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়।

ভিয়েতনামও এই সমস্যার মুখোমুখি হয়, তবে তারা বিকল্প উৎস ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তা কিছুটা সামলে নিতে পারে।

বাংলাদেশ–ভিয়েতনাম সম্পর্ক - উইকিপিডিয়া

রপ্তানি প্রতিযোগিতা

গার্মেন্টস খাতে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে শক্ত অবস্থানে থাকলেও এখন প্রতিযোগিতা বাড়ছে। ভিয়েতনাম উচ্চমূল্যের পণ্যে প্রবেশ করছে এবং বৈচিত্র্য আনছে।

ফলে দীর্ঘমেয়াদে প্রতিযোগিতার চাপ বাড়তে পারে।

বাংলাদেশের করণীয়

বাংলাদেশের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কাঠামোগত সংস্কার। উৎপাদন বৈচিত্র্য, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নীতিগত দ্রুততা বাড়ানো জরুরি।

একই সঙ্গে জ্বালানি খাতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

সামনে বাস্তবতা

বিশ্ব অর্থনীতি অনিশ্চিত থাকলেও প্রতিযোগিতা থেমে নেই। বরং এই সময়েই শক্তিশালী দেশগুলো নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করে।

বাংলাদেশের জন্য এখন প্রশ্ন—এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা সম্ভব হবে কি না।

জনপ্রিয় সংবাদ

রপ্তানি বাড়ছে, অর্ডার কমছে—বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মুনাফা যাচ্ছে কোথায়?

ভিয়েতনাম এগোচ্ছে, বাংলাদেশ কোথায় পিছিয়ে? যুদ্ধের মাঝেও ভিন্ন অর্থনৈতিক বাস্তবতা

০৬:৫০:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বাড়লেও ভিয়েতনাম তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল অবস্থানে রয়েছে। বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনে তাদের শক্ত অবস্থান এবং নীতিগত নমনীয়তা দেশটিকে এগিয়ে রাখছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ একই ধরনের চাপে পড়ে ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে।

সরবরাহ চেইনে ভিয়েতনামের শক্ত অবস্থান

ভিয়েতনাম গত এক দশকে নিজেকে বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বহুজাতিক কোম্পানিগুলো তাদের উৎপাদন সেখানে স্থানান্তর করছে।

ফলে বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও তাদের রপ্তানি খাত তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকে।

নীতিগত নমনীয়তা

ভিয়েতনাম দ্রুত নীতি পরিবর্তন করতে সক্ষম। তারা বৈশ্বিক বাজারের পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নীতিগত পরিবর্তন তুলনামূলক ধীর, যা দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধা তৈরি করে।

জ্বালানি ও ব্যয়ের চাপ

বাংলাদেশের বড় সমস্যা হলো জ্বালানি নির্ভরতা। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়।

ভিয়েতনামও এই সমস্যার মুখোমুখি হয়, তবে তারা বিকল্প উৎস ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তা কিছুটা সামলে নিতে পারে।

বাংলাদেশ–ভিয়েতনাম সম্পর্ক - উইকিপিডিয়া

রপ্তানি প্রতিযোগিতা

গার্মেন্টস খাতে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে শক্ত অবস্থানে থাকলেও এখন প্রতিযোগিতা বাড়ছে। ভিয়েতনাম উচ্চমূল্যের পণ্যে প্রবেশ করছে এবং বৈচিত্র্য আনছে।

ফলে দীর্ঘমেয়াদে প্রতিযোগিতার চাপ বাড়তে পারে।

বাংলাদেশের করণীয়

বাংলাদেশের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কাঠামোগত সংস্কার। উৎপাদন বৈচিত্র্য, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নীতিগত দ্রুততা বাড়ানো জরুরি।

একই সঙ্গে জ্বালানি খাতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

সামনে বাস্তবতা

বিশ্ব অর্থনীতি অনিশ্চিত থাকলেও প্রতিযোগিতা থেমে নেই। বরং এই সময়েই শক্তিশালী দেশগুলো নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করে।

বাংলাদেশের জন্য এখন প্রশ্ন—এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা সম্ভব হবে কি না।