মিয়ানমারের জাতীয় ঐক্য সরকারের সশস্ত্র শাখা পিপলস ডিফেন্স ফোর্স দাবি করেছে, তারা মান্দালয়ের তাদা-উ আন্তর্
জাতীয় ঐক্য সরকারের মুখপাত্র নেই ফোন লাত জানান, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর বিমান হামলা চালানো যুদ্ধবিমান যে অংশে রাখা হয়েছিল, শুধু সেই অংশকেই লক্ষ্য করা হয়েছে। বারোটি ইউনিট এই অভিযানে অংশ নেয় বলে জানানো হয়েছে। ভিডিওতে যুদ্ধবিমান রাখা হ্যাঙ্গারের দিকে ড্রোন এগিয়ে যেতে দেখা গেলেও প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি স্পষ্ট নয়। প্রতিরোধ বাহিনীর দাবি, লক্ষ্যবস্তু নির্বাচনে তারা বেসামরিক এলাকা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেছে।
পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের দাবি, হামলায় এক কর্নেলসহ পাঁচজন সেনা সদস্য এবং তাদের নিজস্ব তিনজন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে সেনাবাহিনী ড্রোন অনুপ্রবেশের কথা স্বীকার করলেও দাবি করেছে, সব বিমানকে নিরাপদে সরিয়ে বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে এবং কোনো হতাহত বা অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়নি। সরকারপন্থী গণমাধ্যম এই ঘটনাকে কেবল অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের সাময়িক বিঘ্ন হিসেবেই তুলে ধরেছে। স্বতন্ত্র সূত্রে কোনো দাবিই যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারির অভ্যুত্থানের পর থেকে চলা পাঁচ বছরের এই সংঘাতে প্রচলিত অস্ত্রশক্তিতে সেনাবাহি
দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী দাবির ভিড়ে সত্যিটা যেখানেই থাক, বিমানবন্দরের রানওয়ে দুই দিন বন্ধ থাকার ঘটনাই বলে দিচ্ছে মিয়ানমারের আকাশ এখনো কতটা অনিশ্চিত।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















